কযে সকল ফসল সরাসরি বিক্রির জন্য চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে। যেমন: চা, পাট ইত্যাদি।
ইক্ষু চাষের জন্য সমতলভূমি প্রয়োজন। রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, ঢাকা, যশোর, ময়মনসিংহ ইক্ষু চাষের প্রধান অঞ্চল।
ইক্ষু উৎপাদনের জন্য ১৯০ থেকে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং কমপক্ষে ১৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বেলে দোআঁশ ও
কর্দমময় দোআঁশ মাটিতে ইক্ষু চাষ ভালো হয়।
উদ্দীপকের 'B' অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি গড়ে ওঠেছে; যার উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ চাপালিশ, তেলসুর।
উদ্দীপকে চিহ্নিত 'B' অঞ্চলটি মূলত বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, যা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবন জেলা নিয়ে গঠিত। এসব এলাকায় আমরা ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা বনাঞ্চল দেখতে পাই। এর আয়তন প্রায় ১৪,১০২ বর্গ কিলোমিটার। এ অঞ্চলের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় ১৭৫১-২৫০০ মিলিমিটার। অতিবৃষ্টির কারণে এ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ নামক বিশেষ বনভূমির সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাৎ বনাঞ্চলে এ অংশে গাছের পাতা এক সঙ্গে ঝরে যায় না এবং পাতাগুলো চির সবুজ থাকে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চাপালিশ, ময়না, তেলসুর। আবার এখানে কম বৃষ্টিপ্রবণ এলাকায় পাতাঝরা কিছু গাছ ও রয়েছে। যেমন- গজারি।
সুতরাং, B অঞ্চলটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বের পাহাড়ি বনাঞ্চল নির্দেশ করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত A ও C অঞ্চলের বনভূমি হলো যথাক্রমে গরান ও স্রোতজ বনভূমি।'
এ দুটি বনভূমির বনজ সম্পদই দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখে। যেমন- পাতাঝরা বনভূমি তথা গজারি বা শালবনের কাঠ, আসবাবপত্র,
রেললাইনের স্লিপার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু গরান বা স্রোতজ বনভূমির ব্যবহারিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ বাংলাদেশে মোট উৎপাদিত কাঠের প্রায় ৬০ শতাংশ এ বনভূমি থেকে সংগ্রহ করা হয়। এ বনভূমির সুন্দরী বৃক্ষের আর্থিক মূল্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এটি জ্বালানি হিসেবে অধিক ব্যবহৃত হয়। ঘরের খুঁটি, বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং নৌকা নির্মাণে এ বৃক্ষ ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়াও গেওয়া নিউজপ্রিন্ট ও কাগজ শিল্পে এবং দিয়াশলাই কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এ বনভূমি হতে মোম, মধু, বিভিন্ন ধরনের ওষুধি গাছ ও ফলমূল সংগ্রহ করা হয়। এসব মানুষের নানাকাজে প্রয়োজন হয়।
সুতরাং, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে স্রোতজ বনভূমি অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Related Question
View Allমৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা
এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে
বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।
উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম
চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!