রাজাম্ল হচ্ছে -
-
ক
3 ভাগ <math xmlns="http://www.w3.org/1998/Math/MathML"><mi>H</mi><mi>N</mi><msub><mi>O</mi><mn>3</mn></msub></math> +1 ভাগ <math xmlns="http://www.w3.org/1998/Math/MathML"><mi>H</mi><mi>C</mi><mi>l</mi></math> - এর মিশ্রণ
-
খ
3 ভাগ <math xmlns="http://www.w3.org/1998/Math/MathML"><mi>H</mi><mi>C</mi><mi>l</mi></math> +1 ভাগ <math xmlns="http://www.w3.org/1998/Math/MathML"><msub><mi>H</mi><mn>2</mn></msub><mi>S</mi><msub><mi>O</mi><mn>4</mn></msub></math> - এর মিশ্রন
-
গ
1 ভাগ HCl +3 ভাগ <math xmlns="http://www.w3.org/1998/Math/MathML"><mi>H</mi><mi>N</mi><msub><mi>O</mi><mn>3</mn></msub></math> - এর মিশ্রন
-
ঘ
1 ভাগ <math xmlns="http://www.w3.org/1998/Math/MathML"><mi>H</mi><mi>N</mi><msub><mi>O</mi><mn>3</mn></msub></math> +3 ভাগ HCl - এর মিশ্রণ
রাজাম্ল হল 1 ভাগ HNO3+ 3 ভাগ HCl এর মিশ্রণ। এই মিশ্রণটি একটি শক্তিশালী অ্যাসিড, যা কাঠ, ধাতু এবং অন্যান্য পদার্থগুলিকে ক্ষয় করতে পারে। এটি একটি শক্তিশালী জীবাণুনাশকও।
রাজাম্ল তৈরির জন্য, প্রথমে 3 ভাগ HCl একটি পাত্রে ঢালা হয়। তারপর, 1 ভাগ HNO3 আস্তে আস্তে মিশানো হয়। এই মিশ্রণটি একটি সাদা ধোঁয়া তৈরি করে, যা নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2)।
রাজাম্লের ব্যবহারগুলির মধ্যে রয়েছে:
- কাঠের কাঠকয়লা তৈরিতে
- ধাতুগুলিকে পরিষ্কার করতে
- জীবাণু ধ্বংস করতে
- রাসায়নিক পরীক্ষাগুলিতে
প্রশ্ন-১. তড়িৎ রসায়ন কি?
উত্তর : তড়িৎ রসায়ন হলো রসায়নের একটি শাখা, যেখানে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের তড়িৎ পরিবাহী ধর্ম, তড়িৎ পরিবাহিতার প্রকারভেদ, তড়িৎ বিশ্লেষণ ও এর কার্যনীতি এবং এর সাথে জড়িত বিষয়গুলো পর্যালোচনা ও ব্যবহারিক প্রয়োগসমূহ আলোচনা করা হয়।
প্রশ্ন-২. গ্রাফাইট কী ধরনের পরিবাহী?
উত্তর : সুপরিবাহী।
প্রশ্ন-৩. কাচ, রাবার, পেট্রোল, চিনি কী ধরনের পরিবাহী?
উত্তর : অপরিবাহী।
প্রশ্ন-৪. লবণ সেতু ব্যবহারের উদ্দেশ্য কি?
উত্তর : তড়িৎ নিরপেক্ষতা বজায় রাখা।
প্রশ্ন-৫. উভমুখী তড়িৎদ্বার কয় ধরনের?
উত্তর : তিন ধরনের।
প্রশ্ন-৬. ভোল্টায়িক সেল কত সালে সর্বপ্রথম আবিষ্কার করা হয়?
উত্তর : ১৮০০ সালে সর্বপ্রথম ভোল্টায়িক সেল আবিষ্কার করা হয়।
প্রশ্ন-৭. তড়িৎ রাসায়নিক কোষ কাকে বলে?
উত্তর : যে তড়িৎ কোষে রাসায়নিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিকে রূপান্তরিত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। যেমন- ডেনিয়েল কোষ।
প্রশ্ন-৮. সেকেন্ডারি নির্দেশক তড়িৎদ্বার কাকে বলে?
উত্তর : যে তড়িৎদ্বারের বিভব সরাসরি নির্ণয় করা যায় না, প্রাইমারি নির্দেশক তড়িৎদ্বার ব্যবহার করে নির্ণয় করা হয় তাকে সেকেন্ডারি নির্দেশক তড়িৎদ্বার বলে। যেমন– ক্যালোমোল ইলেকট্রোড।
প্রশ্ন-৯. প্রাইমারি নির্দেশক তড়িৎদ্বার কাকে বলে?
উত্তর : যে তড়িৎদ্বারের বিভব সরাসরি নির্ণয় করা যায় তাকে প্রাইমারি নির্দেশক তড়িৎদ্বার বলে। যেমনঃ প্রমাণ হাইড্রোজেন তড়িৎদ্বার।
প্রশ্ন-১০. তড়িৎ বিশ্লেষণ কী?
উত্তর : বিগলিত বা দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় সে যৌগের বিয়োজন বা রাসায়নিক পরিবর্তনকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলা হয়।
প্রশ্ন-১১. তড়িৎ রাসায়নিক তুল্যাঙ্ক কাকে বলে?
উত্তর : কোন তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্য দিয়ে এক কুলম্ব বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে বা এক অ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎ এক সেকেন্ড যাবৎ প্রবাহিত করলে তড়িৎদ্বারে যে পরিমাণ জমা হবে বা দ্রবীভূত হবে তাকে তড়িৎ রাসায়নিক তুল্যাঙ্ক বলে।
প্রশ্ন-১২. তড়িৎ বিশ্লেষ্য কি?
উত্তর : যে সব যৌগ বিগলিত বা পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে এবং সেই সাথে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে তাদেরকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলা হয়।
প্রশ্ন-১৩. তড়িৎ পরিবাহী কাকে বলে?
উত্তর : যে সমস্ত পদার্থের মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে তাকে তড়িৎ পরিবাহী বলে।
প্রশ্ন-১৪. ফুয়েল সেল কী?
উত্তর : রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ তৈরির যান্ত্রিক কৌশলকে জ্বালানি বা ফুয়েল সেল বলে।
প্রশ্ন-১৫. কোষের তড়িচ্চালক বল কী?
উত্তর : তড়িৎ রাসায়নিক কোষের বর্তনী খোলা থাকা অবস্থায় তড়িৎদ্বার দুটির মধ্যে যে বিভব পার্থক্য হয়, তাকে কোষের তড়িচ্চালক বল (EMF) বলে। EMF এর একক ভোল্ট।
প্রশ্ন-১৬. জারণ অর্ধ বিক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর : জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার যে অংশে জারণ বিক্রিয়া ঘটে, তাকে জারণ অর্ধ বিক্রিয়া বলে।
প্রশ্ন-১৭. বিজারণ অর্ধ বিক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর : জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার যে অংশে বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে, তাকে জারণ অর্ধ বিক্রিয়া বলে।
প্রশ্ন-১৮. ফ্যারাডের ১ম সূত্র কি?
উত্তর : তড়িৎ বিশ্লেষণের ফলে কোন তড়িৎদ্বারে সংঘটিত রাসায়নিক বিক্রিয়ার পরিমাণ তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মোট তড়িতের সমানুপাতিক।
প্রশ্ন-১৯. করোসান কি?
উত্তর : করোসান হলো ধাতুর সঙ্গে পরিবেশে উপস্থিত বস্তুসমূহের রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ধাতুর ক্ষয় হওয়ার প্রক্রিয়া।
কোটিং কাকে বলে?
উত্তর : কোন বস্তুকে পরিবেশ থেকে রক্ষা, তার গুণাগুণ ও সৌন্দর্য এবং স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য, পণ্য তলে যে পাতলা প্রলেপ দেয়া হয়, তাকে আস্তরণ বা কোটিং (Coating) বলে। যেমন- রং এর কোটিং।
প্লেটিং কাকে বলে?
উত্তর : কোন ধাতব পদার্থের পণ্যকে পরিবেশ থেকে রক্ষা, দীর্ঘ স্থায়িত্ব , ক্রেতার আকর্ষণ বৃদ্ধিসহ অন্যান্য গুণাবলি বৃদ্ধি ও অর্জনের লক্ষ্যে অন্য কোন ধাতব পদার্থের সাহায্যে পণ্য পৃষ্ঠে যে প্রলেপ বা আস্তরণ দেয়া হয়, তাকে প্লেটিং (Plating) বলে।
Related Question
View All-
ক
3F
-
খ
27F
-
গ
1 F
-
ঘ
13.5F
-
ক
-0.42V
-
খ
– 1.20 V
-
গ
+0.42 V
-
ঘ
+1.20 V
-
ক
i
-
খ
ii
-
গ
iii
-
ঘ
i ও ii
-
ক
+ 0.42 V
-
খ
+ 1.10 V
-
গ
+ 0.42 V
-
ঘ
1.0 V
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i ii ও iii
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!