রোহিঙ্গা গণহত্যার বিষয়ে কোন আদালত ফৌজদারি তদন্ত পরিচালনা করছে?

Updated: 1 week ago
  • International Court of Justice
  • International Criminal Court
  • International Genocide Tribunal
  • Human Rights Council
109
ব্যাখ্যাঃ

রোহিঙ্গা গণহত্যার বিষয়ে ফৌজদারি তদন্ত পরিচালনা করছে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (International Criminal Court - ICC)

বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

        
  • আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (International Criminal Court - ICC): এই আদালত ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং আগ্রাসনের মতো গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার করে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত গণহত্যার বিষয়ে আইসিসি ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর অনুমোদন দেয়। এই আদালতের এখতিয়ারভুক্ত না হলেও, যেহেতু রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের মতো আইসিসি সদস্যভুক্ত দেশে আশ্রয় নিয়েছে, তাই আইসিসি এই বিষয়ে তদন্ত করতে সক্ষম হয়েছে।
  •     
  • আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (International Court of Justice - ICJ): এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ। এটি রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করে। গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করেছে, যেখানে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যা কনভেনশন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে, এটি রাষ্ট্র বনাম রাষ্ট্রের মামলা এবং এখানে কোনো ব্যক্তিবিশেষের ফৌজদারি তদন্ত হয় না।
  •     
  • International Genocide Tribunal: এটি কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক স্থায়ী আদালত নয়। গণহত্যা বিচারের জন্য কিছু অ্যাডহক (Ad-hoc) বা অস্থায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল, যেমন রুয়ান্ডা বা যুগোস্লাভিয়ার জন্য। কিন্তু রোহিঙ্গা গণহত্যার ক্ষেত্রে এটি ফৌজদারি তদন্ত পরিচালনা করছে না।
  •     
  • Human Rights Council: এটি জাতিসংঘের একটি আন্তঃসরকার সংস্থা যা মানবাধিকার প্রচার ও সুরক্ষার জন্য কাজ করে, কিন্তু এটি কোনো আদালত নয় এবং ফৌজদারি তদন্ত পরিচালনা করে না।

সুতরাং, রোহিঙ্গা গণহত্যার বিষয়ে ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত পরিচালনার দায়িত্ব আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতের (ICC)।

Satt AI
Satt AI
1 month ago

রোহিঙ্গা সমস্যা বর্তমান বিশ্বের অন্যতম একটি আলোচিত সমস্যা বর্তমানে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উদ্বাস্ত জনসংখ্যা হলো- রোহিঙ্গা। মায়ানমারের আরাকান বা রাখাইন প্রদেশে বসবাসকারী মুসলিম জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গা নামে পরিচিত। তবে মায়ানমান তদের নিজ জাতিগোষ্ঠী হিসেবে স্বীকার করে না। রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়- ১৯৮২ সালে। আরসা মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের একটি সশস্ত্র সংগঠন।

  • রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি নাম- Displaced People of Myanmar,
  • আরসা প্রতিষ্ঠিত হয়- ২০১৩ সালে।
  • প্রতিষ্ঠাতা- আবু আম্মার জুনুনি আতাউল্লাহ । =
  • মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র সংগঠন।
  • আরসা বলতে বুঝায় আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি।
  • আরসাকে পূর্বে বলা হত Faith Movement.
  • স্থানীয়ভাবে আরসা পরিচিত "হারাকাত আল ইয়াকিন" নামে।

Related Question

View All
  • Joint Response plan
  • Save the Rohingya
  • Rohingya Repatriation plan
  • Rohingya Salvation Plan
67
  • যুক্তরাজ্য থেকে
  • যুক্তরাষ্ট্র থেকে
  • সৌদি আরব থেকে
  • জাপান থেকে
78
  • ইউ ওরিয়ন ম্রা
  • থা মিয়া সেও
  • ডক্টর মাইয়া সিডা
  • থান্ট মিন্ট
82
Updated: 1 week ago
  • আরাকান
  • আফগানিস্তান
  • থাইল্যান্ড
  • ত্রিপুরা
94
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই