দইওয়ালার ডাক অমলের খুব ভালো লাগে। তাই অমল তার সঙ্গে কথা বলার জন্য তাকে ডাক দেয়।
কোনো অসুস্থতার কারণে কবিরাজ অমলকে বাইরে বেরোতে বারণ করেছেন। তাই সে সারা দিন ঘরে বসে থাকে।
অমলের বর্ণনায় দইওয়ালার গ্রামটি অনেক পুরানো কালের খুব বড়ো বড়ো গাছের তলায়, একটি লাল রঙের রাস্তার ধারে।
অমল দইওয়ালার গ্রামের মেয়েদের সম্পর্কে বলে, মেয়েরা সব নদী থেকে জল তুলে মাথায় কলসি করে নিয়ে যায়, আর তাদের পরনে থাকে লাল শাড়ি।
অমল দইওয়ালার গ্রামে যেতে চায়। কবিরাজ যেদিন তাকে বাইরে যেতে বলবে সেদিন সে দইওয়ালার গ্রামে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে তাকে।
অমল দইওয়ালার কাছে দই বেচা শিখতে চায়। দইওয়ালার মতো বাঁক কাঁধে নিয়ে খুব দূরের রাস্তা দিয়ে দই বেচতে চায়।
দইওয়ালার বাড়ি পাঁচমুড়া পাহাড়ের তলায় শামলী নদীর ধারে গয়লাপাড়ায়।
অমল কবিরাজের কথায় সারাদিন ঘরে বসে থাকে। বাইরের প্রকৃতি ও পরিবেশে সে ঘুরে বেড়াতে পারে না। দইওয়ালার ডাক শুনে তার অনেক ভালো লাগে। তাই অমল তার সাথে যেতে চায়।
অমলকে কবিরাজ বাইরে যেতে বারণ করেছেন। তাই সে দইওয়ালার সাথে যেতে পারছে না।
অমল দইওয়ালার গ্রামে কখনো যায়নি। তবে তার কাছে মনে হয়েছে সেই গ্রাম সে দেখেছে। তার বর্ণনা থেকে বোঝা যায় দইওয়ালার গ্রামে সে না গেলেও সেই গ্রাম সম্পর্কে তার স্পষ্ট ধারণা আছে। এক্ষেত্রে মনে হয় অমল কল্পনায় গ্রামের বর্ণনা দিয়েছে। তাছাড়া বাংলার সব গ্রামের চিত্র প্রায় একই রকম হয়ে থাকে'। এজন্য অমলের কল্পনা ও দেখা গ্রামের বর্ণনার সাথে দইওয়ালার গ্রামের চিত্র মিলে গিয়েছে। এভাবেই সে দইওয়ালার গ্রাম সম্পর্কে জানে।
দইওয়ালার বিচিত্র সুরে ডাক ও তার বাঁক কাঁধে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো অমলের খুব ভালো লাগে। সে অসুস্থতার জন্য ঘরবন্দি হয়ে আছে। তাই বাইরের জগতের প্রতি তার তীব্র আকর্ষণ। এ কারণে দইওয়ালার দই নিয়ে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করা তাকে আকৃষ্ট করে। তারও ইচ্ছে করে রাঙা রাস্তার ধারে বুড়ো বটের তলায় গোয়ালপাড়া থেকে দই নিয়ে এসে দূরের গ্রামে বেচে বেড়াতে। দইওয়ালার মতো সে 'দই, দই, দই- ভালো দই' বলে সুর দিয়ে ডাকতে চায়। এজন্যই অমল দইওয়ালা হতে চায়।
অমল যখন দইওয়ালার ডাক শোনে তখন সেই ডাক যে তার কাছে অন্য রকম লাগে সেটি জানায়। তার কাছে সে দই বেচা ও দই বেচার ডাক শিখতে চায়। অমল বলে যে, সেই ডাক তার অনেক ভালো লাগে। আকাশের খুব শেষ থেকে যেমন পাখির ডাক শুনলে মন উদাস হয়ে যায় তেমনই রাস্তার মোড় থেকে ওই গাছের সারির মধ্যে দিয়ে যখন দইওয়ালার ডাক আসছিল অমলের কাছে তা অনেক ভালো লাগছিল। অমলের মুখে দই বেচা নিয়ে ভালো ভালো এ কথাগুলো শুনেই দইওয়ালা দই বেচার সুখ খুঁজে পেল।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allদইওয়ালার ডাক অমলের খুব ভালো লাগে। তাই অমল তার সঙ্গে কথা বলার জন্য তাকে ডাক দেয়।
কোনো অসুস্থতার কারণে কবিরাজ অমলকে বাইরে বেরোতে বারণ করেছেন। তাই সে সারা দিন ঘরে বসে থাকে।
অমলের বর্ণনায় দইওয়ালার গ্রামটি অনেক পুরানো কালের খুব বড়ো বড়ো গাছের তলায়, একটি লাল রঙের রাস্তার ধারে।
অমল দইওয়ালার গ্রামের মেয়েদের সম্পর্কে বলে, মেয়েরা সব নদী থেকে জল তুলে মাথায় কলসি করে নিয়ে যায়, আর তাদের পরনে থাকে লাল শাড়ি।
অমল দইওয়ালার গ্রামে যেতে চায়। কবিরাজ যেদিন তাকে বাইরে যেতে বলবে সেদিন সে দইওয়ালার গ্রামে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে তাকে।
অমল দইওয়ালার কাছে দই বেচা শিখতে চায়। দইওয়ালার মতো বাঁক কাঁধে নিয়ে খুব দূরের রাস্তা দিয়ে দই বেচতে চায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!