উদ্দীপকে উল্লিখিত A ও C অঞ্চলের বনভূমি হলো যথাক্রমে গরান ও স্রোতজ বনভূমি।'
এ দুটি বনভূমির বনজ সম্পদই দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখে। যেমন- পাতাঝরা বনভূমি তথা গজারি বা শালবনের কাঠ, আসবাবপত্র,
রেললাইনের স্লিপার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু গরান বা স্রোতজ বনভূমির ব্যবহারিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ বাংলাদেশে মোট উৎপাদিত কাঠের প্রায় ৬০ শতাংশ এ বনভূমি থেকে সংগ্রহ করা হয়। এ বনভূমির সুন্দরী বৃক্ষের আর্থিক মূল্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এটি জ্বালানি হিসেবে অধিক ব্যবহৃত হয়। ঘরের খুঁটি, বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং নৌকা নির্মাণে এ বৃক্ষ ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়াও গেওয়া নিউজপ্রিন্ট ও কাগজ শিল্পে এবং দিয়াশলাই কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এ বনভূমি হতে মোম, মধু, বিভিন্ন ধরনের ওষুধি গাছ ও ফলমূল সংগ্রহ করা হয়। এসব মানুষের নানাকাজে প্রয়োজন হয়।
সুতরাং, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে স্রোতজ বনভূমি অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Related Question
View Allমৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা
এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে
বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।
উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম
চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!