অ্যালকোহল একটি পোলার যৌগ। কারণ অ্যালকোহলের কার্যকরীমূলক O – H। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে কার্বন পরমাণু। কার্বনের সঙ্গে অক্সিজেনের এবং অক্সিজেনের সঙ্গে হাইড্রোজেনের বন্ধন দুটি সমযোজী বন্ধন। কিন্তু অক্সিজেন পরমাণু অধিক তড়িৎ ঋণাত্মক মৌল হওয়ায় উভয় বন্ধনের ইলেকট্রন অক্সিজেনের দিকে অধিক সরে আসে। ফলে কার্বন ও হাইড্রোজেন পরমাণুতে আংশিক ধনাত্মক চার্জ এবং অক্সিজেনের উপর সমপরিমাণ ঋণাত্মক চার্জ সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ ডাইপোল সৃষ্টি হয়।
Related Question
View Allপারমাণবিক ভর বা আণবিক ভরকে গ্রামে প্রকাশ করলে যে পরিমাণ পাওয়া যায় তা-ই সংশ্লিষ্ট পদার্থের এক মোল।
যে সংকেত দ্বারা কোনো যৌগের অণুতে বিদ্যমান পরমাণুসমূহের অনুপাত প্রকাশ পায় তাকে ঐ যৌগের স্থূল সংকেত বলে। যেমন-হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড যৌগের অণুতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণু সংখ্যার অনুপাত হলো 2 : 2 বা 1 : 1 । অর্থাৎ হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড যৌগের স্থূল সংকেত হলো HO । আবার যে সংকেত দ্বারা কোনো যৌগের অণুতে বিদ্যমান পরমাণুসমূহের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ পায় তাকে ঐ যৌগের আণবিক সংকেত বলে। যেমন- হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডের আণবিক সংকেত হলো H2O2।
উদ্দীপকের দ্রবণদ্বয় হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড ও সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড নামক ক্ষারের দ্রবণ। এ দ্রবণদ্বয়কে একত্রে মিশ্রিত করলে প্রশমন বিক্রিয়ার মাধ্যমে এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় সোডিয়াম ক্লোরাইড নামক লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়। বিক্রিয়ার সমীকরণটি নিম্নরূপ-
NaCl লবণের সংযুতি নির্ণয় :
NaCl এর আপেক্ষিক আণবিক ভর = 23 + 35.5 = 58.5
যৌগটিতে,
সোডিয়ামের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর = 23
এবং ক্লোরিনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর = 35.5
সোডিয়ামের সংযুতি =
এবং ক্লোরিনের সংযুতি =
দ্রবণে HCI এর পরিমাণ = 4g
HCI এর মোল সংখ্যা = মোল = 0.1095 মোল [ HCI এর আণবিক ভর = 1 + 35.5 = 36.5]
আবার,
100 mL দ্রবণে HCI দ্রবীভূত আছে = 0.1095 মোল
1000 mL “ HCI ” " মোল
= 1.095 মোল
অর্থাৎ HCI দ্রবণের ঘনমাত্রা = 1.095M
দ্রবণে NaOH এর পরিমাণ = 4g
NaOH এর মোল সংখ্যা = মোল = 0.1 মোল [ NaOH এর আণবিক ভর = 23 + 16 + 1 = 40 ]
আবার,
100 mL দ্রবণে NaOH দ্রবীভূত আছে = 0.1 মোল
1000 mL “ NaOH ” " মোল
= 1.0 মোল
অর্থাৎ NaOH দ্রবণের ঘনমাত্রা 1.0 M
সুতরাং, উদ্দীপকের দ্রবণ দুটির মোলারিটি সমান নয়।
এক বা একাধিক কোন মৌল বা যৌগের অণুর সংকেত উল্লেখ করে কিছু চিহ্নের সহায়তায় কোন রাসায়নিক পরিবর্তনের সংক্ষেপে লিখিতরূপকে রাসায়নিক সমীকরণ বলে।
এক মোল পরিমাণ পদার্থের আয়তনকে মোলার আয়তন বলে। প্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপ অর্থাৎ ০°C তাপমাত্রা এবং । বায়ুমণ্ডলীয় চাপে কোন গ্যাসীয় পদার্থের মোলার আয়তন 22.4 লিটার। একই ভাবে, কার্বন ডাই অক্সাইডের মোলার আয়তন দ্বারা প্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপে । মোল বা 44 গ্রাম কার্বন ডাইঅক্সাইডের আয়তন 22.4 লিটার বুঝানো হয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!