নিজের ইচ্ছায় বাসস্থান ত্যাগ করে আপন পছন্দমতো স্থানে বসবাস করাকে অবাধ অভিবাসন বলে।
জীবনধারণের মৌলিক ও নানা প্রয়োজনে মানুষ স্বেচ্ছায় পূর্বেরটি ত্যাগ করে নতুন স্থানে আবাস গড়ে তোলে। উন্নত জীবন যাপনের জন্য, কর্মসংস্থান ও অধিকতর আর্থিক সুযোগ সুবিধা ইত্যাদি আকর্ষণমূলক কারণে মানুষ অভিগমন করে থাকে। এ ধরনের স্বেচ্ছাপ্রণোদিত অভিগমনই অবাধ অভিবাসন।
বর্তমান পৃথিবীতে চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, প্রতিষেধক আবিষ্কার, পুষ্টিকর খাবার, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবহার ও শিক্ষার প্রসার ঘটেছে। ফলে নবজাতক ও শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে। মানুষের আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পেয়েছে। উন্নত দেশগুলোতে জন্মহার বৃদ্ধি কিছুটা কমলেও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এ হার কমেনি। এর ফলে পৃথিবীর জনসংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনসংখ্যার গুরুত্ব রয়েছে। পরিমিত শ্রমশক্তি ব্যতীত উন্নয়ন সম্ভব নয় আবার জনাধিক্যতা অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রে সমস্যা। প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক উপাদানগুলো পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানকে জনবহুল বা জনবিরল করে তোলে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি বর্তমানে বিশ্বব্যাপী সমস্যা। এ সমস্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
Related Question
View Allনিজের বাসস্থান ছেড়ে অন্য স্থানে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস (গ্রাম থেকে শহরে বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে) করাই অভিবাসন।
বলপূর্বক অভিগমনে কিছু মানুষ শরণার্থী হয়।
বলপূর্বক অভিগমনে যথা- গৃহযুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক বৈষম্য বা যুদ্ধের কারণে যে সমস্ত ব্যক্তি কোনো স্থানে সাময়িকভাবে আশ্রয় গ্রহণ করে এবং সুযোগমত স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় থাকে তাদেরকে শরণার্থী বলে। যেমন- কক্সবাজারে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় গ্রহণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!