রাসুল (সাঃ) কার বাড়ি-ঘড় পুড়িয়ে দিতে চেয়েছেন?
রাসুল (সাঃ) কার বাড়ি-ঘড় পুড়িয়ে দিতে চেয়েছেন?
-
ক
যারা জিহাদ করেনা
-
খ
যারা জামাতে নামাজ পড়ে না
-
গ
যারা বাবা মার অবাধ্য
-
ঘ
যারা নামাজ পড়ে না
রাসুল (সাঃ) বলেন 'আমার প্রাণ যার হাতে, তার শপথ করে বলছি, আমার ইচ্ছা হয় আমি কাঠ সংগ্রহ করার নির্দেশ দেই আর নামাজের আজান দেওয়ার হুকুম দেই। তারপর একব্যক্তিকে হুকুম করি, যেন সে নামাজের ইমামতি করে। আর আমি ওইসব লোকদের দিকে যাই, যারা নামাজের জামাতে হাজির হয়নি এবং তাদের বাড়িঘরগুলো আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেই (সহীহ বুখারি)।
তাদের জন্য বৈধ নয় ঘরে নামায পড়া। বরং তাদের জন্য ওয়াজেব হল, মসজিদে উপস্থিত হয়ে জামাআত সহকারে নামায আদায় করা। যেহেতু মহানবী (সঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি আযান শোনা সত্ত্বেও মসজিদে জামাআতে এসে নামায আদায় করে না, কোন ওজর না থাকলে সে ব্যক্তির নামায কবুল হয় না।” ১৫৪
একটি অন্ধ লোক নবী (সঃ)এর নিকট এসে নিবেদন করল, “হে আল্লাহ্র রাসুল! আমার কোন পরিচালক নেই, যে আমাকে মসজিদ পর্যন্ত নিয়ে যাবে।” সুতরাং সে নিজে বাড়িতে নামায পড়ার জন্য আল্লাহ্র রাসুল (সঃ) এর নিকট অনুমতি চাইল। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। কিন্তু যখন সে পিঠ ঘুরিয়ে রওনা দিল, তখন তিনি তাকে ডেকে বললেন, “তুমি কি আহবান (আযান)শুনতে পাও?” সে বলল, ‘জি হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, “ তাহলে তুমি সাড়া দাও।” (অর্থাৎ মসজিদেই এসে নামায পড়।) ১৫৫
রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, “সেই মহান সত্তার শপথ! যার হাতে আমার জীবন আছে। আমার ইচ্ছা হচ্ছে যে, জ্বালানী কাঠ জমা করার আদেশ দিই। তারপর নামাযের জন্য আযান দেওয়ার আদেশ দিই। তারপর কোন লোককে লোকেদের ইমামতি করতে আদেশ দিই। তারপর আমি স্বয়ং সেই সব (পুরুষ) লোকদের কাছে যাই (যারা মসজিদে নামায পড়তে আসেনি)এবং তাঁদেরকে সহ তাদের ঘর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিই।”১৫৬
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রঃ) বলেন, “ যাকে এ কথা আনন্দ দেয় যে, সে কাল কিয়ামতের দিন আল্লাহ্র সঙ্গে মুসলিম হয়ে সাক্ষাৎ করবে, তাঁর উচিৎ, সে যেন এই নামাযসমূহ আদায়ের প্রতি যত্ন রাখে, যেখানে তাঁর জন্য আযান দেওয়া হয় (অর্থাৎ মসজিদে)। কেননা, মহান আল্লাহ তোমাদের নবী (সঃ) এর নিমিত্তে হিদায়াতের পন্থা নির্ধারণ করেছেন। আর নিশ্চয় এই নামাযসমূহ হিদায়েতের অন্যতম পন্থা ও উপায়। যদি তোমরা (ফরয) নামায নিজেদের ঘরেই পর, যেমন এই পিছিয়ে থাকা লোক নিজ ঘরে নামায পড়ে, তাহলে তোমরা তোমাদের নবীর তরীকা পরিহার করবে। আর (মনে রেখো) যদি তোমরা তোমাদের নবীর তরীকা পরিহার কর, তাহলে নিঃসন্দেহে তোমরা পথহারা হয়ে যাবে। আমি তোমাদের লোকেদের এই পরিস্থিতি দেখেছি যে, নামায (জামাতসহ পড়া) থেকে কেবল সেই মুনাফিক (কপট মুসলিম) পিছিয়ে থাকে, যে প্রকাশ্য মুনাফিক। আর (দেখেছি যে, পীড়িত)ব্যক্তিকে দুজনের (কাঁধের) উপর ভর দিয়ে নিয়ে এসে (নামাযের) সারিতে দাঁড় করানো হতো।” ১৫৭
১৫৪ (আবূ দাঊদ ৫৫১, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান, হাকেম, সঃ জামে ৬৩০০ নং), ১৫৫ (মুসলিম), ১৫৬ (বুখারী ও মুসলিম) , ১৫৭ (মুসলিম)
Related Question
View All-
ক
ফরয
-
খ
ফরয়ে কেফায়া
-
গ
ওয়াজিব
-
ঘ
সুন্নাত
-
ক
মুনাফিকের
-
খ
মিথ্যাবাদীর
-
গ
ফাসিকের
-
ঘ
গুনাহের
-
ক
সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী রহঃ
-
খ
সাইয়েদ কুতুব
-
গ
মাওলানা আব্দুর রহিম
-
ঘ
মাওলানা ইউসুফ আল কারজাতী
-
ক
মহররম
-
খ
সফর
-
গ
রমজান
-
ঘ
জিলহাজ্জ
-
ক
খালিদ বিন ওয়ালিদ রাঃ
-
খ
ওমর রাঃ
-
গ
আবু বকর রাঃ
-
ঘ
আলী রাঃ
-
ক
খালিদ বিন ওয়ালিদ রাঃ
-
খ
ওমর রাঃ
-
গ
আবু বকর রাঃ
-
ঘ
আলী রাঃ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন