অমিতের মানসিক স্বাস্থ্যরৰায় খেলাধুলার ভূমিকা বিশেরষণ কর।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

অমিতের মানসিক স্বাস্থ্যরৰায় খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম। কারণ অমিত প্রতিদিন টিফিনের সময়টুকু তার সহপাঠীদের সাথে খেলাধুলা করে। এই খেলাধুলা একদিকে যেমন অমিতের শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখে, তেমনিভাবে তার মনের সুস্থতা রবায়ও সহায়তা করে। ক্রীড়াবেত্রে শিৰার্থীর জীবনে প্রতিযোগিতার মনোভাব বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মানসিক অসুস্থতা প্রত্যৰ করা যায়। খেলাধুলা শুধু শারীরিক কসরত নয়, এর সাথে আনন্দ ও পরাজয়ের বেদনাও জড়িত থাকে। একজন শিৰার্থী কোনো খেলায় জয়লাভ করলে আনন্দিত হয়, পরবর্তীতে আরও ভালো করার জন্য তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠে। তবে এরু প জয়ের ফলে তার মধ্যে নেতিবাচক মনোভাবও গড়ে উঠতে পারে। যেমন: প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাস, নিজকে বড় করে দেখা কিংবা অপরের দবতাকে ছোট করে দেখার প্রবণতার সৃষ্টি হতে পারে। সুতরাং খেলাধুলার বেত্রে অমিতের বিজয়ী মানসিকতার ভালো বা খারাপ দু'ধরনের ফলাফল আসতে পারে। আবার পরাজিত হলে অমিতের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হতে পারে। সে অন্যের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করতে পারে। আবার হতাশায় মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে সে খেলাধুলা ছেড়ে দিতে পারে। জয়-পরাজয়ের এ স্বাভাবিক ঘটনাকে সহজভাবে নিতে না পারলে অমিতের মধ্যে মানসিক চাপের সৃষ্টি হবে এবং তার কর্মকান্ডে নানা রকম অসংগতি পরিলৰিত হবে। এৰেত্রে তাকে ক্রীড়া শিৰক বা প্রশিৰকদের সাথে একত্রে কাজ করে তার মানসিক স্বাস্থ্য বা মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতে হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
40

মানসিক স্বাস্থ্য ও অবসাদ সম্পর্কে আলোচনার আগে স্বাস্থ্য বলতে আমরা কী বুঝি তা জানা প্রয়োজন। স্বাস্থ্য বলতে শারীরিক সুস্থতা বা শরীরের নীরোগ অবস্থাকে বুঝি। ব্যাপক অর্থে শারীরিক সুস্থতার সাথে মানসিক সুস্থতারও প্রয়োজন। মানসিক সুস্থতা শারীরিক সুস্থতার উপর নির্ভরশীল। যে কোনো কাজে আমরা নিযুক্ত থাকি না কেন শরীর সুস্থ না থাকলে কিছুই ভালো লাগে না, কাজে উৎসাহ থাকে না, কর্মক্ষমতা হ্রাস পায় । মানুষের চাহিদা অনুযায়ী পরিবেশের সাথে সঙ্গতি বিধানের মাধ্যমে মানসিক সুস্থতা বজায় থাকে। অতএব, যে ব্যক্তি নিজের চাহিদা ও পরিবেশের সাথে সফলভাবে সঙ্গতি বিধান করতে পারে, সেই মানসিক দিক দিয়ে সুস্থ। একজন মানুষের ব্যক্তিসত্তার সাথে সামঞ্জস্যমূলক শারীরিক ও মানসিক ক্রিয়াকলাপকে ঐ ব্যক্তির মানসিক স্বাস্থ্য হিসেবে অভিহিত করা যায়। অতিরিক্ত কাজ বা পরিশ্রমের চাপে একজন সাধারণ মানুষ বা একজন খেলোয়াড়ের কর্মক্ষমতা সাময়িকভাবে হ্রাস পায়। আবার দীর্ঘক্ষণ একই কাজ করার ফলে সেই কাজের প্রতি মানুষের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন দেখা দেয়। ফলে ব্যক্তির কর্মক্ষমতার অবনতি হয়। ব্যক্তির মানসিক ও শারীরিক অবস্থার এই পরিবর্তনকেই ক্লান্তি বা অবসাদ বলা হয়।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • মানসিক আচরণের ধারণা বর্ণনা করতে পারব।
  • অবস্থাভেদে মানুষের আচরণের ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • মানসিক অস্থিরতা দূর করার উপায় ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • অবসাদের ধারণা ও প্রকারভেদ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • অবসাদগ্রস্ত হওয়ার কারণ ও ফলাফল ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • অবসাদ দূরীকরণের উপায় বর্ণনা করতে পারব।
  • অবসাদগ্রস্ততা দূর করে সুস্থ জীবনযাপনে অভ্যস্ত হতে পারব।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews