NATO stand for-
-
ক
North Atlantic Treaty Organization
-
খ
North Alliance Treaty Organization
-
গ
North Atlantic Target Organization
-
ঘ
None of these
ন্যাটো (NATO) মূলত একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট। এর সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
ন্যাটোর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization (উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট)। এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
সদস্য দেশ:
বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি। সবশেষ দেশ হিসেবে ২০২৪ সালে সুইডেন এবং ২০২৩ সালে ফিনল্যান্ড এই জোটে যোগদান করে। এর অধিকাংশ সদস্য দেশ ইউরোপের, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাও এই জোটের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
মূল নীতি (যৌথ প্রতিরক্ষা):
ন্যাটোর সবচেয়ে শক্তিশালী এবং আলোচিত নীতি হলো এর সনদের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ (Article 5)। এই নীতি অনুযায়ী, জোটভুক্ত যেকোনো একটি দেশ যদি আক্রান্ত হয়, তবে ধরে নেওয়া হবে যে সব দেশই আক্রান্ত হয়েছে। সেক্ষেত্রে সদস্য দেশগুলো সম্মিলিতভাবে সেই আক্রমণ প্রতিহত করবে।
সদর দপ্তর:
ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে অবস্থিত।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর রাজনৈতিক ও সামরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রচার করা এবং যেকোনো আন্তর্জাতিক বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা।
যদি কোনো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়, তবে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে সংকট সমাধান করা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলায় এই জোট গঠন করা হলেও, বর্তমানে এটি বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার একটি প্রধান শক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
ন্যাটো (NATO) মূলত একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট। এর সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
ন্যাটোর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization (উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট)। এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
সদস্য দেশ:
বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি। সবশেষ দেশ হিসেবে ২০২৪ সালে সুইডেন এবং ২০২৩ সালে ফিনল্যান্ড এই জোটে যোগদান করে। এর অধিকাংশ সদস্য দেশ ইউরোপের, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাও এই জোটের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
মূল নীতি (যৌথ প্রতিরক্ষা):
ন্যাটোর সবচেয়ে শক্তিশালী এবং আলোচিত নীতি হলো এর সনদের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ (Article 5)। এই নীতি অনুযায়ী, জোটভুক্ত যেকোনো একটি দেশ যদি আক্রান্ত হয়, তবে ধরে নেওয়া হবে যে সব দেশই আক্রান্ত হয়েছে। সেক্ষেত্রে সদস্য দেশগুলো সম্মিলিতভাবে সেই আক্রমণ প্রতিহত করবে।
সদর দপ্তর:
ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরে অবস্থিত।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর রাজনৈতিক ও সামরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রচার করা এবং যেকোনো আন্তর্জাতিক বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা।
যদি কোনো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়, তবে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে সংকট সমাধান করা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলায় এই জোট গঠন করা হলেও, বর্তমানে এটি বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার একটি প্রধান শক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
Related Question
View All-
ক
যুদ্ধ
-
খ
শান্তি
-
গ
অভ্যুত্থান
-
ঘ
কূটনীতি
-
ক
অস্ট্রেলিয়া এবং সুইজারল্যান্ড
-
খ
ইউক্রেন এবং জর্জিয়া
-
গ
সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড
-
ঘ
মলদোভা এবং বেলারুশ
-
ক
৪ আগষ্ট ১৯৪৭
-
খ
৪ এপ্রিল ১৯৪৯
-
গ
৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭
-
ঘ
৪ মে ১৯৪৭
-
ক
৪ আগষ্ট ১৯৪৭
-
খ
৪ এপ্রিল ১৯৪৯
-
গ
৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭
-
ঘ
৪ মে ১৯৪৭
-
ক
অর্থনৈতিক
-
খ
সামরিক
-
গ
পরিবেশগত
-
ঘ
রাজনৈতিক
-
ক
১৯৩৯
-
খ
১৯৪৩
-
গ
১৯৪৯
-
ঘ
১৯৬০
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন