অন্ধকারে দেখা যায় না ভালো।

তুমি যেন বললে আমায় ডেকে,

‘দিঘির ধারে ঐ যে কীসের আলো।’

এমন সময় হা রে রে রে রে রে

ঐ যে কারা আসতেছে ডাক ছেড়ে

তুমি ভয়ে পালকিতে এক কোণে

ঠাকুর দেবতা স্মরণ করছ মনে,

বেয়ারাগুলো পাশের কাঁটাবনে

পালকি ছেড়ে কাঁপছে থরোথরো

আমি যেন তোমায় বলছি ডেকে

'আমি আছি, ভয় কেন মা করো?'

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

গান গাওয়া শেষ হলে কানাই মাঝিকে গল্প বলতে বলেছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বোনের প্রতি স্নেহ ও দায়িত্ববোধ এবং মাঝিকে অভয় দেওয়ার উদ্দেশ্যে কানাই বাবার বকুনি একাই মাথা পেতে নিতে চেয়েছিল।

'নদীর স্বপ্ন' কবিতায় কিশোর কানাই মাঝিকে অনুরোধ করে তাকে এবং বোন ছোকানুকে নদী ভ্রমণে নিয়ে যেতে। মাঝিকে সে পয়সা দিতে চায়। এতেও সে রাজি না হলে সে বলে মা ঘুমিয়ে রয়েছে, দিদি স্কুলে গেছে, আর এই ফাঁকে তাদের নৌকায় তুলে নিতে বলে এবং এই বলে মাঝিকে সে অভয় দেয় যে তার বাবা যদি এ নিয়ে বকে তবে সেই বকুনি সে একাই মাথা পেতে নেবে। ছোকানুকে কিংবা মাঝিকে এর ভাগ নিতে হবে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কল্পনাপ্রবণতার দিক থেকে উদ্দীপকের বক্তা ও 'নদীর স্বপ্ন' কবিতার কানাইয়ের মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে।

কিশোর মন প্রকৃতিগতভাবেই কল্পনার রঙে রাঙানো থাকে। এই বৃহৎ জগৎ সম্পর্কে সে জানতে চায়, অচেনাকে চিনতে চায়। তার সেই চাওয়া অনেক সময় পূরণ হয় না। তখন সেখানে কল্পনাকে পাঠিয়ে তার মনের বাসনা পূরণ করতে চায়।

উদ্দীপকে এমনই একজন কল্পনাপ্রবণ কিশোরকে দেখতে পাই। কল্পনা করে সে তার মাকে নিয়ে দূর দেশে যাওয়ার সময় ডাকাতদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। মা ভয় পেলে সে মাকে অভয় দিয়ে বলেছে, আমি যখন আছি তখন কীসের ভয়? এমন কল্পনাপ্রবণতা দেখা যায় 'নদীর স্বপ্ন' কবিতার কানাইয়ের মাঝে। সে বোনকে নিয়ে নদীর পর নদী ভ্রমণ করে মনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে চায়। নৌকার নানা রঙের পাল, নীল আকাশ, পাখি ওড়া, রূপালি ইলিশ তার মনে গভীর স্বপ্ন নিয়ে আসে। কিশোর মনের কল্পনাপ্রবণতার দিক থেকে উভয়ের সাদৃশ্য রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'নদীর স্বপ্ন' কবিতার আংশিক ভাব প্রতিফলিত হয়েছে- মন্তব্যটি যৌক্তিক।

মানবমন স্বভাবতই কল্পনাপ্রবণ। মানুষ কল্পনার মাধ্যমে জীবন-জগতের অনেক স্বপ্ন পূরণ করে নিতে চায়। তাই কল্পনার জগতে ভেসে বেড়ানো আর বাস্তবে চলা এক জিনিস নয়।

উদ্দীপকে এক কিশোর মনের কল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে। সে তার মাকে নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার সময় ডাকাত দ্বারা আক্রান্ত হলে মাকে অভয় দেয় এবং তাদের সাথে লড়াই করতে চায়। এই কল্পনাপ্রবণতা 'নদীর স্বপ্ন' কবিতার একটি মাত্র দিক। এছাড়াও কবিতায় বহুমুখী বিষয় ও ভাবের অবতারণা ঘটেছে।

'নদীর স্বপ্ন' কবিতায় এক কিশোরের কল্পনা রূপায়িত হওয়ার পাশাপাশি নদীমাতৃক বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য, বোনের প্রতি ভাইয়ের দায়িত্ব ও আদর প্রকাশিত হয়েছে; যা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'নদীর স্বপ্ন' কবিতার আংশিক ভাব প্রতিফলিত হয়েছে। এই বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ ও যৌক্তিক।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
101

কোথায় চলেছো? এদিকে এসো না!

        দুটো কথা শোনো দিকি,

এই নাও — এই চকচকে, ছোটো,

        নতুন রুপোর সিকি।

ছোকানুর কাছে দুটো আনি আছে,

        তোমায় দিচ্ছি তাও,

আমাদের যদি তোমার সঙ্গে

        নৌকায় তুলে নাও।

নৌকা তোমার ঘাটে বাঁধা আছে –

        যাবে কি অনেক দূরে?

পায়ে পড়ি, মাঝি, সাথে নিয়ে চলো

        মোরে আর ছোকানুরে।

আমারে চেনো না? আমি যে কানাই।

        ছোকানু আমার বোন।

তোমার সঙ্গে বেড়াবো আমরা

        মেঘনা, পদ্মা, শোণ।

শোনো, মা এখন ঘুমিয়ে আছেন,

        দিদি গেছে ইশকুলে,

এই ফাঁকে মোরে – আর ছোকানুরে-

        নৌকোয় নাও তুলে।

কোনো ভয় নেই। – বাবার বকুনি

        তোমায় হবে না খেতে,

যত দোষ সব আমরা — না, আমি

       একা নেবো মাথা পেতে।

 

ওটা কী? জেলের নৌকা? — তাই তো!

        জাল টেনে তোলা দায়,

রুপোলি নদীর রুপোলি ইলিশ

        ইশ, চোখে ঝলসায়!

ইলিশ কিনলে? – আঃ, বেশ, বেশ,

        তুমি খুব ভালো, মাঝি।

উনুন ধরাও, ছোকানু দেখাক

        রান্নার কারসাজি।

পইঠায় বসে ধোঁয়া-ওঠা ভাত,

        টাটকা ইলিশ-ভাজা -

ছোকানু রে, তুই আকাশের রানি,

        আমি পদ্মার রাজা।

 

খাওয়া হলো শেষ, আবার চলছি

        দুলছে ছোট্ট নাও,

হালকা নরম হাওয়ায় তোমার

       লাল পাল তুলে দাও।

ছোকানুর চোখ ঘুমে ঢুলে আসে

         আমি ঠিক জেগে আছি,

গান গাওয়া হলে আমায় অনেক

         গল্প বলবে, মাঝি?

শুনতে শুনতে আমিও ঘুমোই

         বিছানা বালিশ বিনা —

মাঝি, তুমি দেখো ছোকানুরে,

       ও বড়োই ভীতু কিনা।

আমার জন্যে কিচ্ছু ভেবো না

        আমি তো বড়োই প্রায়

ঝড় এলে ডেকো আমারে – ছোকানু

         যেন সুখে ঘুম যায়।

Related Question

View All
উত্তরঃ

[বি. দ্র.: প্রশ্নোক্ত উত্তর অংশটি আলোচ্য কবিতায় নেই।।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
618
উত্তরঃ

নৌকা-ভ্রমণের বিনিময়ে কানাই মাঝিকে আনি বা পয়সা দিতে চেয়েছিল নৌকায় তাদের নিয়ে বেড়ানোর পারিশ্রমিক হিসেবে।

'নদীর স্বপ্ন' কবিতার কানাই আর তার ছোট বোন ছোকানু নদী ভ্রমণে বের হতে চায়। মাঝিকে তার নৌকায় তাদেরকে তুলে কানাই অনুরোধ করে। মাঝিকে এর বিনিময়ে অর্থ দিতে চায় কানাই। কারণ মাঝি তার উপার্জিত টাকা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করে। তাই কানাই মাঝিকে নৌকা ভ্রমণের বিনিময়ে আনি বা পয়সা দিতে চেয়েছিল।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
326
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে 'নদীর স্বপ্ন' কবিতার যে অমিল লক্ষ করা যায়, তা হলো নদীর সৌন্দর্য ও নৌকা ভ্রমণের বিষয়টির অনুপস্থিত।

এদেশের বুকে বয়ে চলছে অসংখ্য নদ-নদী। এ নদীগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে বিভিন্ন জনপদ। এসব জনপদের মানুষেরা নদীর ওপর নির্ভর করে জীবনযাপন করে।

উদ্দীপকের নিশু, লিজা, শ্যামা, মিথিয়া, পিয়া বড়দের দৃষ্টি এড়িয়ে সাগরদিঘির পাড়ে মিলিত হয় পিকনিক করার জন্য। বাড়ি থেকে নিয়ে আসা চাল, ডাল, ডিম, মসলা সবকিছু দিয়ে রান্না শেষে সবাই একসঙ্গে বসে খায়। সবাই মিলে আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠে। অন্যদিকে 'নদীর স্বপ্ন' কবিতাতেও কানাই ও ছোকানু মা-বাবার চোখ ফাঁকি দিয়ে নৌকা ভ্রমণে বের হয়। দুজন মিলে ঘুরে দেখতে চায় পদ্মা, মেঘনা, শোণ নদী। নৌকায় উঠে তারা মুগ্ধ হয়। রান্না করে খায়। গান শোনে, গল্প শোনে মাঝির কাছে। উদ্দীপকের ছেলেমেয়েদের মতো কানাই ও ছেকানুও আনন্দে মেতে ওঠে। তবে উদ্দীপকে নদীর সৌন্দর্য ও নৌকা ভ্রমণের বিষয়টি অনুপস্থিতি। আর এ দিক থেকেই উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের সঙ্গে আলোচ্য কবিতার অমিল লক্ষ করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
172
উত্তরঃ

বিষয়বস্তু ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও কবিতাটি কিশোর মনের আবেগ প্রকাশের দিক থেকে অভিন্ন মন্তব্যটি যথার্থ।

কিশোর-কিশোরীদের মনের আবেগ-অনুভূতি কল্পনাপ্রবণ। তারা নানা রকম ইচ্ছা করে, স্বপ্ন দেখে। তাদের মাথায় যখন যে বৃদ্ধি চাপে তখন তাই করতে চায়।

উদ্দীপকের নিশু, লিজা, শ্যামা, মিথিয়া, পিয়া সাগরদিঘি পাড়ে গেছে পিকনিক করার জন্য। সেখানে গিয়ে নুরুর দেখাদেখি সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ে দিঘির জলে। দাপাদাপি যেন শেষ হতে চায় না। শেষে পিয়ার চেঁচামেচিতে সবাই এসে কলাপাতায় খেতে বসল। এখানে কিশোর-কিশোরীর দুরন্ত মনের আবেগেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। 'নদীর স্বপ্ন' কবিতার কানাই ও ছোকানুও আবেগের এমন বশবর্তী হয়ে বাবা-মার চোখ ফাঁকি দিয়ে মাঝির সাথে নৌভ্রমণে বের হতে চায়। সেখানে গিয়ে তারা বেশ মজা করার স্বপ্ন দেখে।

উদ্দীপকের কিশোর কিশোরীরা পিকনিকে গিয়ে সকলের সঙ্গে হাসি আনন্দে মেতে ওঠে। 'নদীর স্বপ্ন' কবিতার কিশোর কানাই ও ছোকানু তাদের মনের আবেগকে ধরে রাখতে না পেরে নৌকা ভ্রমণে বের হয়ে সেই আবেগকে বাস্তবে রূপদান করতে চেয়েছে। সুতরাং আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
120
উত্তরঃ

বোনের প্রতি স্নেহ ও দায়িত্ববোধ এবং মাঝিকে অভয় দেওয়ার উদ্দেশ্যে কানাই বাবার বকুনি একাই মাথা পেতে নিতে চেয়েছিল।

'নদীর স্বপ্ন' কবিতায় কিশোর কানাই মাঝিকে অনুরোধ করে তাকে এবং বোন ছোকানুকে নদী ভ্রমণে নিয়ে যেতে। মাঝিকে সে পয়সা দিতে চায়। এতেও সে রাজি না হলে সে বলে মা ঘুমিয়ে রয়েছে, দিদি স্কুলে গেছে, আর এই ফাঁকে তাদের নৌকায় তুলে নিতে বলে এবং এই বলে মাঝিকে সে অভয় দেয় যে তার বাবা যদি এ নিয়ে বকে তবে সেই বকুনি সে একাই মাথা পেতে নেবে। ছোকানুকে কিংবা মাঝিকে এর ভাগ নিতে হবে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
173
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews