ফিলোসোফিক জুওলজিক বইতে ল্যামার্ক অভিব্যক্তির উপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেন। আধুনিক বিজ্ঞানীরা ল্যামার্কের মতবাদ গ্রহণ করেননি। পরবর্তীতে বিজ্ঞানী চালর্স ডারউইনের বিবর্তন স্বীকৃতি লাভ করে।
পৃথিবীর উৎপত্তি ও জীবনের উৎপত্তির ঘটনাপ্রবাহই হলো অভিব্যক্তি।
আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিনশত কোটি বছর আগে পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের উৎপত্তি হয়। পৃথিবীর জলবায়ু তখন স্থিতিশীল ছিল না। তারপর কয়েক শত কোটি বছর পরে আজ পৃথিবী শান্ত, তার জলবায়ুও মোটামুটি স্থিতিশীল। পৃথিবীতে এখন বহু প্রজাতির জীবের বসবাস। অর্থাৎ এই দীর্ঘ সময়কালে প্রথম আবির্ভূত অনুন্নত জীবক্রম পরিবর্তিত হয়ে ধীরে ধীরে বিভিন্ন জীবপ্রজাতি সৃষ্টি করেছে ।মানুষের জীবন শুরু হয় মাতৃগর্ভে মায়ের ডিম্বাণু এবং বাবার শুক্রাণুর মিলনে সৃষ্টি হওয়া একটি কোষ থেকে। মানুষ তার জীবনকালে প্রথমে থাকে শিশু। পরবর্তীকালে শিশু থেকে ধাপে ধাপে কৈশোর-যৌবন পার হয়ে বৃদ্ধ অবস্থায় উপনীত হয়। জীবনকালের এই পরিবর্তনের একটি ধাপ হচ্ছে বয়ঃসন্ধিকাল। বয়ঃসন্ধিকালে সবারই দৈহিক এবং মানসিক পরিবর্তন ঘটে। আমরা এই অধ্যায়ে পৃথিবীতে জীবের উৎপত্তি কীভাবে ঘটেছে এবং মানুষের বয়ঃসন্ধিকালে দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তনগুলো কীভাবে ঘটে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করব।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা:
- বয়ঃসন্ধিকাল ব্যাখ্যা করতে পারব।
- বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক পরিবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করতে পাৱৰ ।
- বয়ঃসন্ধিকালের মানসিক ও আচরণিক পরিবর্তনে নিজেকে খাপ খাওয়ানোর উপায় বর্ণনা করতে পারব।
- ৰয়ঃসন্ধিকালে দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যরক্ষার কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
- বয়ঃসন্ধিকালীন বিবাহে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং এর প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারব।
- টেস্টটিউব বেবির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
- লিঙ্গ নির্ধারণের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
- জীবনের উৎপত্তি এবং জীবজগতে বিবর্তনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
- পৃথিবীতে নতুন প্রজাতির উৎপত্তির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
Related Question
View All"জীবন্ত জীবাশ্ম" বলতে এমন কিছু জীবিত অর্গানিজম বোঝায় যাদের বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্যের কারণে তারা জীবাশ্মের মতো দেখায় কিন্তু তারা আসলে জীবিত। এটি সাধারণত কিছু প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীকে নির্দেশ করে, যেমন:
মরীচিকা জীবাশ্ম (Living Fossils): কিছু জীবন্ত প্রজাতি, যেমন গিঞ্জো গাছ বা কোয়ালাক্যান্থ মাছ, যারা অনেক পুরানো জীবাশ্মগুলোর সাথে অতি সাদৃশ্যপূর্ণ, কিন্তু তারা আজও জীবিত।
বিশেষ পরিবেশে টিকে থাকা জীব: কিছু প্রজাতি যেমন সামুদ্রিক জীব বা এডাপটিভ প্রজাতি যে পরিবেশ পরিবর্তনের প্রতি খুব কম সাড়া দেয়, তারা আজও টিকে আছে এবং জীবাশ্মের মতো দেখতে পারে।
এটি একটি গবেষণার বিষয় হিসেবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি জীববৈচিত্র্য এবং প্রজাতির বিবর্তন সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!