সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্য মুনীর চৌধুরীর উদ্ভাবিত বাংলা কী বোর্ড থেকে বাংলা ফন্টসহ শহীদ লিপি সফটওয়‍্যারটি প্রবর্তিত হয়। এটিই বাংলা লেখার প্রথম সফটওয়্যার। আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে নব্বই দশকের শেষের দিক পর্যন্ত বিজয়, প্রশিকা শব্দ, প্রবর্তনা, লেখনী প্রভৃতি সফটওয়্যার বাজারে আসে। সফটওয়‍্যার উন্নয়নের কারণে বিজয় সফটওয়্যারটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। বর্তমানে অভ্র সফটওয়্যারটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

উত্তরঃ

ওয়ার্ড প্রসেসিং হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কম্পিউটারের সাহায্যে লেখা, সম্পাদনা, সজ্জিতকরণ এবং প্রিন্ট করা হয়। এটি একটি সফটওয়‍্যার ব্যবহারের মাধ্যমে করা হয়।

ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন কাজ করতে পারে,

যেমন:

লেখা তৈরি করা; যে কোনও ধরনের টেক্সট বা নথি তৈরি করা।

সম্পাদনা ও সংশোধন: লেখার ভুল সংশোধন, কাটা, কপি বা পেস্ট করা।

উত্তরঃ

ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম চালু করে বাংলা লেখার জন্য ওয়ার্ড প্রসেসরকে প্রস্তুত করতে হয়। বাংলা লেখার জন্য ওয়ার্ড প্রসেসরে বিজয় সফটওয়‍্যারে Alt, Cul ও B এক সাথে চাপতে হয় এবং অভ্র সফটওয়্যারে F12 কী চাপতে হয়। বিজয় সফটওয়্যারের জন্য sutonnyMJ এবং অভ্র-এর জন্য NikoshBAN ফন্ট নির্বাচন করতে হয়। এরপর বাংলা লেখা শুরু করলে দেখা যাবে ওয়ার্ড প্রসেসরে বাংলা লেখা দেখাচ্ছে। এভাবে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ে বাংলা লেখা প্রস্তুত করা যায়।

উত্তরঃ

লেখালেখি করতে হলেই শব্দ বা ওয়ার্ড লিখতে হয়, সুন্দর করে লিখতে হলে শব্দগুলোকে সাজাতে ও গোছাতে হয়। আর এটা হচ্ছে এক ধরনের প্রক্রিয়া বা প্রসেসিং। কাজেই কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনোকিছু লিখে সুসজ্জিতভাবে সাজানোর প্রক্রিয়াকেই বলা হয় ওয়ার্ড প্রসেসিং বা শব্দ প্রক্রিয়াকরণ।

উত্তরঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে সর্বপ্রথম বাংলা টাইপ রাইটারের জন্য একটি বিজ্ঞানসম্মত কী বোর্ড লে-আউট তৈরি করেন। তাঁর এ বাংলা কী বোর্ড লে-আউট সম্পূর্ণ ইংরেজি কী বোর্ডের ওপর ভিত্তি করে বানানো হয়।

পরবর্তীতে এই কী বোর্ড লে-আউটই কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এতে কম্পিউটারে বাংলা ওয়ার্ড প্রসেসিং সহজ হয়।

উত্তরঃ

অভ্র বাংলা লেখার ইউনিকোড সফটওয়‍্যার। অভ্র সফটওয়‍্যারে উচ্চারণভিত্তিক বাংলা টাইপিং ব্যবস্থা আছে। যারা বাংলা টাইপিং জানে না তারাও ইংরেজি টাইপিংয়ের মাধ্যমে সহজেই বাংলা লিখতে পারে। অভ্র সফটওয়‍্যারের বিশেষ সুবিধা হলো এতে মাউস দিয়ে লেখার সুবিধা রয়েছে। এতে একটি বিশেষ অন-স্ক্রিন কী বোর্ডে মাউস দ্বারা ক্লিক করে লেখা যায়। এসব সুবিধাসমূহ অন্য বাংলা লেখার সফটওয়‍্যার যেমন- বিজয়, শহীদ, লিপি, প্রবর্তনা, লেখনী ইত্যাদিতে না থাকার কারণেই অভ্র সফটওয়‍্যারটি বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে।

উত্তরঃ

ডকুমেন্ট সম্পাদনা বলতে একটি ডকুমেন্টের ভুল-ত্রুটি সংশোধন, ভাষা ও আকার ঠিক করা এবং প্রয়োজনমতো অংশ পরিবর্তন, যোগ বা মুছে ফেলার কাজ করাকে বোঝায়। এতে ডকুমেন্টের বানান, ব্যাকরণ, বাক্যগঠন এবং ফরম্যাটের ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা হয়।

উত্তরঃ

ডকুমেন্ট সম্পাদনায় যেসব কাজ করতে হয় তা হলো-

  • নির্বাচন করা (Select)
  • কাট (Cut)
  • কপি (Copy)
  • পেস্ট (Paste)
  • মুছে ফেলা (Delete)
  • কার্সর স্থানান্তর
  • ডকুমেন্ট ফরম্যাটিং
উত্তরঃ

ডকুমেন্টে কপি করার প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ-

প্রথমে ডকুমেন্টের যেকোনো অংশ (অক্ষর, শব্দ, বাক্য ইত্যাদি) নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচন করার পর, কপি করতে Ctrl + C কী একসাথে চাপতে হবে। এতে নির্বাচিত অংশটি ক্লিপবোর্ডে কপি হয়ে যাবে, তবে ডকুমেন্টের মূল অংশটি অপরিবর্তিত থাকবে।

উত্তরঃ

কোনো ডকুমেন্ট কপি করার পর যদি কপিকৃত ডকুমেন্টকে যেকোনো স্থানে পেস্ট করতে চান, তাহলে সেখানে কারসর (মাউসের ক্লিক করা পয়েন্ট) নিয়ে গিয়ে Ctrl + V কী একসাথে চাপতে হবে। এর ফলে, ক্লিপবোর্ডে রাখা কপি করা অংশটি নতুন স্থানে পেস্ট হয়ে যাবে। এভাবে ডকুমেন্টের কোনো অংশ পেস্ট করে সহজেই সম্পাদনা করা যায়।

উত্তরঃ

কাট এবং ডিলেট ডকুমেন্ট সম্পাদনার দুইটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

কাট এবং ডিলেট এর পার্থক্য নিম্নরূপ:

বিষয়Cut (কাট)Delete (ডিলেট)
কার্যপ্রক্রিয়ানির্বাচিত অংশকে মূল স্থান থেকে সরিয়ে ক্লিপবোর্ডে রাখেনির্বাচিত অংশকে সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলে
উদ্দেশ্যঅন্যত্র পেস্ট করার জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়স্থায়ীভাবে সরানোর জন্য ব্যবহার করা হয়
পুনরুদ্ধারপেস্ট না করলে হারিয়ে যেতে পারে, তবে ক্লিপবোর্ডে থাকা অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়সাধারণত পুনরুদ্ধার করা যায় না (Recycle Bin-এ যেতে পারে)
ব্যবহারের পরিণতিতথ্য অন্য স্থানে স্থানান্তর করা সম্ভবতথ্য পুরোপুরি হারিয়ে যায়
শর্টকাট কীCtrl + X (Windows), Cmd + X (Mac)Delete কী বা Del
উত্তরঃ

ডকুমেন্ট সম্পাদনায় কোনো অংশ নির্বাচন করার জন্য:

কার্সরকে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যেতে হবে।

Shift চেপে ধরে ডান বা বাম তীর (বা) কী চাপতে হবে।

প্রয়োজন হলে পুরো শব্দ, বাক্য বা অংশ নির্বাচন করতে হবে।

উত্তরঃ

ডকুমেন্ট সম্পাদনার সময় কার্সরকে লেখার বিভিন্ন স্থানে সরাতে কীবোর্ডের বিভিন্ন কী ব্যবহার করা হয়। নিচে গুরুত্বপূর্ণ কীবোর্ড কীগুলোর কাজ দেওয়া হলো:


কীবোর্ড ব্যবহার করে কার্সর সরানোর উপায়:

কীবোর্ড কীকাজ বা ব্যবহার
Arrow Keysকার্সরকে উপরে, নিচে, বামে বা ডানে সরায়
Homeকার্সরকে বর্তমান লাইনের শুরুতে নেয়
Endকার্সরকে বর্তমান লাইনের শেষে নেয়
Ctrl + →একটি শব্দ পরবর্তী শব্দে নেয়
Ctrl + ←একটি শব্দ পেছনের শব্দে নেয়
Ctrl + ↑আগের অনুচ্ছেদে কার্সর সরায়
Ctrl + ↓পরবর্তী অনুচ্ছেদে কার্সর সরায়
Page Upএক স্ক্রল উপরের দিকে কার্সর সরায়
Page Downএক স্ক্রল নিচের দিকে কার্সর সরায়
Ctrl + Homeকার্সরকে ডকুমেন্টের একদম শুরুতে নিয়ে যায়
Ctrl + Endকার্সরকে ডকুমেন্টের একদম শেষে নিয়ে যায়
Tabকার্সরকে নির্দিষ্ট দূরত্বে ডানদিকে সরায় (ইন্ডেন্ট)
Shift + Tabকার্সরকে বামদিকে সরায় (ইন্ডেন্ট কমায়)
উত্তরঃ

ডকুমেন্ট ফরম্যাটিং-এর কয়েকটি সাধারণ কাজ এবং সংশ্লিষ্ট কীবোর্ড শর্টকাট (Keyboard Commands) উল্লেখ করা হলো, যা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অনুরূপ টেক্সট এডিটরে ব্যবহৃত হয়:


ডকুমেন্ট ফরম্যাটিং-এর কাজ ও কীবোর্ড কমান্ড:

ফরম্যাটিং কাজকীবোর্ড কমান্ড
বোল্ড (Bold)Ctrl + B
ইটালিক (Italic)Ctrl + I
আন্ডারলাইন (Underline)Ctrl + U
বাম প্রান্তিকরণ (Align Left)Ctrl + L
মধ্য প্রান্তিকরণ (Center Align)Ctrl + E
ডান প্রান্তিকরণ (Align Right)Ctrl + R
উভয়প্রান্তিকরণ (Justify)Ctrl + J
ফন্ট সাইজ বাড়ানোCtrl + Shift + >
ফন্ট সাইজ কমানোCtrl + Shift + <
একটি নতুন প্যারাগ্রাফ শুরু করাEnter
লাইন ব্রেক (বিনা নতুন প্যারাগ্রাফে)Shift + Enter
নতুন পৃষ্ঠা শুরু (Page Break)Ctrl + Enter
সার্চ / খোঁজা (Find)Ctrl + F
রিপ্লেস / পরিবর্তন (Replace)Ctrl + H
সিলেক্ট অল (সব নির্বাচন)Ctrl + A
উত্তরঃ

ডকুমেন্টে অক্ষর বা লেখা বোল্ড, ইটালিক ও আন্ডারলাইন করার কৌশল খুবই সহজ এবং এটি Microsoft Word, Google Docs বা অন্যান্য ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারে প্রায় একইভাবে কাজ করে। নিচে প্রতিটির কৌশল ধাপে ধাপে দেওয়া হলো:


✅ ১. বোল্ড (Bold) করার কৌশল:

লক্ষ্য: লেখাকে গাঢ় বা মোটা করে দেখানোর জন্য।

কৌশল:

  • যেটুকু লেখা বোল্ড করতে চান, তা মাউস দিয়ে সিলেক্ট করুন

  • তারপর কিবোর্ড থেকে Ctrl + B চাপুন

  • অথবা হোম ট্যাব থেকে Bold (B) আইকনে ক্লিক করুন।


✅ ২. ইটালিক (Italic) করার কৌশল:

লক্ষ্য: লেখাকে হালকা বাঁকা করে দেখানোর জন্য।

কৌশল:

  • লেখাটি সিলেক্ট করুন।

  • Ctrl + I চাপুন

  • অথবা হোম ট্যাব থেকে Italic (I) আইকনে ক্লিক করুন।


✅ ৩. আন্ডারলাইন (Underline) করার কৌশল:

লক্ষ্য: লেখার নিচে দাগ বা দাগযুক্ত রূপরেখা যোগ করা।

কৌশল:

  • লেখাটি সিলেক্ট করুন।

  • Ctrl + U চাপুন

  • অথবা হোম ট্যাবে থাকা Underline (U) আইকনে ক্লিক করুন।


🔁 একসঙ্গে একাধিক ফরম্যাট:

একটি লেখায় চাইলে একই সঙ্গে বোল্ড, ইটালিক এবং আন্ডারলাইন প্রয়োগ করা যায়:

  • সিলেক্ট করে Ctrl + B, Ctrl + I, এবং Ctrl + U একে একে চাপলেই হবে।


এই সহজ কীবোর্ড শর্টকাট ও কমান্ডগুলোর মাধ্যমে আপনি ডকুমেন্টে যেকোনো লেখাকে সহজেই আকর্ষণীয় ও গঠনগতভাবে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারেন।

উত্তরঃ

কোনো ডকুমেন্টের অংশ বিশেষকে প্রয়োজন অনুসারে পৃষ্ঠার বামে, মাঝে এবং সবদিকে সমান (জাস্টিফাইড) প্যারাগ্রাফ আকারে এলাইন করাকে ডকুমেন্ট এলাইনমেন্ট বলা হয়। সাধারণত প্যারাগ্রাফের এলাইনমেন্ট বামদিকে থাকে। প্যারাগ্রাফের এলাইনমেন্ট চার ধরনের হয়ে থাকে। বামদিকে থেকে, ডানদিক থেকে, মাঝ বরাবর এবং সবদিকে সমান প্যারাগ্রাফ এলাইন।

উত্তরঃ

কোনো ডকুমেন্টের প্যারাগ্রাফের এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করতে হলে প্রথমে তা নির্বাচন করতে হয়। তারপর ওয়ার্ড প্রসেসরের রিবন থেকে এই আইকনগুলোতে মাউস দ্বারা ক্লিকের মাধ্যমে এলাইনমেন্ট করা যায়। মাউস ছাড়াও কী-বোর্ড শর্টকার্ট হচ্ছে বাম দিকে CTRL+ I, ডানদিকে CTRL+ r, মাঝখানে CTRL +e এবং জাস্টিফাইড CTRL + j. কমান্ড ব্যবহার করে এলাইনমেন্ট ঠিক করা যায়।

উত্তরঃ

ডকুমেন্ট ফরম্যাট-এর কাজগুলো হলো-
১. অক্ষর বা লেখার আকার ছোট বা বড় করা।
২. অক্ষর বা লেখার আকার বোল্ড, ইটালিক, আন্ডারলাইন করা।
৩. প্যারাগ্রাফ এলাইনমেন্ট।
৪. লাইনের ব্যবধান নির্ধারণ।

উত্তরঃ

প্রিন্টার চালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়‍্যার এবং উপযুক্ত সাইজের কাগজ আছে কিনা দেখে নিতে হবে। এবার আমি যে কোনো ডকুমেন্ট খুলে বা ওপেন করে মাউস দিয়ে প্রিন্ট আইকনে ক্লিক করব। অথবা, শর্টকাট কী হিসেবে কী বোর্ডের Ctrl ও p কী দুইটি একসাথে চাপব। তখন একটি ডায়ালগ বক্স কম্পিউটারের মনিটরে দেখা যায়। আমি সে ডায়ালগ বক্সের ওপর এন্টার কী চাপলেই ডকুমেন্টটি প্রিন্ট মুদ্রণ শুরু হয়ে যাবে।

উত্তরঃ

ডকুমেন্ট ব্যবস্থাপনার কাজগুলো যেভাবে করতে হয় তা হলো-

১. মাই ডকুমেন্ট ফোল্ডার খুলে তার মধ্যে একটি নতুন ফোল্ডার খুলতে হবে।

২. প্রাথমিকভাবে ফোল্ডারটির নাম নিউ ফোল্ডার লেখা থাকে। এটিকে নিজের মতো করে নামকরণ করতে হবে।

৩. তৈরিকৃত ডকুমেন্ট সংরক্ষণের জন্য কম্পিউটারকে নির্দেশ দিলে যে ডায়ালগ বক্স আসবে সেখানে ফোল্ডারটি মাউসের সাহায্যে ডাবল ক্লিক করার মাধ্যমে খুলে সংরক্ষণ করতে হয়।

৪. ডকুমেন্ট সংরক্ষণের সময় কাজের ধরন অনুযায়ী ডকুমেন্টের নামকরণ করে সংরক্ষণ করতে হয়।

উত্তরঃ

ডকুমেন্ট মুদ্রণ পদ্ধতি নিম্নে দেওয়া হলো-

  • কম্পিউটারের সাথে প্রিন্টার সংযুক্ত করতে হবে।
  • প্রিন্টারের সফটওয়‍্যার এবং কাগজ প্রস্তুত রাখতে হবে।
  • ডকুমেন্টে Ctrl + P চাপতে হবে।
  • প্রিন্ট অপশনে প্রয়োজনীয় সেটিং করতে হবে।
  • Print বা Enter চাপতে হবে।
উত্তরঃ

ডকুমেন্ট ব্যবস্থাপনা বলতে ডকুমেন্ট তৈরি, সংরক্ষণ এবং সংগঠিত করার এমন একটি পদ্ধতিকে বোঝায়, যা ডকুমেন্টগুলোকে ভবিষ্যতে সহজে খুঁজে পাওয়ার উপযোগী করে তোলে এবং হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। এটি সঠিক ফোল্ডারে ডকুমেন্ট সংরক্ষণ, যথাযথ নামকরণ এবং গুছিয়ে রাখার মাধ্যমে কাজের গতি বৃদ্ধি ও সময় সাশ্রয়ে সহায়তা করে।

201

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

১. সঠিক পরিভাষা ব্যবহার করে ওয়ার্ড প্রসেসর ব্যবহারের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব;
২. বাংলা কী-বোর্ড ব্যবহারের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব;
৩. ডকুমেন্ট ব্যবস্থাপনা ব্যাখ্যা করতে পারব;
৪. ওয়ার্ডে বাংলা ডকুমেন্ট তৈরি করতে পারব;
৫. সুষ্ঠুভাবে ডকুমেন্ট ব্যবস্থাপনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্য মুনীর চৌধুরীর উদ্ভাবিত বাংলা কী বোর্ড থেকে বাংলা ফন্টসহ শহীদ লিপি সফটওয়‍্যারটি প্রবর্তিত হয়। এটিই বাংলা লেখার প্রথম সফটওয়্যার। আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে নব্বই দশকের শেষের দিক পর্যন্ত বিজয়, প্রশিকা শব্দ, প্রবর্তনা, লেখনী প্রভৃতি সফটওয়্যার বাজারে আসে। সফটওয়‍্যার উন্নয়নের কারণে বিজয় সফটওয়্যারটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। বর্তমানে অভ্র সফটওয়্যারটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

792
উত্তরঃ

ওয়ার্ড প্রসেসিং হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কম্পিউটারের সাহায্যে লেখা, সম্পাদনা, সজ্জিতকরণ এবং প্রিন্ট করা হয়। এটি একটি সফটওয়‍্যার ব্যবহারের মাধ্যমে করা হয়।

ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন কাজ করতে পারে,

যেমন:

লেখা তৈরি করা; যে কোনও ধরনের টেক্সট বা নথি তৈরি করা।

সম্পাদনা ও সংশোধন: লেখার ভুল সংশোধন, কাটা, কপি বা পেস্ট করা।

487
উত্তরঃ

ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম চালু করে বাংলা লেখার জন্য ওয়ার্ড প্রসেসরকে প্রস্তুত করতে হয়। বাংলা লেখার জন্য ওয়ার্ড প্রসেসরে বিজয় সফটওয়‍্যারে Alt, Cul ও B এক সাথে চাপতে হয় এবং অভ্র সফটওয়্যারে F12 কী চাপতে হয়। বিজয় সফটওয়্যারের জন্য sutonnyMJ এবং অভ্র-এর জন্য NikoshBAN ফন্ট নির্বাচন করতে হয়। এরপর বাংলা লেখা শুরু করলে দেখা যাবে ওয়ার্ড প্রসেসরে বাংলা লেখা দেখাচ্ছে। এভাবে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ে বাংলা লেখা প্রস্তুত করা যায়।

1.1k
উত্তরঃ

লেখালেখি করতে হলেই শব্দ বা ওয়ার্ড লিখতে হয়, সুন্দর করে লিখতে হলে শব্দগুলোকে সাজাতে ও গোছাতে হয়। আর এটা হচ্ছে এক ধরনের প্রক্রিয়া বা প্রসেসিং। কাজেই কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনোকিছু লিখে সুসজ্জিতভাবে সাজানোর প্রক্রিয়াকেই বলা হয় ওয়ার্ড প্রসেসিং বা শব্দ প্রক্রিয়াকরণ।

2.8k
উত্তরঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে সর্বপ্রথম বাংলা টাইপ রাইটারের জন্য একটি বিজ্ঞানসম্মত কী বোর্ড লে-আউট তৈরি করেন। তাঁর এ বাংলা কী বোর্ড লে-আউট সম্পূর্ণ ইংরেজি কী বোর্ডের ওপর ভিত্তি করে বানানো হয়।

পরবর্তীতে এই কী বোর্ড লে-আউটই কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এতে কম্পিউটারে বাংলা ওয়ার্ড প্রসেসিং সহজ হয়।

1.1k
উত্তরঃ

অভ্র বাংলা লেখার ইউনিকোড সফটওয়‍্যার। অভ্র সফটওয়‍্যারে উচ্চারণভিত্তিক বাংলা টাইপিং ব্যবস্থা আছে। যারা বাংলা টাইপিং জানে না তারাও ইংরেজি টাইপিংয়ের মাধ্যমে সহজেই বাংলা লিখতে পারে। অভ্র সফটওয়‍্যারের বিশেষ সুবিধা হলো এতে মাউস দিয়ে লেখার সুবিধা রয়েছে। এতে একটি বিশেষ অন-স্ক্রিন কী বোর্ডে মাউস দ্বারা ক্লিক করে লেখা যায়। এসব সুবিধাসমূহ অন্য বাংলা লেখার সফটওয়‍্যার যেমন- বিজয়, শহীদ, লিপি, প্রবর্তনা, লেখনী ইত্যাদিতে না থাকার কারণেই অভ্র সফটওয়‍্যারটি বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে।

810
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews