হাতি নিজেকে সবচেয়ে শক্তিশালী ও বনের রাজা ভাবত। তাই অহংকারের কারণে তাকে কেউ পছন্দ করত না। সবাই তাকে ভয় পেত। তার দাম্ভিক স্বভাবের কারণে কেউ তার ছায়াও মাড়াত না। দুষ্টু হাতির অহংকারের কারণে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিল তাকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার
Related Question
View Allবিদ্যুৎ চমকালে মেদিনী কেঁপে ওঠে বলে মনে হতে পারে।
অহংকার পতনের মূল।
কী হয়েছে, এত তটস্থ হয়ে আছ কেন?
বনের সিংহ হুঙ্কার দিলে মানুষের মনে ভয় জাগে।
নিজের কলমটা খুঁজে না পেয়ে সে তুলকালাম কাণ্ড বাঁধিয়ে দিয়েছে।
দিগন্তের ওপারে কী আছে কেউ জানে না।
মেজাজ তিরিক্ষি বলে তার কাছে কেউ ঘেঁষতে চায় না।
তুমি এত শঙ্কিত কেন? কী হয়েছে?
আমরা এখন মুক্ত স্বাধীন।
দেখব না আর হাতির ছায়া
মাটির তলায় লুকিয়ে ছিল যে ইঁদুর।
বাঘ, ভালুক, সিংহ, বানর, হরিণ, বনবিড়াল, শিয়াল সবাই সলা-পরামর্শ করতে বসল।
প্রতিদিন তোমার অত্যাচারে আমরা কেউ বনে শান্তিতে ঘুমাতে পারিনি
হাতিটার সে-কী বিশাল শরীর।
মেজাজটাও দারুণ তিরিক্ষি
পা-গুলো বটপাকুড় গাছের মতো মোটা ।
কিন্তু এভাবে কি দিন যায়?
সেও নদীতে নেমে পড়ল।
হাতি তো শিয়ালের কথা শুনে মহাখুশি। 'আচ্ছা চল' বলে সে শিয়ালের সাথে হাঁটা শুরু করল। নদীর পারে এসে শিয়াল বলল, এই আমি নদী সাঁতরে পার হচ্ছি। আপনিও আসুন . এই বলে শিয়াল নদীতে দিল ঝাঁপ।
বনে বনে পশুদের রাজত্ব ছিল।
শিয়াল তার বুদ্ধিমত্তা ও কৌশল দিয়ে হাতির অত্যাচার থেকে বনের পশুপাখিকে রক্ষা করল। শিয়াল হাতিকে শায়েস্তা করার জন্য কৌশল অবলম্বন করল। তার কৌশলে হাতি নদীতে নেমে তলিয়ে যেতে থাকল। এভাবে শিয়াল তার বুদ্ধি দিয়ে বনের পশুপাখিকে রক্ষা করল।
হাতির অত্যাচারে বনের সব প্রাণী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। অত্যাচারী হাতি থেকে রক্ষা পেতে বনের সবাই পরামর্শ করে শিয়ালকে হাতির আস্তানায় পাঠাল। শিয়াল হাতির নানা রকম প্রশংসা করে। নদীর ওপারের সবাই হাতিকে রাজা হিসেবে বরণ করে নিতে চায়- এ কথা শুনে হাতি খুশি মনে শিয়ালের ফাঁদে পা দিল। এভাবে বোকা হাতি শিয়ালের বুদ্ধির কাছে হার মানল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!