অমল যখন দইওয়ালার ডাক শোনে তখন সেই ডাক যে তার কাছে অন্য রকম লাগে সেটি জানায়। তার কাছে সে দই বেচা ও দই বেচার ডাক শিখতে চায়। অমল বলে যে, সেই ডাক তার অনেক ভালো লাগে। আকাশের খুব শেষ থেকে যেমন পাখির ডাক শুনলে মন উদাস হয়ে যায় তেমনই রাস্তার মোড় থেকে ওই গাছের সারির মধ্যে দিয়ে যখন দইওয়ালার ডাক আসছিল অমলের কাছে তা অনেক ভালো লাগছিল। অমলের মুখে দই বেচা নিয়ে ভালো ভালো এ কথাগুলো শুনেই দইওয়ালা দই বেচার সুখ খুঁজে পেল।
Related Question
View Allদইওয়ালার ডাক অমলের খুব ভালো লাগে। তাই অমল তার সঙ্গে কথা বলার জন্য তাকে ডাক দেয়।
কোনো অসুস্থতার কারণে কবিরাজ অমলকে বাইরে বেরোতে বারণ করেছেন। তাই সে সারা দিন ঘরে বসে থাকে।
অমলের বর্ণনায় দইওয়ালার গ্রামটি অনেক পুরানো কালের খুব বড়ো বড়ো গাছের তলায়, একটি লাল রঙের রাস্তার ধারে।
অমল দইওয়ালার গ্রামের মেয়েদের সম্পর্কে বলে, মেয়েরা সব নদী থেকে জল তুলে মাথায় কলসি করে নিয়ে যায়, আর তাদের পরনে থাকে লাল শাড়ি।
অমল দইওয়ালার গ্রামে যেতে চায়। কবিরাজ যেদিন তাকে বাইরে যেতে বলবে সেদিন সে দইওয়ালার গ্রামে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে তাকে।
অমল দইওয়ালার কাছে দই বেচা শিখতে চায়। দইওয়ালার মতো বাঁক কাঁধে নিয়ে খুব দূরের রাস্তা দিয়ে দই বেচতে চায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!