কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ার ভেতর কতকগুলো এনজাইমের নিয়ন্ত্রণাধীন খাদ্যের সাথে অক্সিজেনের বিক্রিয়া ঘটে। এভাবে অন্তঃশ্বসনের ক্রিয়া ঘটে। তাই বলা যায় অন্তঃশ্বসন কোষের মাইটোকন্ড্রিয়াতে ঘটে।
Related Question
View Allযে প্রক্রিয়ায় দেহকোষস্থ খাদ্য অক্সিজেনের সাহায্যে জারিত হয়ে গতিশক্তি ও তাপশক্তিতে পরিণত হয় তাকে অন্তঃশ্বসন বলে।
নিউমোনিয়া রোগের কারণ ও লক্ষণ নিম্নরূপ-
কারণ: এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে নিউমোনিয়া রোগ হয়।
লক্ষণ:
১. কাশি ও শ্বাস কষ্ট হয়।
২. শ্বাস নেওয়ার সময় নাকের ছিদ্র বড় হয়।
৩. বেশি জ্বর হয়।
৪. কাশির সময় রোগী বুকে ব্যথা অনুভব করে।
শ্বসন জীবের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া। নিচে শ্বসনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হলো-
১. অক্সিজেন সরবরাহ: শ্বসনের মাধ্যমে জীবদেহে অক্সিজেন প্রবেশ করে। এটি কোষের জন্য শক্তি উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
২. শক্তি উৎপাদন: কোষে শ্বসনের মাধ্যমে গ্লুকোজ ভেঙে শক্তি উৎপন্ন হয়। এ শক্তি জীব বিভিন্ন কার্যকলাপের জন্য ব্যবহার করে।
৩. কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমন: শ্বসনের মাধ্যমে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থ কার্বন ডাইঅক্সাইড দেহ থেকে বের হয়ে যায়।
এগুলো ছাড়াও জীবের কোষীয় কার্যক্রম বজায় রাখা, অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য ঠিক রাখা ইত্যাদির জন্য শ্বসনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
বায়ুথলির কাজ নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. বায়ুথলি মজুদ বাতাসের ভান্ডার হিসেবে কাজ করে।
২. বায়ুথলি দেহের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. বায়ুথলি শব্দ সৃষ্টিতে সাহায্য করে।
৪. অক্সিজেন ফুসফুসের বায়ুথলি থেকে রক্ত জালিকায় প্রবেশ করে।
শ্বসন একটি অন্তঃকোষীয় বিপাক প্রক্রিয়া এবং উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের বিভিন্ন সজীব কোষে শ্বসন প্রক্রিয়াটি মূলত একই। কিন্তু বিভিন্ন জীবের অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমন পদ্ধতিটি ভিন্নরূপ। উদ্ভিদদেহে শ্বসনকালে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের বিনিময় অপেক্ষাকৃত সরল। উদ্ভিদের কোনো নির্দিষ্ট শ্বসন অঙ্গ নাই। পাতার পত্ররন্ধ্র, কান্ডের লেন্টিসেল এবং অন্তঃকোষ স্থানের মাধ্যমে বায়ু দেহ অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। পানিতে নিমজ্জিত উদ্ভিদগুলো সমগ্র দেহতলের সাহায্যে অক্সিজেন শোষণ করে। প্রাণিদেহেও শ্বসন বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে নানাভাবে সম্পন্ন হয়। নিম্ন শ্রেণির প্রাণীতে প্রধানত ত্বক ও ট্রাকিয়ার মাধ্যমে শ্বসন হয়। উন্নত প্রাণীদের শ্বসনে গ্যাসীয় বিনিময়ের জন্য বিশেষ ধরনের শ্বসন অঙ্গ আছে। যেমন- মাছ ও ব্যাঙাচি ফুলকার সাহায্যে এবং স্পলজ মেরুদণ্ডীরা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বসন সম্পন্ন করে।
যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবকোষস্থ সঞ্চিত খাদ্য বস্তু অক্সিজেনের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতিতে জারিত হয়ে খাদ্যস্থ রাসায়নিক শক্তিকে গতিশক্তি ও তাপশক্তিতে রূপান্তরিত ও মুক্ত করে এবং ফলশ্রুতিতে কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি উৎপন্ন হয় তাকে শ্বসন বলে। শ্বসন একটি বিপাকীয় ক্রিয়া। উদ্ভিদ ও প্রাণীর প্রতিটি সজীব কোষে দিন রাত্রি-সব সময় শ্বসনকার্য ঘটে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!