অমল দইওয়ালার গ্রামে কখনো যায়নি। তবে তার কাছে মনে হয়েছে সেই গ্রাম সে দেখেছে। তার বর্ণনা থেকে বোঝা যায় দইওয়ালার গ্রামে সে না গেলেও সেই গ্রাম সম্পর্কে তার স্পষ্ট ধারণা আছে। এক্ষেত্রে মনে হয় অমল কল্পনায় গ্রামের বর্ণনা দিয়েছে। তাছাড়া বাংলার সব গ্রামের চিত্র প্রায় একই রকম হয়ে থাকে'। এজন্য অমলের কল্পনা ও দেখা গ্রামের বর্ণনার সাথে দইওয়ালার গ্রামের চিত্র মিলে গিয়েছে। এভাবেই সে দইওয়ালার গ্রাম সম্পর্কে জানে।
Related Question
View Allদইওয়ালার ডাক অমলের খুব ভালো লাগে। তাই অমল তার সঙ্গে কথা বলার জন্য তাকে ডাক দেয়।
কোনো অসুস্থতার কারণে কবিরাজ অমলকে বাইরে বেরোতে বারণ করেছেন। তাই সে সারা দিন ঘরে বসে থাকে।
অমলের বর্ণনায় দইওয়ালার গ্রামটি অনেক পুরানো কালের খুব বড়ো বড়ো গাছের তলায়, একটি লাল রঙের রাস্তার ধারে।
অমল দইওয়ালার গ্রামের মেয়েদের সম্পর্কে বলে, মেয়েরা সব নদী থেকে জল তুলে মাথায় কলসি করে নিয়ে যায়, আর তাদের পরনে থাকে লাল শাড়ি।
অমল দইওয়ালার গ্রামে যেতে চায়। কবিরাজ যেদিন তাকে বাইরে যেতে বলবে সেদিন সে দইওয়ালার গ্রামে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে তাকে।
অমল দইওয়ালার কাছে দই বেচা শিখতে চায়। দইওয়ালার মতো বাঁক কাঁধে নিয়ে খুব দূরের রাস্তা দিয়ে দই বেচতে চায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!