মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজধানী ছিল
মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজধানী ছিল
-
ক
মহাস্থানগড়
-
খ
গৌড়
-
গ
সোনারগাঁও
-
ঘ
ময়নামতি
✅ সঠিক উত্তর: গৌড় নয়, বরং "পাটলিপুত্র" (বর্তমান পাটনা, ভারত) — তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনোটিই সম্পূর্ণ সঠিক নয়, তবুও যদি "গৌড়" অপশনটি ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ ধরা হয় (কারণ এটি প্রাচীন বাংলার একটি রাজধানী ছিল), তাহলে সেটিকে তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি ধরা যেতে পারে।
তবে একাডেমিকভাবে সঠিক উত্তর হবে “পাটলিপুত্র”।
---
🔶 বিশ্লেষণ (Explanation):
1. মৌর্য বংশ (Maurya Dynasty):
প্রতিষ্ঠাতা: চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য (৩২১ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)
সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক: অশোক
রাজধানী: পাটলিপুত্র (বর্তমান ভারতের পাটনা)
এটি ছিল ভারতের প্রথম বৃহত্তম সাম্রাজ্য, যা প্রায় গোটা ভারতবর্ষজুড়ে বিস্তৃত ছিল।
2. গুপ্ত বংশ (Gupta Dynasty):
প্রতিষ্ঠাতা: শ্রীগুপ্ত
বিখ্যাত রাজা: চন্দ্রগুপ্ত প্রথম, সমুদ্রগুপ্ত, চন্দ্রগুপ্ত দ্বিতীয় (বিক্রমাদিত্য)
রাজধানী: একইভাবে পাটলিপুত্র
গুপ্ত যুগকে বলা হয় “ভারতের স্বর্ণযুগ”, কারণ এসময় সাহিত্য, বিজ্ঞান, শিল্প ও গণিতে বিশাল অগ্রগতি ঘটে।
প্রাচীন বাংলার গুরুত্বপূর্ণ জনপদসমূহ
| জনপদের নাম | আনুমানিক অঞ্চল (বর্তমান জেলা) | রাজধানী | ঐতিহাসিক তাৎপর্য |
|---|---|---|---|
| পুণ্ড্র (পুণ্ড্রবর্ধন) | বৃহত্তর বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশ বিশেষ (উত্তরবঙ্গ)। | পুণ্ড্রনগর (মহাস্থানগড়) | সর্বাপেক্ষা প্রাচীন ও সমৃদ্ধ জনপদ। মৌর্য যুগের প্রাচীনতম শিলালিপি প্রাপ্ত স্থান। |
| গৌড় | মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অংশ। | কর্ণসুবর্ণ (শশাঙ্কের আমলে) | শশাঙ্কের আমলে শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্যে পরিণত হয়। পাল ও সেন যুগে এর গুরুত্ব বাড়ে। |
| বঙ্গ | ঢাকা, ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী জেলার কিছু অংশ। | বিক্রমপুর | 'বাঙালি' জাতির উৎপত্তির ধারণা এই জনপদকে কেন্দ্র করে। |
| সমতট | বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল (পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা)। | বড় কামতা | বঙ্গ জনপদের প্রতিবেশী আর্দ্র নিম্নভূমি অঞ্চল। শালবন বিহারের জন্য বিখ্যাত। |
| রাঢ় | ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীর থেকে গঙ্গা নদীর দক্ষিণাঞ্চল (পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চল)। | সুনির্দিষ্ট রাজধানী নিয়ে মতভেদ আছে। | অজয় নদ দ্বারা উত্তর রাঢ় ও দক্ষিণ রাঢ়-এ বিভক্ত ছিল। |
| হরিকেল | সিলেট এবং চট্টগ্রামের অংশবিশেষ (পূর্ব ভারতের শেষ সীমা)। | সুনির্দিষ্ট রাজধানী নিয়ে মতভেদ আছে। | সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা। চৈনিক পরিব্রাজক ইৎ সিংয়ের বিবরণ থেকে জানা যায়। |
| তাম্রলিপ্ত | বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুক এলাকা। | তাম্রলিপ্ত (বন্দর নগরী) | প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত বন্দর ও বাণিজ্য কেন্দ্র ছিল। |
বগুড়া শহর হতে সাত মাইল উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহস্থানগড়, যা একসময় মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজাদের রাজধানী ছিল। আর এই রাজধানীর নাম ছিল 'পুণ্ড্রনগর'। বাংলাদেশে প্রাপ্ত পাথরের চাকতিতে খোদাই করা প্রাচীনতম শিলালিপি সম্ভবত এখানে পাওয়া গেছে।
প্রাচীন শাসনামলে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে বিভিন্ন রাজবংশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন