মানুষের শ্রাব্যতার সীমা কত?
মানুষের শ্রাব্যতার সীমা কত?
-
ক
20 Hz থেকে 200 Hz
-
খ
20 Hz থেকে 2000 Hz
-
গ
20 Hz থেকে 20000 Hz
-
ঘ
20 Hz থেকে 200000 Hz
শ্রাব্যতার পাল্লা এবং শব্দোত্তর ও শব্দেতর তরঙ্গ
Audibility range and Ultrasonic & Infrasonic waves
উৎসের কম্পাঙ্ক ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz এর মধ্যে সীমিত থাকলেই কেবল মানুষ তা শুনতে পায়। এক শ্রাব্যতার পাল্লা বলে। যে তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ২০,০০০ Hz এর চেয়ে বেশি, তাকে শব্দোত্তর (আল্ট্রাসনিক) তরঙ্গ বলে। আর কম্পাঙ্ক ২০ Hz এর চেয়ে কম তাকে শব্দেতর (ইনফ্রাসনিক) তরঙ্গ বলে। কোনো কোনো জীবজন্তু আল্ট্রাসনিক শব্দ শুনতে পায়। যেমন: কুকুরের শ্রাব্যতার ঊর্ধ্বসীমা প্রায় ৩৫,০০০ Hz এবং বাদুড়ের প্রায় ১,০০,০০০ Hz। বাদুড় চোখে দেখতে পারেনা। বাদুড় চলার সময় বিভিন্ন কম্পাঙ্কের শব্দোত্তর তরঙ্গ সৃষ্টি করে। বাদুড় তার সৃষ্ট শব্দোত্তর তরঙ্গের প্রতিধ্বনি শুনে প্রতিবন্ধকের অবস্থান এবং প্রকৃতি সম্বন্ধে ধারণা লাভ করে এবং পথ চলার সময় সেই প্রতিবন্ধকপরিহার করে। কোয়ার্টজ ক্রিস্টাল অসিলেটরের মাধ্যমে শব্দোত্তর তরঙ্গ উৎপন্ন করা যায়।
শব্দোত্তর তরঙ্গের ব্যবহার
১. রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে শব্দোত্তর তরঙ্গ। আলট্রাসনোগ্রাফি হলো ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দ ব্যবহার করে ইমেজিং।
২. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়, হিমশৈল, ডুবোজাহাজ ইত্যাদির অবস্থান নির্ণয়।
৩. সূক্ষ্ম ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে।

Related Question
View All-
ক
০.০১-০১ মেগাহার্জ
-
খ
০১-১০ মেগাহার্জ
-
গ
১০-২০ মেগাহার্জ
-
ঘ
২০-৩০ মেগাহার্জ
-
ক
১৩০ ডেসিবেল
-
খ
১২০ ডেসিবেল
-
গ
৯০ ডেসিবেল
-
ঘ
১১০ ডেসিবেল
-
ক
৭৫ ডিবি
-
খ
৯০ ডিবি
-
গ
১০৫ ডিবি
-
ঘ
১২০ ডিবি
-
ক
৪৫-৫৫ ডিবি
-
খ
৩৫-৪৫ডিবি
-
গ
৫৫-৬৫ ডিবি
-
ঘ
২৫-৩৫ ডিবি
-
ক
এক ধরণের এক্সরে
-
খ
ছোট তরঙ্গদৈর্ঘের শব্দ দ্বারা ইমেজিং
-
গ
শরীরের অভ্যান্তরের শব্দ বিশ্লেষণ
-
ঘ
শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরন
-
ক
চোখে দেখে
-
খ
ঘ্রান শক্তির মাধ্যমে
-
গ
আরট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে
-
ঘ
সবগুলোই ঠিক
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন