মাখনের pH কমে যায় কোনটি মেশালে?
-
ক
Leuconostoc bulgaricus
-
খ
Streptococcus thermophilus
-
গ
Leuconostoc citrovorum
-
ঘ
streptococcus cremoris
মাখনের pH কমে যায় Leuconostoc citrovorum মেশালে।
Leuconostoc citrovorum হল একটি ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া যা দুগ্ধজাত পণ্যগুলিতে ব্যবহৃত হয়। এটি দুগ্ধজাতে থাকা ল্যাকটোজকে ল্যাকটিক অ্যাসিডে রূপান্তর করে, যা মাখনের pH কে কমায়।
Leuconostoc citrovorum ছাড়াও, অন্যান্য ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া যেমন Streptococcus thermophilus এবং Lactobacillus delbrueckii ssp. lactisকেও মাখন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এই ব্যাকটেরিয়াগুলিও মাখনের pH কে কমায়, তবে Leuconostoc citrovorum এটির তুলনায় বেশি পরিমাণে ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপাদন করে।
মাখনের pH কম হওয়ার কারণ হল ল্যাকটিক অ্যাসিডের উপস্থিতি। ল্যাকটিক অ্যাসিড একটি দুর্বল অ্যাসিড, যার অর্থ হল এটি জলীয় দ্রবণে আংশিকভাবে আয়নিত হয়। যখন ল্যাকটিক অ্যাসিড আয়নিত হয়, তখন এটি হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এবং ল্যাকটেট আয়ন (C3H5O3-) উৎপাদন করে। হাইড্রোজেন আয়নগুলি মাখনের pH কে কমায়।
মাখনের pH এর গড় মান 4.5 এবং 5.5 এর মধ্যে। মাখনের pH কম হলে, এটি বেশি টেকসই হয় এবং ব্যাকটেরিয়া দ্বারা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। মাখনের pH কম হলে, এটির স্বাদও আরও তীক্ষ্ণ হয়।
গুণগত রসায়ন
গুণগত রসায়ন হল রসায়নের একটি শাখা যা কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের মধ্যে কোন উপাদান বা যৌগ উপস্থিত আছে তা নির্ণয় করার সাথে সম্পর্কিত। এটি মূলত একটি পদার্থের গুণগত বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করার উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ, কোনো পদার্থ কী দিয়ে তৈরি, তা জানার চেষ্টা করা।
গুণগত বিশ্লেষণের উদ্দেশ্য
- পদার্থের পরিচয়: কোনো অজানা পদার্থ কী দিয়ে তৈরি তা নির্ণয় করা।
- শুদ্ধতা নিরূপণ: কোনো পদার্থ শুদ্ধ কিনা তা নির্ণয় করা।
- মিশ্রণের উপাদান নির্ণয়: কোনো মিশ্রণে কোন কোন উপাদান রয়েছে তা নির্ণয় করা।
- রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া বোঝা: বিভিন্ন রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ধরন বোঝা।
গুণগত বিশ্লেষণের পদ্ধতি
গুণগত বিশ্লেষণের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- শিখা পরীক্ষা: বিভিন্ন ধাতুকে আগুনে পোড়ালে তারা নির্দিষ্ট রঙের আলো দেয়। এই রঙের উপর ভিত্তি করে ধাতু চিহ্নিত করা হয়।
- অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া: একটি দ্রবণে কোনো বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ যোগ করলে একটি অদ্রবণীয় পদার্থ তৈরি হলে তা দিয়ে উপস্থিত আয়নকে চিহ্নিত করা যায়।
- গ্যাসীয় পরীক্ষা: কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নির্দিষ্ট গ্যাস উৎপন্ন হলে তা দিয়ে উপস্থিত আয়নকে চিহ্নিত করা যায়।
- বর্ণালী বিশ্লেষণ: কোনো পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো নির্গত করে। এই আলোকে বিশ্লেষণ করে পদার্থের উপাদান নির্ণয় করা হয়।
- ক্রোমাটোগ্রাফি: এই পদ্ধতিতে একটি মিশ্রণকে তার উপাদানে বিভক্ত করে বিশ্লেষণ করা হয়।
গুণগত বিশ্লেষণের ব্যবহার
গুণগত বিশ্লেষণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমন:
- রসায়ন: নতুন যৌগ আবিষ্কার, মিশ্রণ বিশ্লেষণ, শিল্পে ব্যবহৃত পদার্থের শুদ্ধতা নির্ণয়।
- জীববিজ্ঞান: জৈব যৌগের বিশ্লেষণ, খাদ্য পদার্থের গুণগত বিশ্লেষণ।
- পরিবেশ বিজ্ঞান: পানি, বায়ু এবং মাটিতে বিভিন্ন ধরনের দূষণকারী পদার্থের উপস্থিতি নির্ণয়।
- ফরেনসিক বিজ্ঞান: অপরাধের ঘটনাস্থলে পাওয়া নমুনা বিশ্লেষণ করে অপরাধী শনাক্ত করা।
Related Question
View All-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
1 neutron and 1 proton
-
খ
2 neutron and 2 proton
-
গ
1 neutron and 2 proton
-
ঘ
2 neutron and 1 proton
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
-
ক
Agl
-
খ
AgBr
-
গ
AgCl
-
ঘ
Agf
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন