A company makes a profit of 7% selling goods which cost Tk.2000; it also makes a profit of 6% selling a machine the cost the company Tk. 5000. How much total profit did the company make on both transactions?
-
ক
Tk. 300
-
খ
Tk. 400
-
গ
Tk. 420
-
ঘ
Tk. 440
-
ঙ
Tk. 490
Profit from first transaction = 2000 * 7% = 2000 * 7/100 = 140 tk
Profit from second transaction = 5000 * 6% = 5000 * 6/100 = 300 tk
So, Total pofit = 140 + 300 tk = 440 tk
কোনো পণ্য ক্রয় ও বিক্রয়ের মাধ্যমে যে আর্থিক লাভ বা ক্ষতি হয়, তাকে লাভ-ক্ষতি (Profit and Loss) বলা হয়।

মৌলিক ধারণা
যদি বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি হয়, তবে লাভ হয়। আর যদি বিক্রয়মূল্য ক্রয়মূল্যের চেয়ে কম হয়, তবে ক্ষতি হয়।
গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা
ক্রয়মূল্য (Cost Price বা CP) = যে মূল্যে পণ্য ক্রয় করা হয়।
বিক্রয়মূল্য (Selling Price বা SP) = যে মূল্যে পণ্য বিক্রয় করা হয়।
লাভ (Profit) = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য
ক্ষতি (Loss) = ক্রয়মূল্য − বিক্রয়মূল্য
লাভের সূত্র
ক্ষতির সূত্র
লাভের শতকরা হার
ক্ষতির শতকরা হার
বিক্রয়মূল্য নির্ণয়ের সূত্র
লাভ হলে:
ক্ষতি হলে:
গুরুত্বপূর্ণ ধারণা
- লাভ বা ক্ষতি সবসময় ক্রয়মূল্যের উপর নির্ণয় করা হয়।
- SP > CP হলে লাভ হয়।
- SP < CP হলে ক্ষতি হয়।
- শতকরা হিসাব করতে ১০০ দ্বারা গুণ করতে হয়।
উদাহরণ
একটি পণ্যের ক্রয়মূল্য ৫০০ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ৬০০ টাকা।
তাহলে লাভ:
অর্থাৎ লাভ = ১০০ টাকা।
মনে রাখার উপায়
বেশি দামে বিক্রি করলে লাভ, কম দামে বিক্রি করলে ক্ষতি।
একজন ব্যবসায়ী দোকান ভাড়া, পরিবহন খরচ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ পণ্যের ক্রয়মূল্যের সাথে যোগ করে প্রকৃত খরচ নির্ধারণ করেন। এই প্রকৃত খরচকে বিনিয়োগ বলে। এই বিনিয়োগকেই লাভ বা ক্ষতি নির্ণয়ের জন্য ক্রয়মূল্য হিসেবে ধরা হয়। আর যে মূল্যে ঐ পণ্য বিক্রয় করা হয় তা বিক্রয়মূল্য। ক্রয়মূল্যের চেয়ে বিক্রয়মূল্য বেশি হলে লাভ বা মুনাফা হয়। আর ক্রয়মূল্যের চেয়ে বিক্রয়মূল্য কম হলে লোকসান বা ক্ষতি হয়। আবার ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্য সমান হলে লাভ বা ক্ষতি কোনোটিই হয় না। লাভ বা ক্ষতি ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়।
আমরা লিখতে পারি, লাভ = বিক্রয়মূল্য - ক্রয়মূল্য
ক্ষতি = ক্রয়মূল্য – বিক্রয়মূল্য
উপরের সম্পর্ক থেকে ক্রয়মূল্য বা বিক্রয়মূল্য নির্ণয় করা যায়।
তুলনার জন্য লাভ বা ক্ষতিকে শতকরা হিসেবেও প্রকাশ করা হয়।
উদাহরণ ১। একজন দোকানদার প্রতি হালি ডিম ২৫ টাকা দরে ক্রয় করে প্রতি ২ হালি ৫৬ টাকা দরে বিক্রয় করলে তাঁর শতকরা কত লাভ হবে?
সমাধান : ১ হালি ডিমের ক্রয়মূল্য ২৫টাকা

যেহেতু ডিমের ক্রয়মূল্য থেকে বিক্রয়মূল্য বেশি, সুতরাং লাভ হবে।
এখানে, লাভ = (৫৬ – ৫০) টাকা বা ৬ টাকা।
৫০ টাকায় লাভ ৬ টাকা
টাকা

= ১২ টাকা।
লাভ ১২%
উদাহরণ ২। একটি ছাগল ৮% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। ছাগলটি আরও ৮০০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৮% লাভ হতো। ছাগলটির ক্রয়মূল্য নির্ণয় কর।
সমাধান : ছাগলটির ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে, ৮% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য (১০০ - ৮) টাকা বা ৯২ টাকা।
আবার, ৮% লাভে বিক্রয়মূল্য (১০০ + ৮) টাকা বা ১০৮ টাকা।বিক্রয়মূল্য বেশি হয় (১০৮ – ৯২) টাকা বা ১৬ টাকা।
বিক্রয়মূল্য ১৬ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা

= ৫০০০ টাকা
ছাগলটির ক্রয়মূল্য ৫০০০ টাকা।
Related Question
View Allক্রয় মূল্য বিক্রয় মূল্যের দ্বিগুণ হলে শতকরা লাভ বা ক্ষতির পরিমাণ কত?
-
ক
লাভ ২৫%
-
খ
ক্ষতি ২৫%
-
গ
লাভ ১০%
-
ঘ
ক্ষতি ৫০%
টাকায় ৮টি করে লেবু কিনে ৩৩% লাভে বিক্রয় করলে ১ ডজন লেবুর বিক্রয়মূল্য কত হবে?
-
ক
১.০০ টাকা
-
খ
১.৫০ ঢাকা
-
গ
২.০০ টাকা
-
ঘ
১.৩৩ টাকা
একটি দ্রব্য x% ক্ষতিতে বিক্রয় করলে যে মূল্য পাওয়া যায়, 3x% লাভে বিক্রয় করলে তার চেয়ে 18x টাকা বেশি পাওয়া যায়। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?
-
ক
400 টাকা
-
খ
500 টাকা
-
গ
450 টাকা
-
ঘ
540 টাকা
ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্যের অনুপাত কত হলে লাভের পরিমাণ ২০% হবে?
-
ক
৫:৬
-
খ
৪:৫
-
গ
৫:৭
-
ঘ
৩:৪
একজন ঘড়ি বিক্রেতা 1200 টাকা দিয়ে একটি ঘড়ি ক্রয় করেছেন। ঘড়িটি কত টাকায় বিক্রয় করলে তার লাভ হবে?
-
ক
1365 টাকা
-
খ
1375 টাকা
-
গ
1395 টাকা
-
ঘ
1410 টাকা
একটি দ্রব্য বিক্রি করে বিক্রেতার ১০% ক্ষতি হলো। বিক্রয় মূল্য ১৩৫ টাকা বেশি হলে বিক্রেতার ২০% লাভ হতো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত টাকা?
-
ক
৪২০
-
খ
৪৫০
-
গ
৪৬০
-
ঘ
৪৮০
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!