সাধু ভাষায় কোন শব্দের প্রাধান্য বেশি?
সাধু ভাষায় কোন শব্দের প্রাধান্য বেশি?
-
ক
দেশি
-
খ
তৎসম
-
গ
তদ্ভব
-
ঘ
বিদেশি
সাধু ভাষা হলো বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন ও লিখিত রূপ, যা মূলত সংস্কৃত ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডার দ্বারা প্রভাবিত। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ (যেমন: করিয়াছিল, যাইবে) এবং সর্বনামের পূর্ণাঙ্গ রূপ (যেমন: তাহারা, তাহাদের) ব্যবহার।
সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের প্রাধান্য সর্বাধিক। তৎসম শব্দ বলতে সেইসব শব্দকে বোঝায় যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে। সাধু ভাষার আভিজাত্য, গাম্ভীর্য এবং ধ্রুপদী ভাব বজায় রাখার জন্য এই ধরনের শব্দের ব্যবহার অপরিহার্য ছিল। উদাহরণস্বরূপ, ‘চন্দ্র’, ‘সূর্য’, ‘হস্ত’, ‘মস্তক’, ‘কার্য’ ইত্যাদি তৎসম শব্দ সাধু ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
- দেশি শব্দ: বাংলার আদি অধিবাসীদের ভাষা থেকে আগত শব্দ। সাধু ভাষায় এদের ব্যবহার প্রায় নেই বললেই চলে।
- তদ্ভব শব্দ: সংস্কৃত শব্দ যা প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। যেমন: 'চাঁদ' (চন্দ্র থেকে), 'হাত' (হস্ত থেকে), 'মাথা' (মস্তক থেকে)। চলিত ভাষায় এদের ব্যবহার বেশি হলেও সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের তুলনায় কম ব্যবহৃত হয়।
- বিদেশি শব্দ: আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দ। সাধু ভাষায় বিদেশি শব্দের ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে বর্জনীয় ছিল, কারণ এটি ভাষার বিশুদ্ধতা ও ঐতিহ্যকে ক্ষুণ্ণ করত বলে মনে করা হতো। চলিত ভাষায় এদের প্রয়োগ দেখা যায়।
সুতরাং, সাধু ভাষার প্রকৃতি ও গঠনগত দিক বিবেচনা করলে এটি স্পষ্ট যে, তৎসম শব্দই এই ভাষার মূল ভিত্তি এবং এদের আধিপত্যই সাধু ভাষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
Related Question
View All-
ক
অলুক দ্বন্দ্ব
-
খ
মিলনার্থক দ্বন্দ্ব
-
গ
বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব
-
ঘ
বহুপদী দ্বন্দ্ব
-
ক
শ্রাবণ
-
খ
হরিণ
-
গ
নিপুণ
-
ঘ
ঘন্টা
-
ক
অ+উ = ও
-
খ
আ+ও = ঔ
-
গ
আ+ও = উ
-
ঘ
অ+ঐ = ঐ
-
ক
কিশোর
-
খ
তারুণ্য
-
গ
রোগা
-
ঘ
পাথুরে
-
ক
অতীত কালে
-
খ
ঘটমান বর্তমান কালে
-
গ
বর্তমান কালে
-
ঘ
ভবিষ্যৎ কালে
-
ক
ঝিনুক
-
খ
মণিতা
-
গ
পত্র
-
ঘ
চাঁদ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন