সারাংশে কোনটি প্রয়োজন নাই ?
-
ক
অলঙ্কার
-
খ
প্রাঞ্জলতা
-
গ
সরলতা
-
ঘ
সংক্ষেপণ
সারাংশ বলতে কোন বৃহত্তর রচনা, যেমন কোন গবেষণাপত্র, সন্দর্ভ, অভিসন্দর্ভ, পর্যালোচনা, সম্মেলন বিবরণী, বা যেকোন বিষয়ের উপর গভীর বিশ্লেষণী কোন রচনার মূল বিষয়বস্তুর ধারণা প্রদানকারী একটি সংক্ষিপ্ত রচনাকে বোঝায়। সারাংশ সাধারণত রচনার শুরুতে বা কখনো কখনো রচনার শেষে সংযুক্ত করা হয়। শিক্ষায়তনিক গবেষণায় জটিল গবেষণাধর্মী বিষয়সমূহ সহজভাবে বোধগম্য করে তুলতে সারাংশ ব্যবহৃত হয়। সারাংশ সম্পূর্ণ গবেষণাপত্রের পরিবর্তে একটি ছোট সত্তা হিসেবে কাজ করতে পারে। যেমন, অনেক প্রতিষ্ঠান কোন গবেষণার মূলভিত্তি নির্বাচনে সারাংশ ব্যবহার করে, যা কোন শিক্ষায়তনিক সম্মেলনে পোস্টার আকারে, মৌখিক উপস্থাপনার বা মঞ্চে উপস্থাপনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে। বেশিরভাগ গবেষণা ডেটাবেজ সার্চ ইঞ্জিনে সম্পূর্ণ গবেষণাপত্র দেওয়ার পরিবর্তে শুরু সারাংশ প্রদান করে থাকে। সম্পূর্ণ গবেষণাপত্র প্রায়শই ক্রয় করতে বলা হয়, ফলে সারাংশ সম্পূর্ণ তথ্যের সংক্ষিপ্তসার হিসেবে গুরুত্ব বহন করে এবং পাঠককে সম্পূর্ণ তথ্য পেতে আগ্রহী করে তুলে। সারাংশে অলঙ্কার প্রয়োজন নাই।
সারাংশঃ
গদ্য রচনায় কোনো না কোনো অন্তর্নিহিত মূলভাব থাকে। একটি বিষয়ের ওপর বিস্তৃতভাবে লিখিত এক বা একাধিক অনুচ্ছেদের মূল বা সার বক্তব্যটুকু সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলে তাকে সারাংশ বা সারসংক্ষেপ বলে। সারাংশ লিখতে গেলে উল্লিখিত অংশের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়, প্রাসঙ্গিক বিষয় এবং বিমূর্ত ভাববস্তুকে দু-চারটি কথার মধ্য দিয়ে মূর্ত করে তথা তার তাৎপর্য স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে হবে।
সারমর্ম বা ভাবার্থঃ
পদ্য রচনায় কোনো না কোনো অন্তর্নিহিত মূলভাব থাকে। কোনো রচনায় কবি যে ভাবটি প্রকাশ করতে চান তা সংক্ষেপে উপস্থাপিত হলে তাকে বলে সারমর্ম বা ভাবার্থ বা মর্মার্থ। সারমর্ম লিখতে গেলে উল্লিখিত অংশের কেন্দ্রিয় ভাববস্তু বা অন্তজ্ঞান, অন্তর্নিহিত অর্থ, মর্মবাণী, কেন্দ্রিয় সত্যকে উন্মোচিত করে তা দু'তিন কথার মধ্য দিয়ে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে হবে।
- প্রথাসিদ্ধ পদ্ধতিতে সাধারণত গদ্যের ভাব-সংক্ষেপকে বোঝাতে সারাংশ এবং কবিতার ভাব-সংক্ষেপণ বোঝাতে সারমর্ম কথাটি প্রচলিত।
- সারমর্ম ও সারাংশ লেখার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত দিকগুলো বিশেষ বিবেচনায় রাখা দরকার:
ক. সারমর্ম বা সারাংশ লিখতে গেলে অনুচ্ছেদের তথ্য লিখলে চলে না, মূলভাব বুঝে নিয়ে তাকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে হয়।
খ. প্রদত্ত রচনাংশে সাধারণত একটি মূলভাব বা বক্তব্য থাকে। কখনো কখনো একাধিক মূলভাব বা বক্তব্যও থাকতে পারে।
গ. অপ্রয়োজনীয় অংশ মূল রচনাংশে ব্যবহৃত উদ্ধৃতি, বর্ণনা, সংলাপ, উদাহরণ, অলংকার (উপমা-রূপক) ইত্যাদি বাদ দিতে হয়।
ঘ. সারমর্ম কিংবা সারাংশ অবশ্যই মূল রচনার ভাবধারার মধ্যে সীমিত থাকে।
ঙ. সারাংশ ও সারমর্মে পুনরাবৃত্তি পুরোপুরি বর্জনীয়।
চ. সারাংশ ও সারমর্ম লেখার সময়ে নিজস্ব বক্তব্য, মন্তব্য বা মত প্রকাশের সুযোগ নেই।
- সারমর্ম / সারাংশ লেখার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কৌশল অবলম্বন করা উচিত-
ক. সারমর্ম কিংবা সারাংশ একটি অনুচ্ছেদে লেখা উচিত; একাধিক অনুচ্ছেদে লেখা অপ্রয়োজনীয়।
খ. প্রারম্ভিক বাক্য যথাসম্ভব সংহত ও আকর্ষণীয় হওয়া চাই।
গ. প্রসঙ্গ বাক্য (মূল ভাবটুকু প্রকাশের চুম্বক বাক্য) সারমর্ম/সারাংশের প্রথমে থাকা ভালো।
ঘ. প্রত্যক্ষ উক্তি থাকলে তা বর্জন করে পরোক্ষ উক্তিতে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে হয়।
ঙ. সারমর্ম/ সারাংশে উত্তম পুরুষে (আমি, আমরা) বা মধ্যম পুরুষে (তুমি, তোমরা) লেখা চলে না, প্রথম বা নাম পুরুষে লিখতে হয়।
চ. সারমর্মে উদ্ধৃতিচিহ্ন বর্জিত হবে এবং সংক্ষিপ্ত ও সংহতরূপে তা প্রকাশ করতে হবে।
ছ. সারমর্ম ও সারাংশের ভাষা সরল, সাবলীল ও প্রাঞ্জল হওয়া দরকার।
জ. মূলের কোনো অংশের হুবহু উদ্ধৃতি বা অনুকৃতি সারমর্ম/সারাংশে গ্রহণীয় নয়।
Related Question
View All-
ক
পরিসর যথেষ্ট ছোটো রাখা
-
খ
তৎসমবহুল ভাষা ব্যবহার করা
-
গ
মূল কথা বুঝে নেওয়া
-
ঘ
নিজের অভিমত যুক্ত করা
-
ক
মধাম
-
খ
প্রথম
-
গ
সবগুলো
-
ঘ
উত্তম
-
ক
অপরিহার্য
-
খ
বাঞ্চনীয়
-
গ
অসম্ভব
-
ঘ
অপ্রয়োজনীয়
-
ক
পত্র লিখন
-
খ
ভাবসম্প্রসারণ
-
গ
প্রবন্ধ রচনা
-
ঘ
সারাংশ লিখন
-
ক
সংক্ষেপণ
-
খ
প্রাঞ্জলতা
-
গ
সরলতা
-
ঘ
অলঙ্কার
-
ক
প্রশ্নবোধক চিহ্ন
-
খ
বিস্ময়সূচক চিহ্ন
-
গ
প্রত্যক্ষ উক্তি
-
ঘ
পরোক্ষ উক্তি
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন