বর্ণনামূলক প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও

Updated: 3 weeks ago
উত্তরঃ

পরশুরাম ছিলেন ভগবান বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার। তাঁর পিতার নাম জমদগ্নি এবং মাতার নাম রেণুকা। ভৃগুবংশে জন্ম নেওয়ায় তিনি ভার্গব ও ভৃগুরাম নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ত্রেতা যুগে অত্যাচারী ক্ষত্রিয় রাজাদের দমন করার জন্য পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন। নিচে তাঁর সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য লেখা হলো-

১. পরশুরামের পিতার নাম জমদগ্নি এবং মাতার নাম রেণুকা।
২. ভৃগুবংশে জন্ম বলে তিনি ভার্গব ও ভৃগুরাম নামেও পরিচিত।
৩. তিনি মহাদেবের তপস্যা করেন। তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁকে একটি পরশু (কুঠার) উপহার দেন, যা হাতে থাকলে তিনি অজেয় হন।
৪. তিনি অত্যাচারী ক্ষত্রিয়দের দমন করে একুশবার পৃথিবীকে ক্ষত্রিয়শূন্য করেন।
৫. পরশুরাম পরবর্তীতে মহেন্দ্রপর্বতে কঠোর তপস্যায় নিযুক্ত হয়ে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

শ্রীরামচন্দ্রের পারিবারিক জীবন ছিল আদর্শ, স্নেহ ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। তিনি অযোধ্যার রাজা দশরথ ও রানি কৌশল্যার পুত্র। তিনি ভাই ভর, লক্ষ্মণ ও শত্রুঘ্নের প্রতি ছিলেন গভীর মমতাশীল। রামের স্ত্রী সীতা ছিলেন তার জীবনের সহচরী ও অনন্ত প্রেমের প্রতীক। বনবাসে যাওয়ার সময় সীতা ও লক্ষ্মণ তাঁর সঙ্গে স্বেচ্ছায় গিয়েছিলেন, যা পারিবারিক ভালোবাসা ও একতার নিদর্শন। শ্রীরামচন্দ্র সবসময় পিতার আদেশ পালন ও ধর্মরক্ষায় অবিচল থেকেছেন। রাজা হয়ে তিনি যেমন- প্রজাদের সুখ-শান্তির দিকে খেয়াল রেখেছেন, তেমনি পরিবারের প্রতিও দায়িত্ব পালন করেছেন আন্তরিকভাবে। শ্রীরামচন্দ্রের পারিবারিক জীবন আমাদের শেখায় ভালোবাসা, ত্যাগ ও ন্যায়ের মধ্য দিয়েই সত্যিকারের সুখ ও শান্তি অর্জন করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

অবতার সম্পর্কে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বর্ণিত ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উক্তিটি নিচে সরলার্থসহ লেখা হলো-

যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত।

অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্।।

পরিত্রাণায় সাধূনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাম্।
ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।। (৪/৭-৮)

সরলার্থ: হে ভারত (অর্জুন), যখনই ধর্মের অবনতি হয় এবং অধর্ম বেড়ে যায়, তখনই আমি দেহধারণ করে আবির্ভূত হই। সাধুদের পরিত্রাণ, দুষ্কৃতিকারীদের বিনাশ এবং ধর্মসংস্থাপনের জন্য আমি যুগে যুগে অবতীর্ণ হই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

কৈকেয়ী ছিলেন রাজা দশরথের দ্বিতীয় রানি এবং ভরত-এর মাতা'। দাসী মন্থরায় কুপরামর্শে তিনি অন্যায়ভাবে দুটি বর প্রার্থনা করেন। তিনি দশরথের কাছে যে বর প্রার্থনা করেন তা হলো-
'এক বরে ভরতেরে দেহ সিংহাসন।
আর বরে শ্রীরামেরে পাঠাও কানন।।'
অর্থাৎ প্রথম বরে ভরতকে রাজা করতে হবে। দ্বিতীয় বরে রামকে চৌদ্ধ বছরের জন্য বনবাসে পাঠাতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

স্বামী বিবেকানন্দ ১৮৬৩ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার শিমলা পল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আসল নাম ছিল নরেন্দ্রনাথ দত্ত। ছোটোবেলা থেকেই নরেন্দ্রনাথ ছিলেন মেধাবী, সত্যবাদী ও নির্ভীক। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি সংগীত ও খেলাধুলায়ও পারদর্শী ছিলেন। ঈশ্বর সম্পর্কে জানার গভীর আগ্রহ থেকেই তিনি শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের শিষ্য হন এবং ত্যাগের মন্ত্রে দীক্ষা নেন। রাজপুতানার ক্ষেত্রী রাজা অজিত সিং নরেন্দ্রনাথ দত্তের নাম রাখেন স্বামী বিবেকানন্দ। ১৮৯৩ সালে শিকাগো ধর্মসভায় তাঁর বক্তৃতায় তিনি বিশ্ববাসীর হৃদয় জয় করেন। তিনি মানবসেবাকে ঈশ্বরসেবা হিসেবে মানতেন এবং "জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর"- এই বাণী প্রচার করেন। অল্প বয়সেই ১৯০২ খ্রিষ্টাব্দের ৪ জুলাই, তিনি বেলুড় মঠে শেষ রিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

নিবেদিতা নারীদের কল্যাণে অসামান্য অবদান রেখেছেন।
তিনি মেয়েদের লেখাপড়ার জন্য উত্তর কলকাতার বাগবাজারে একটি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ঘুরে ঘুরে সব বয়সের মেয়েদের বিদ্যালয়ে নিয়ে আসতেন। গল্পের ছলে মেয়েদের শিক্ষা দিতেন। সীতা, সাবিত্রী, গান্ধারী প্রমুখ মহীয়সী নারীর জীবনী নিষ্ঠার সাথে শোনাতেন। এছাড়াও তিনি মেয়েদের বিভিন্ন হাতের কাজ, সেলাই, আলপনা ইত্যাদিও শেখাতেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল মেয়েদের, ক্ষমতায়ন ও সমাজে তাদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা। নারীর উন্নয়ন ও শিক্ষার জন্য তাঁর ত্যাগ প্রশংসনীয়। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগ ও লোকসানের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে 'লোকমাতা' উপাধি দেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

হরিচাঁদ ঠাকুর ছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি
হরিনামকেই ঈশ্বরপ্রাপ্তির একমাত্র পথ হিসেবে প্রচার করেছিলেন। তিনি সত্য, প্রেম ও পবিত্রতার ওপর ভিত্তি করে মতুয়াবাদের মূল দর্শন গড়ে তোলেন এবং মানুষকে ভক্তি ও. মানবসেবায় উৎসাহিত করেন। সমাজের নিপীড়িত ও দরিদ্র মানুষকে আত্মনির্ভর ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলাই ছিল তাঁর জীবনের প্রধান লক্ষ্য। তিনি নীলকরদের অত্যাচারের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জ মহকুমার জোনাসুর নীলকুঠি অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে শোষিত কৃষকের পাশে দাঁড়ান। নারী 'শিক্ষা ও নারীর মর্যাদা রক্ষায় তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। সমাজ ও ধর্মীয় জীবনকে শৃঙ্খলিত করার জন্য তিনি 'দ্বাদশ আজ্ঞা' প্রবর্তন করেন। মানবপ্রেম, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি জাতি, ধর্ম ও বর্ণভেদহীন এক সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

হরিচাঁদ ঠাকুর ভক্তদের যেসব উপদেশ দিয়েছেন তার মধ্য
থেকে পাঁচটি উপদেশ নিচে লেখা হলো-
১. সদ্য সত্য কথা বলবে।
২. পিতা-মাতাকে দেবতাজ্ঞানে ভক্তি করবে।
৩. সকল ধর্মের প্রতি উদার থাকবে।
৪. প্রতিদিন প্রার্থনা করবে।
৫. হাতে কাম মুখে নাম 'করবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

অবতার বলতে ঈশ্বরের মানবরূপে পৃথিবীতে আবির্ভাবকে বোঝায়। যখন পৃথিবীতে অন্যায়-অত্যাচার ও অধর্ম বৃদ্ধি পায়, তখন ঈশ্বর অবতীর্ণ হয়ে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করেন। তিনি মানবকল্যাণের জন্য কাজ করেন। যুগে যুগে বিভিন্ন রূপে ঈশ্বর অবতার হিসেবে আসেন। অবতার সম্পর্কে শ্রীমদ্ভগবদ্‌গীতায় বর্ণিত ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উক্তিটি নিচে সরলার্থসহ লেখা হলো-

যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত।

অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্।।

পরিত্রাণায় স্বাধূনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতাম্।

ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে।। (৪/৭-৮)

সরলার্থ: হে ভারত (অর্জুন), যখনই ধর্মের অবনতি হয় এবং অধর্ম বেড়ে যায়, তখনই আমি দেহধারণ করে আবির্ভূত হই। সাধুদের পরিত্রাণ, দুষ্কৃতিকারীদের বিনাশ এবং ধর্মসংস্থাপনের জন্য আমি যুগে যুগে অবতীর্ণ হই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ত্রেতা যুগের কথা। সেই সময় ক্ষত্রিয় রাজারা'অত্যাচারী হয়ে সমাজে পাপ ও অশান্তি ছড়িয়ে দেয়। একদিন প্রবল প্রতাপশালী রাজা কার্তবীর্য জমদগ্নির আশ্রমে এসে সবকিছু লণ্ডভণ্ড করে কামধেনু হরণ করে নেয়। পরশুরাম তা জানতে পেরে খুবই ক্রুদ্ধ হন এবং আক্রমণ করে কার্তবীর্যকে হত্যা করেন। প্রতিশোধ নিতে কার্তবীর্যের পুত্ররা পরশুরামের পিতা জমদগ্নিকে হত্যা করেন। এতে পরশুরাম প্রচণ্ড রেগে যান এবং প্রতিজ্ঞা করেন পৃথিবীকে ক্ষত্রিয়শূন্য করবেন। তিনি একুশবার অত্যাচারী ক্ষত্রিয়দের বধ করে পৃথিবীতে শান্তি ফিরিয়ে আনেন। পরবর্তীতে পিতামহ ঋচীকের অনুরোধে তিনি ক্রোধ ত্যাগ করে শান্ত হন এবং মহেন্দ্রপর্বতে গিয়ে তপস্যায় নিমগ্ন হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

শ্রীরামচন্দ্র পিতৃসত্য রক্ষা করার জন্য এবং রানি কৈকেয়ীর চাওয়া দুই বরের সম্মান রাখতেই চৌদ্দ বছরের জন্য বনবাসে গিয়েছিলেন। রামরাজত্ব সম্পর্কে নিচে পাঁচটি বাক্য লেখা হলো-

১. প্রজারা সুখে-শান্তিতে বাস করত।
২. রাজ্যে কোনো অকাল মৃত্যু ছিল না।
৩. প্রজারা ন্যায়বিচার পেত।
৪. রাজ্যে কোনো অভাব ছিল না।
৫. রাজ্যময় শান্তি বিরাজ করত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

স্বামী বিবেকানন্দের পাঁচটি বাণী নিচে লেখো হলো-
১. ওঠো, জাগো এবং লক্ষ্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত থেমো না।
২. পরোপকারই ধর্ম, পরপীড়নই পাপ। শক্তি ও সাহসিকতাই ধর্মম দুর্বলতা ও কাপুরুষতাই পাপ।
৩. সত্যের জন্য সবকিছু ত্যাগ করা যায়, কিন্তু কোনো কিছুর জন সত্যকে ত্যাগ করা যায় না।
৪. ধর্ম এমন একটি ভাব, যা পশুকে মানুষে পরিণত করে অ মানুষকে উন্নীত করে দেবতায়।
৫. নিজের ওপর বিশ্বাস না এলে ঈশ্বরে বিশ্বাস আসে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

হরিচাঁদ ঠাকুর ভক্তদের জন্য যে বারোটি উপদেশ দিয়েছিলেন, সেগুলোই দ্বাদশ আজ্ঞা নামে পরিচিত-। এই আজ্ঞাগুলো মানবজীবনের নৈতিক ও সামাজিক আচরণবিধি নির্দেশ করে। তিনি বলেন, 'সদা-সত্য কথা বলবে'- যা আমাদের সততার শিক্ষা দেয়। 'জাতিভেদ করবে না'- যা সমাজে সমতার প্রচার করে। 'নারীকে মাতৃজ্ঞান করবে'- উপদেশটি নারীর সম্মান প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ। 'সকল ধর্মের প্রতি উদার থাকবে'- বাক্যটি ধর্মীয় সহনশীলতার দৃষ্টান্ত। 'হাতে কাম মুখে নাম'- আমাদের কর্মনিষ্ঠা ও ভক্তির সমন্বয় শেখায়।
দ্বাদশ আজ্ঞা মানুষকে ন্যায়পরায়ণ, সহনশীল ও পরিশ্রমী হতে অনুপ্রাণিত করে। এই নীতি আজও মানবতার দিশারী হিসেবে প্রাসঙ্গিক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

স্বামী বিবেকানন্দের শিকাগো ধর্মসম্মেলনের বক্তৃতা শুনে মার্গারেট এলিজাবেথ নোবল প্রথম তাঁর সম্পর্কে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হন। স্বামীজির মানবতা, ধর্ম-দর্শন ও সেবার বাণী তাঁর মনে তীব্র দাগ কাটে। পরে ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে তিনি স্বদেশ ও পরিবার পরিজন ত্যাগ করে ভারতে আসেন। ভারতে এসে তিনি সরাসরি স্বামী বিবেকানন্দের সাথে সাক্ষাৎ করেন। স্বামীজির বেদান্তবোধ, মানুষের প্রতি মমত্ববোধ এবং নিঃস্বার্থ সেবার আদর্শ তাকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করে। তিনি স্বামীজির শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন এবং 'মানবসেবাকে জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন। তাঁর এই আত্মনিবেদিত সেবার মনোভাব দেখে স্বামীজি তাঁর নাম দেন 'নিবেদিতা'। এরপর থেকেই তিনি স্বামীজির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ভারতসেবায় আত্মনিয়োগ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
উত্তরঃ

ভগিনী নিবেদিতা ১৮৬৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ অক্টোবর উত্তর আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর জীবনী থেকে আমরা যে নৈতিক শিক্ষা লাভ করতে পারি তা হলো-
১. মহাপুরুষ বা মহীয়সী নারী সর্বকালের।
২. তাঁরা সর্বলোকের কল্যাণার্থে নিবেদিত।
৩. মানবসেবাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।
৪. সকল মানুষই তাঁদের আপন।
৫. গোটা বিশ্বই তাঁদের দেশ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 weeks ago
31

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews