BTTB হলো Bangladesh Telegraph and Telephone Board.
বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে নেতৃত্বদান, হোটেল-মোটেল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করা ইত্যাদি দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন।
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন হলো বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা। এটি দেশে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এটি হলো দেশে জাতীয় পর্যটন সংস্থা। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ-১৯৭২ অনুযায়ী এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বাংলাদেশ দেশি- বিদেশি পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় একটি দেশ। এতসব গৌরবময় ও ঐতিহ্যবাহী বিষয়কে সামনে রেখে বাংলাদেশে গঠন করা হয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (BPC)। বাংলাদেশ পর্যটন শিল্পকে আরও আকর্ষণীয় ও সমৃদ্ধশালী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই মূলত বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন গঠিত হয়।
উদ্দীপকে প্রথমত বাংলাদেশ ডাক বিভাগের কথা বলা হয়েছে।
ডাক বিভাগ সংশ্লিষ্ট পণ্য বা সেবা জনগণের নিকট পৌছে দেওয়ার জন্য সরকারি মালিকানাধীন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগই হলো বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। দেশে-বিদেশে ডাক যোগাযোগ সেবা পৌছে দিতে এটি প্রধান জাতীয় ডাক যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর সাধারণ লক্ষ্য হলো বিদ্যমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে সাশ্রয়ী কিন্তু নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত ডাকসেবা সাধারণ মানুষদের দোরগোড়ায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সততার মাধ্যমে পৌঁছে দিয়ে গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করা।
উদ্দীপকে রবীন্দ্রনাথের ছোট গল্পটি অর্থাৎ 'ডাক হরকরা'এর কথা ইঙ্গিত করা হয়েছে। তাছাড়া উদ্দীপকে উল্লেখ রয়েছে যে, তৎকালীন সময় তথা ব্রিটিশ আমল থেকে অদ্যাবধি এ সার্ভিস চালু আছে অর্থাৎ ব্রিটিশ আমলে চালু হওয়া ডাক যোগাযোগ ব্যবস্থা এ দেশে ১৫০ বছরেরও অধিক সময় ধরে চালু হয়েছে। আরও উল্লেখ্য যে, মোবাইল ফোন, কুরিয়ার সার্ভিস ইত্যাদি উদ্ভবের কারণে এর (ডাক বিভাগের) গুরুত্বকে হ্রাস করেছে। কেননা আধুনিক প্রযুক্তির যুগে মানুষ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারছে। ফলে পূর্বের ন্যায় চিঠিপত্রের ব্যবহার বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে প্রথমত যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে সেটি হলো বাংলাদেশ ডাক বিভাগ।
উদ্দীপকে পরবর্তীতে যে প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে সেটি হলো বাংলাদেশ রেলওয়ে যার গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
সরকারি মালিকানায় ও পরিচালনায় দেশের প্রধান পরিবহন সংস্থা হলো বাংলাদেশ রেলওয়ে। বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান লক্ষ্য হলো সরকারের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত উন্নয়ন কৌশলের সাথে মিল রেখে রেল ব্যবস্থার যথাযথ আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ ও সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ, বিশ্বস্ত, স্বল্প ব্যয়সাপেক্ষ ও সময় সাশ্রয়ী পরিবহন সেবা প্রদান করা। জনকল্যাণের উদ্দেশ্য নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে কাজ করে বিধায় রেলওয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান।
উদ্দীপকে বাংলাদেশে ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসা আরেকটি নিরাপদ ও সাশ্রয়ী গণপরিবহন সার্ভিসের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যা বাংলাদেশ রেলওয়ের বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। কেননা রাষ্ট্রীয় মালিকানায় ও পরিচালনায় দেশের প্রধান গণপরিবহন সংস্থা হলো বাংলাদেশ রেলওয়ে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!