অবতার বলতে ঈশ্বরের মানবরূপে পৃথিবীতে আবির্ভাবকে বোঝায়। যখন পৃথিবীতে অন্যায়-অত্যাচার ও অধর্ম বৃদ্ধি পায়, তখন ঈশ্বর অবতীর্ণ হয়ে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করেন। তিনি মানবকল্যাণের জন্য কাজ করেন। যুগে যুগে বিভিন্ন রূপে ঈশ্বর অবতার হিসেবে আসেন। অবতার সম্পর্কে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বর্ণিত ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উক্তিটি নিচে সরলার্থসহ লেখা হলো-
যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত।
অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্।।
পরিত্রাণায় স্বাধূনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাম্।
ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।। (৪/৭-৮)
সরলার্থ: হে ভারত (অর্জুন), যখনই ধর্মের অবনতি হয় এবং অধর্ম বেড়ে যায়, তখনই আমি দেহধারণ করে আবির্ভূত হই। সাধুদের পরিত্রাণ, দুষ্কৃতিকারীদের বিনাশ এবং ধর্মসংস্থাপনের জন্য আমি যুগে যুগে অবতীর্ণ হই।
Related Question
View Allঈশ্বরের ত্রাতা রূপকে বলা হয় অবতার l
পরশুরাম ছিলেন বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার।
রাম যেমন ছিলেন বীর তেমনি বিনয়ী ও প্রজাবৎসল l
মহাসমারোহে রামের রাজ্যাভিষেক সম্পন্ন হয়।
মিথিলার রাজার নাম ছিল জনক l
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!