শব্দের সাহায্যে নির্ণয় করা যায় না-
-
ক
দূরবর্তী স্থানের উচ্চতা
-
খ
সমুদ্রের গভীরতা
-
গ
শব্দের বেগ
-
ঘ
বস্তুর ঘনত্ব
বস্তুর ঘনত্ব।
শব্দের সাহায্যে দূরবর্তী স্থানের উচ্চতা, সমুদ্রের গভীরতা এবং শব্দের বেগ নির্ণয় করা যায়।
দূরবর্তী স্থানের উচ্চতা নির্ণয়ের জন্য প্রতিধ্বনি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। একটি শব্দ উৎস থেকে শব্দ প্রেরণ করা হয় এবং প্রতিফলিত শব্দটি শুনতে পাওয়ার মধ্য দিয়ে দূরত্ব নির্ণয় করা হয়।
সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের জন্য ইকো-সোনার পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। একটি শব্দ উৎস থেকে শব্দ প্রেরণ করা হয় এবং প্রতিফলিত শব্দটি শুনতে পাওয়ার মধ্য দিয়ে গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
শব্দের বেগ নির্ণয়ের জন্য দূরত্ব-সময় পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে শব্দ উৎস এবং রিসিভার স্থাপন করে, শব্দটি রিসিভারে পৌঁছানোর সময় পরিমাপ করা হয়।
তবে, শব্দের সাহায্যে বস্তুর ঘনত্ব নির্ণয় করা যায় না। কারণ, শব্দের বেগ বস্তুর ঘনত্বের উপর নির্ভর করে, তবে শব্দের বেগ পরিমাপ করে বস্তুর ঘনত্ব নির্ণয় করা সম্ভব নয়। কারণ, শব্দের বেগ বস্তুর ঘনত্বের পাশাপাশি তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং অন্যান্য বাহ্যিক কারণগুলির উপরও নির্ভর করে।
সুতরাং, শব্দের সাহায্যে নির্ণয় করা যায় না এমন বিষয় হলো বস্তুর ঘনত্ব।
সূচনা
Introduction
তরঙ্গ ও তরঙ্গ-গতি পদার্থবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সব ধরনের তরঙ্গের ক্ষেত্রে দুটি বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। প্রথমত, তরঙ্গ চলনক্ষম আলোড়ন বা আন্দোলন এবং দ্বিতীয়ত তরঙ্গ একস্থান হতে অন্যস্থানে শক্তি সঞ্চালন করে। আমরা যে শব্দ শুনি বা আলো দেখি তা তরঙ্গ আকারে উৎস থেকে আমাদের কাছে পৌঁছায়। কাজেই তরঙ্গ প্রকৃতি এবং তরঙ্গ গতি সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। এই অধ্যায়ে তরঙ্গের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য এবং শব্দতরঙ্গ আলোচনা করব।
১৭'২ তরঙ্গ ও তরঙ্গ গতি
Wave and wave motion
একটি পুকুরের স্থির পানিতে ঢিল ছুড়লে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়। ঢিলটি যে বিন্দুতে পানিতে প্রবেশ করে সে বিন্দুকে কেন্দ্র করে পানির উপরিপৃষ্ঠে সারি সারি তরঙ্গ ক্রমবর্ধমান বৃত্তাকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে পানির উপরিতলে একস্থান হতে অন্যস্থানে শক্তির সঞ্চালন ঘটে। পানির উপরে একটি শোলা বা পাটকাঠি থাকলে দেখা যাবে যে শোলা বা কাঠিটি একই স্থানে থেকে উপরে-নিচে উঠানামা করছে। এর অর্থ হল মাধ্যমের কণাগুলো স্থান ত্যাগ করে না, যদি করত তবে শোনা বা কাঠিটি সরে পাড়ে চলে আসত। মাধ্যমের কণাগুলোর মধ্যে সংযুক্তি বলের কারণে এগুলো স্থান ত্যাগ করে না, তবে আন্দোলনের দ্বারা পার্শ্ববর্তী কণাগুলোতে শক্তি সঞ্চালিত হয় এবং পাশের কণাগুলো আন্দোলিত হয়। এভাবে শক্তি তরঙ্গাকারে একস্থান হতে অন্যস্থানে সঞ্চালিত হয়। সুতরাং, তরঙ্গের নিম্নরূপ সংজ্ঞা দেয়া যায় :
সংজ্ঞা : কোন স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের কণাগুলোর স্থানান্তর ছাড়া যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলনের দ্বারা একস্থান হতে অন্যস্থানে শক্তি সঞ্চালিত হয় তাকে তরঙ্গ বলে।
যে সব তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয় সেগুলোকে যান্ত্রিক তরঙ্গ বলে। শব্দতরঙ্গ, টানা তারে সৃষ্ট তুরঙ্গ ইত্যাদি যান্ত্রিক তরঙ্গের উদাহরণ।
মাধ্যম ছাড়াও তরঙ্গ সঞ্চালিত হতে পারে। সূর্য থেকে আমরা যে আলো পাই তা কোন মাধ্যম ছাড়াই চলাচল করে। এদেরকে তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ বলে। তড়িৎ ও চৌম্বক ক্ষেত্রের পর্যাবৃত্ত গতি পরিবর্তনের ফলে তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গের উৎপত্তি হয়।
Related Question
View All-
ক
2π
-
খ
-
গ
-
ঘ
π
-
ক
40 dB
-
খ
70 dB
-
গ
30 dB
-
ঘ
50 dB
p ও Q এর মধ্যবর্তী দূরুত্ব 75 cm হলে 5 সেকেন্ডে স্থির তরঙ্গ সৃষ্টিকারী তরঙ্গের অতিক্রান্ত দূরত্ব-
-
ক
1200m
-
খ
600 m
-
গ
300 m
-
ঘ
400 m
-
ক
6875 Å
-
খ
6880 Å
-
গ
6970 Å
-
ঘ
6980 Å
-
ক
বিচ্ছুরণ
-
খ
অপবর্তন
-
গ
বিক্ষেপণ
-
ঘ
সমবর্তন
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i ii ও iii
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন