অফিস থেকে ফিরে মি. শাহিন তার স্ত্রীকে বললেন, "মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণী। এ কথা এক সময় বলা হলেও আজকাল আর বলা হয় না। আমার মনে হয়, সবাই আমরা পশুর মতো হয়ে যাচ্ছি। আমাদের বিবেক-বুদ্ধি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।" উত্তরে স্ত্রী বললেন, "মানুষ হয় হাত, পা, চোখ, কানবিশিষ্ট প্রাণী। তাছাড়া মানুষ হাসতে জানে, গাইতে জানে এবং নাচতেও জানে। মানুষের ক্ষুধা ও তৃষ্ণা আছে।"

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কোনো পদের সম্পূর্ণ জাত্যর্থের সুস্পষ্ট বিবৃতিই হলো যৌক্তিক সংজ্ঞা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যৌক্তিক সংজ্ঞার একটি অন্যতম ভ্রান্তরূপ হচ্ছে 'চক্রক সংজ্ঞা'। যার উদ্ভদ্ধ ঘটে সংজ্ঞার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়মের লঙ্ঘন থেকে। এই নিয়মের মূলকথা হচ্ছে, কোনো পদের সংজ্ঞাদানের ক্ষেত্রে ঐ পদের কোনো প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। কারণ সংজ্ঞায় সংজ্ঞেয় পদের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ ব্যবহার করা হলে একই কথার পুনরাবৃত্তি ঘটে; এতে সংজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। যেমন- 'মানুষ হয় মনুষ্যজাতীয় প্রাণী'। এটি একটি ভ্রান্ত সংজ্ঞা। কেননা 'মানুষ' এবং 'মনুষ্য' একই অর্থবোধক শব্দ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শাহিন সাহেবের বক্তব্যটি হলো 'মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণী, যা আমার পাঠ্যবইয়ে পঠিত সংজ্ঞার বিষয়টিকে নির্দেশ করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- উদ্দীপকে শাহিন সাহেবের বক্তব্যটি হলো 'মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণী'- 

এ বক্তব্যটিতে 'মানুষ' পদের পূর্ণ জাত্যর্থ উল্লেখ করে সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। সাধারণত একটি পদের জাত্যর্থ গঠিত হয় তার আসন্নতম জাতি ও বিভেদক লক্ষণ দ্বারা। আসন্নতম জাতির মাধ্যমে পদটি কোন জাতি বা শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, তা উল্লেখ করা হয় এবং বিভেদক লক্ষণের মাধ্যমে পদটির সাথে অন্যান্য উপজাতির স্বাতন্ত্র্য নির্দেশ করা হয়। কাজেই এভাবে আসন্নতম জাতি ও বিভেদক লক্ষণের উল্লেখের মাধ্যমে যেকোনো পদকেই সংজ্ঞায়িত করা যায়। যেমন : 'মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব'- এ দৃষ্টান্তে মানুষ পদটির আসন্নতম জাতি হচ্ছে 'জীব' এবং বিভেদক লক্ষণ হচ্ছে 'বুদ্ধিবৃত্তি'। এখানে 'জীব' শব্দটির মাধ্যমে মানুষ কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, তা নির্দেশ করা হয়েছে। আর 'বুদ্ধিবৃত্তি' শব্দটির মাধ্যমে মানুষকে জীবের অন্তর্গত অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক করা হয়েছে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, সংজ্ঞাদানের একটি অত্যন্ত সহজ কৌশল হচ্ছে কোনো পদের সংজ্ঞায় তার আসন্নতম জাতি ও বিভেদক লক্ষণ উল্লেখ করা।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে শাহিন সাহেবের বক্তব্যটি সংজ্ঞাকে নির্দেশ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মি. শাহিনের বক্তব্যটি হলো সংজ্ঞা এবং তার স্ত্রীর বক্তব্যটি হলো বর্ণনা। নিচে সংজ্ঞা ও বর্ণনার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-

সংজ্ঞার আলোচ্য বিষয় হচ্ছে 'পদ'। আর বর্ণনার আলোচ্য বিষয় হচ্ছে 'বস্তু'। অর্থাৎ একটি পদকে সংজ্ঞায়িত করা হয়; অন্যদিকে কোনো বস্তুর স্বরূপকে বর্ণনা করা হয়। সংজ্ঞার ক্ষেত্রে সংজ্ঞেয় ও সংজ্ঞার্থের ব্যক্তর্থকে সমপরিমাণ হতে হয়। কিন্তু বর্ণনার ক্ষেত্রে এরূপ কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। অর্থাৎ বর্ণনার ক্ষেত্রে প্রকৃত বিষয় ও তার বর্ণনার পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে। সংজ্ঞা সর্বদা সুনির্দিষ্ট হয় অর্থাৎ একটি পদের সংজ্ঞা স্থান- কাল-পাত্রভেদে একই রকম থাকে। কিন্তু বর্ণনার বিষয় বিভিন্ন রূপ হতে পারে অর্থাৎ একটি বিষয়ের বর্ণনা স্থান- কাল-পাত্রভেদে বিভিন্ন রকমের হতে পারে।

সংজ্ঞা হচ্ছে একটি সংক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া; অর্থাৎ সংজ্ঞার মাধ্যমে একটি পদের সম্পূর্ণ স্বরূপকে সংক্ষিপ্ত আকারে উপস্থাপন করা হয়। অন্যদিকে বর্ণনার কোনো নির্দিষ্ট বিস্তৃতি নেই; যেমন: মানুষের সংজ্ঞা একটি বাক্যের মাধ্যমে দেওয়া গেলেও এর বর্ণনায় একাধিক বাক্য ব্যবহৃত হতে পারে। সংজ্ঞা কেবল সামান্য বা শ্রেণিবাচক পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। কিন্তু বর্ণনা সামান্য, বিশিষ্ট বা একক সব ধরনের বস্তুর ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করা যায়। সংজ্ঞা সংক্ষিপ্ত হলেও তা হচ্ছে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রক্রিয়া। অন্যদিকে বর্ণনার আকার বিস্তৃত হলেও তা হচ্ছে একটি অসম্পূর্ণ প্রক্রিয়া। সংজ্ঞার মাধ্যমে একটি বিষয়ের তাত্ত্বিক রূপ ব্যক্ত হয়; এজন্য এটি হচ্ছে একটি বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়া। পক্ষান্তরে বর্ণনা হলো একটি লৌকিক প্রক্রিয়া। কারণ এর ব্যবহার কেবল সাধারণ মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

কোনো পদের সংজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে কতিপয় নিয়ম পালন করতে হয়; এজন্য সংজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে সংজ্ঞা প্রদানকারীর এসব নিয়ম সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকতে হয়। কিন্তু বর্ণনার ক্ষেত্রে এরূপ কোনো নিয়ম পালন করতে হয় না; এজন্য যেকোনো ব্যক্তি যেকোনো বিষয়ের বর্ণনা প্রদান করতে পারে। উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে মি. শাহিন ও তার স্ত্রীর বক্তব্যের অর্থাৎ সংজ্ঞা ও বর্ণনার তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, তাদের উভয়ের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
143
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেকোনো পদের অর্থকে সুনির্দিষ্ট ও যথার্থভাবে উপস্থাপন করার মাধ্যমে বিষয়বস্তু সম্পর্কিত ধারণাকে নির্ভুল ও সুস্পষ্ট করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে সংজ্ঞা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.3k
উত্তরঃ

যৌক্তিক সংজ্ঞার একটি বিশেষ উদ্দেশ্য হলো পদের তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে, শব্দ বা পদকে তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক দিক থেকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা। কোনো শব্দ বা পদের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে ঐ শব্দ বা পদ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও অর্থপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়, যাকে তাত্ত্বিক ব্যাখ্যায়ন বলে। উদাহরণস্বরূপ, যখন পদার্থবিজ্ঞানীরা গতির সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, গতি হচ্ছে ভর এবং ত্বরণের ফল, তখন সংজ্ঞাটি হয়তো শব্দের সঞ্চয় বৃদ্ধি করে না বা কোনো শব্দের দ্ব্যর্থকতা অপসারণ করে না। তবে এ সংজ্ঞার মাধ্যমে গতি শব্দটি নিউটনের বলবিদ্যার প্রকাশিত রূপ হিসেবে অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
610
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সংজ্ঞার নিয়ম কানুন বলতে সংজ্ঞার যে নিয়মাবলিকে বোঝানো হয়েছে তা নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো- 

প্রথম নিয়ম : কোন পদের সংজ্ঞা দিতে হলে সেই পদটির সম্পূর্ণ জাত্যর্থকে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে, জাত্যর্থের অতিরিক্ত কিংবা জাত্যর্থের অংশমাত্র উল্লেখ করা চলবেনা। অর্থাৎ, এ নিয়ম অনুসারে কোনো পদের সংজ্ঞা দেওয়ার সময় শুধু নিকট জাতি ও বিভেদক লক্ষণের উল্লেখ করতে হবে, এর বেশিও নয় কমও নয়।

দ্বিতীয় নিয়ম: যে পদের সংজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে সে পদের ব্যক্তর্থ সংজ্ঞা বর্ণিত পদের ব্যক্তর্থের সমান হতে হবে, কম বা বেশি হলে চলবেনা। যেমন: মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণী; এখানে মানুষ। এর ব্যক্তর্থ এবং বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণীর ব্যক্তর্থ এক ও অভিন্ন।

তৃতীয় নিয়ম: যে পদের সংজ্ঞা দেওয়া হবে সংজ্ঞায় সেই একই পদ বা সেই পদের সমার্থক কোনো শব্দের উল্লেখ করা যাবে না। যেমন: 'বিচারক' হলেন সেই ব্যক্তি যিনি বিচার করেন, এক্ষেত্রে বিচারক। এর সমার্থক শব্দ 'যিনি বিচার করেন।'

চতুর্থ নিয়ম: যে পদের সংজ্ঞা দেওয়া হবে সংজ্ঞাটি সেই অপেক্ষা স্পষ্ট ও সহজবোধ্য হতে হবে এবং সংজ্ঞাটি কিছুতেই কোনো রূপকের মাধ্যমে বা দুর্বোধ্য ভাষায় ব্যক্ত করা যাবে না। অর্থাৎ পদের অর্থকে সুস্পষ্ট ও প্রাঞ্জল করে তুলতে হবে যেক্ষেত্রে রূপক বা অলংকারিক শব্দ কিংবা দুর্বোধ্য ভাষার ব্যবহার নিষিদ্ধ।

পঞ্চম নিয়ম: সর্বক্ষেত্রে পদের সংজ্ঞা সদখৃক বা ইতিবাচক হতে হবে কোনাক্রমেই নঞর্থক বা নেতিবাচক হতে পারবেনা। কারণ নৈতিকবাচক সংজ্ঞায় পদটি কী নর- তাই শুধু বলা হয়।

উপর্যুক্ত নিয়ম কানুনগুলো মেনে সংজ্ঞা দিলে তা হবে সুস্পষ্ট, সহজ এবং যথার্থ। তাই সংজ্ঞা দেওয়ার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলো আমাদের অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
373
উত্তরঃ

যৌক্তিক সংজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে কতিপয় নিয়ম পালন করতে হয়, যেগুলোর যথার্থ ও সঠিক প্রয়োগে সংজ্ঞা শুদ্ধ হয়। আবার এই নিয়মগুলোর অপপ্রয়োগ বা লঙ্ঘনে সংজ্ঞা ত্রুটিপূর্ণ হয়ে বিভিন্ন অনুপপত্তি সংঘটিত করে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো পদের সংজ্ঞায় জাত্যর্থের অতিরিক্ত কোনো গুণের উল্লেখ করা হলে এবং এই অতিরিক্ত গুণটি যদি সংশ্লিষ্ট পদের অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ হয়, তাহলে প্রদত্ত সংজ্ঞাটিতে আপতিক বা অবান্তর লক্ষণজনিত সংজ্ঞানুপপত্তি ঘটবে; যেমন: 'মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন দ্বিপদ জীব।' এখানে 'দ্বিপদ' গুণটি হচ্ছে মানুষ পদের অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ, যা মানুষের সংজ্ঞায় অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত হওয়ায় সংজ্ঞাটিতে অবান্তর লক্ষণজনিত সংজ্ঞানুপপত্তি ঘটেছে। বস্তুত 'অবিচ্ছেদ্য' হচ্ছে এমন বিষয়, যা একটি শ্রেণির সকলের মধ্যেই সমানভাবে বিদ্যমান থাকে। আর 'অবান্তর লক্ষণ' হচ্ছে এমন গুণ, যা সেই শ্রেণির জন্য অপরিহার্য নয়। এরূপ গুণ সংজ্ঞায় ব্যবহৃত হলে সংজ্ঞা ভ্রান্ত হতে বাধ্য; যেমন: উপরের দৃষ্টান্ত অনুসারে মানুষের জন্য তার দুই পা থাকা অপরিহার্য নয়। কারণ দুই পা না থাকলে মানুষকে মানুষ বলা যাবে না, এমন নয়। অর্থাৎ পা ছাড়াও মানুষ মানুষ হিসেবে পরিচিত হতে পারে। কাজেই সংজ্ঞায় দ্বিপদ গুণের সংযুক্তি একটি অবান্তর বিষয়মাত্র। অতএব বলা যায়, সংজ্ঞার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুনগুলো যেমন প্রয়োজন, তেমনি এ নিয়মগুলোর অপপ্রয়োগ এড়িয়ে সংজ্ঞাকে অনুপপত্তির আশঙ্কামুক্ত করাও অপরিহার্য। তা না হলে সংজ্ঞা ভ্রান্ত হয়, যা থেকে উদ্ভদ্ধ ঘটে অনুপপত্তির।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
364
উত্তরঃ

সংজ্ঞার উপাদান দুটি- সংজ্ঞেয় ও সংজ্ঞার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
457
উত্তরঃ

কোনো পদের সংজ্ঞায় স্বাধীনভাবে একটি নতুন শব্দ ব্যবহার করে ইচ্ছানুযায়ী ঐ শব্দের অর্থ প্রদান করাকে আরোপক সংজ্ঞা বলে। এরূপ সংজ্ঞায় যেকোনো ব্যক্তি তার পছন্দ অনুযায়ী নতুন শব্দ আরোপ করে স্বাধীনভাবে ঐ শব্দের অর্থ নির্ধারণ করতে পারেন। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ব্যক্তির উদ্দেশ্য অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শব্দের অর্থ প্রদান করা হয়ে থাকে। বস্তুত আরোপক সংজ্ঞার ক্ষেত্রে সত্যতা বা মিথ্যাত্ব আরোপ করা যায় না। এ জন্য এ ধরনের সংজ্ঞাকে তথ্যমূলক নয়, বরং নির্দেশনী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
322
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews