অভ্র বাংলা লেখার ইউনিকোড সফটওয়্যার। অভ্র সফটওয়্যারে উচ্চারণভিত্তিক বাংলা টাইপিং ব্যবস্থা আছে। যারা বাংলা টাইপিং জানে না তারাও ইংরেজি টাইপিংয়ের মাধ্যমে সহজেই বাংলা লিখতে পারে। অভ্র সফটওয়্যারের বিশেষ সুবিধা হলো এতে মাউস দিয়ে লেখার সুবিধা রয়েছে। এতে একটি বিশেষ অন-স্ক্রিন কী বোর্ডে মাউস দ্বারা ক্লিক করে লেখা যায়। এসব সুবিধাসমূহ অন্য বাংলা লেখার সফটওয়্যার যেমন- বিজয়, শহীদ, লিপি, প্রবর্তনা, লেখনী ইত্যাদিতে না থাকার কারণেই অভ্র সফটওয়্যারটি বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-
১. সঠিক পরিভাষা ব্যবহার করে ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহারের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব;
২. বাংলা কী-বোর্ড ব্যবহারের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব;
৩. ডকুমেন্ট ব্যবস্থাপনা ব্যাখ্যা করতে পারব;
৪. ওয়ার্ডে বাংলা ডকুমেন্ট তৈরি করতে পারব;
৫. সুষ্ঠুভাবে ডকুমেন্ট ব্যবস্থাপনা করতে পারব।
Related Question
View Allকম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্য মুনীর চৌধুরীর উদ্ভাবিত বাংলা কী বোর্ড থেকে বাংলা ফন্টসহ শহীদ লিপি সফটওয়্যারটি প্রবর্তিত হয়। এটিই বাংলা লেখার প্রথম সফটওয়্যার। আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে নব্বই দশকের শেষের দিক পর্যন্ত বিজয়, প্রশিকা শব্দ, প্রবর্তনা, লেখনী প্রভৃতি সফটওয়্যার বাজারে আসে। সফটওয়্যার উন্নয়নের কারণে বিজয় সফটওয়্যারটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। বর্তমানে অভ্র সফটওয়্যারটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
ওয়ার্ড প্রসেসিং হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কম্পিউটারের সাহায্যে লেখা, সম্পাদনা, সজ্জিতকরণ এবং প্রিন্ট করা হয়। এটি একটি সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে করা হয়।
ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন কাজ করতে পারে,
যেমন:
লেখা তৈরি করা; যে কোনও ধরনের টেক্সট বা নথি তৈরি করা।
সম্পাদনা ও সংশোধন: লেখার ভুল সংশোধন, কাটা, কপি বা পেস্ট করা।
ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম চালু করে বাংলা লেখার জন্য ওয়ার্ড প্রসেসরকে প্রস্তুত করতে হয়। বাংলা লেখার জন্য ওয়ার্ড প্রসেসরে বিজয় সফটওয়্যারে Alt, Cul ও B এক সাথে চাপতে হয় এবং অভ্র সফটওয়্যারে F12 কী চাপতে হয়। বিজয় সফটওয়্যারের জন্য sutonnyMJ এবং অভ্র-এর জন্য NikoshBAN ফন্ট নির্বাচন করতে হয়। এরপর বাংলা লেখা শুরু করলে দেখা যাবে ওয়ার্ড প্রসেসরে বাংলা লেখা দেখাচ্ছে। এভাবে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ে বাংলা লেখা প্রস্তুত করা যায়।
লেখালেখি করতে হলেই শব্দ বা ওয়ার্ড লিখতে হয়, সুন্দর করে লিখতে হলে শব্দগুলোকে সাজাতে ও গোছাতে হয়। আর এটা হচ্ছে এক ধরনের প্রক্রিয়া বা প্রসেসিং। কাজেই কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনোকিছু লিখে সুসজ্জিতভাবে সাজানোর প্রক্রিয়াকেই বলা হয় ওয়ার্ড প্রসেসিং বা শব্দ প্রক্রিয়াকরণ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে সর্বপ্রথম বাংলা টাইপ রাইটারের জন্য একটি বিজ্ঞানসম্মত কী বোর্ড লে-আউট তৈরি করেন। তাঁর এ বাংলা কী বোর্ড লে-আউট সম্পূর্ণ ইংরেজি কী বোর্ডের ওপর ভিত্তি করে বানানো হয়।
পরবর্তীতে এই কী বোর্ড লে-আউটই কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এতে কম্পিউটারে বাংলা ওয়ার্ড প্রসেসিং সহজ হয়।
ডকুমেন্ট সম্পাদনা বলতে একটি ডকুমেন্টের ভুল-ত্রুটি সংশোধন, ভাষা ও আকার ঠিক করা এবং প্রয়োজনমতো অংশ পরিবর্তন, যোগ বা মুছে ফেলার কাজ করাকে বোঝায়। এতে ডকুমেন্টের বানান, ব্যাকরণ, বাক্যগঠন এবং ফরম্যাটের ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!