মৈমনসিংহ গীতিকার 'মহুয়া' পালার রচয়িতা-
-
ক
দ্বিজ ঈশান
-
খ
দ্বিজ কানাই
-
গ
নয়ান চাঁদ ঘোষ
-
ঘ
চন্দ্রবতী
দ্বিজ কানাই হলেন একজন মধ্যযুগের কবি। দ্বিজ কানাই পূর্ব ময়মনসিংহ অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন। দল গঠন করে তিনি তৎকালীন লোকনাট্যরীতিতে নাটকের অভিনয় করিয়েছিলেন। দ্বিজ কানাই এক অসবর্ণ তরুণীর প্রতি প্রণয়াসক্ত হয়ে গভীর দুঃখ ভোগ করেন। শ্রী দীনেশ্চন্দ্র সেনের অনুমান অনুযায়ী, তিনি সতেরো শতকের কবি ছিলেন। তার সম্পর্কে যে প্রবাদ প্রচলিত তাতে জানা যায়, তিনি বর্ণবিভক্ত সমাজে উচ্চবর্ণ তথা ব্রাক্ষণশ্রেণির অন্তভুক্ত হলেও নিম্নবর্ণ অর্থাৎ শূদ্রশ্রেণীর প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। 'মহুয়া' পালাগান (১৬৫০ সাল) রচনায় তার যে উদারনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ ঘটেছে তার মূলে তার ব্যক্তি জীবনের সংস্কারমুক্ত মানবিক বোধ সক্রিয় বলে ধারণা করা হয়। পালাগানটিতে মোট ৭৮৯ ছত্র আছে, যেগুলোকে দীনেশচন্দ্র সেন ২৪টি অধ্যায়ে বিভক্ত করেছেন।
খ) মৈমনসিংহ গীতিকা: বৃহত্তর ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্বাংশে নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর, বিল, নদ-নদী পণ্ডাবিত ভাটি অঞ্চলে যে গীতিকা বিকশিত হয়েছিল তা 'মৈমনসিংহ গীতিকা' নামে পরিচিত। ডঃ দীনেশচন্দ্র সেন গীতিকাগুলো সংগ্রহ করে 'মৈমনসিংহ গীতিকা' নামে প্রকাশ করেন। 'ময়মনসিংহ গীতিকা' বিশ্বের ২৩ টি ভাষায় অনূদিত হয়।
উল্লেখযোগ্য গীতিকার মধ্য রয়েছে:
ক. 'মহুয়া' পালা: মৈয়মনসিংহ গীতিকার শ্রেষ্ঠ পালা। এটি একটি প্রণয় আখ্যান। রচয়িতা দ্বিজ কানাই।
খ. দেওয়ানা মদিনা: রচয়িতা মনসুর বয়াতি।
গ. কাজল রেখা
Related Question
View All-
ক
২৩টি
-
খ
২০টি
-
গ
২২টি
-
ঘ
২৫টি
-
ক
২০ টি
-
খ
২২ টি
-
গ
৩২ টি
-
ঘ
২৩ টি
-
ক
নদের চাঁদ
-
খ
আলাত
-
গ
মদীনা
-
ঘ
মলুয়া
-
ক
আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ
-
খ
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
গ
দীনেশচন্দ্র সেন
-
ঘ
ইসমাইল হোসেন সিরাজী
-
ক
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
-
খ
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
-
গ
দ্বিজ কানাই
-
ঘ
আলাওল
'এমন সোনার পানসী তাতে মাঝি নাই/ যৌবন চলিয়া গেলে কেউ না দেবে ঠাঁই'- উদ্ধৃতিটি কোন পালা থেকে গৃহিত?
-
ক
কাজলরেখা
-
খ
মহুয়া
-
গ
মালুয়া
-
ঘ
দেওয়ানামাদিনা
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন