অ' দেশে অনেকগুলো তেলের বৃহৎ খনি আবিষ্কৃত হওয়ায় 
বিদেশি তেল উত্তোলনকারী কিছু কোম্পানি ঐ দেশের সরকারের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে তেল উত্তোলন শুরু করে। এ কার্যক্রমে সরকারি তেল উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানও যুক্ত হয়। এসব কাজে দেশি-বিদেশি প্রচুর লোক নিয়োজিত হওয়ায় মানুষের আয় বৃদ্ধি পায়। আবার ভবিষ্যৎ চিন্তা থেকে মানুষের সঞ্চয়ের আগ্রহও বৃদ্ধি পায়। দেশে ব্যাংক-বিমাসহ নানা রকম আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিকশিত হয়। কিন্তু তেল ছাড়া অন্যান্য উৎপাদন ক্ষেত্র সেভাবে বিকশিত না হওয়ায় ব্যাংকে অলস টাকা জমার পরিমাণ বাড়তে থাকে। অথচ জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় দেশীয় কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা হলে এমনটি হতো না। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মানুষের শ্রমের দ্বরা উৎপাদিত সম্পদের যে অংশ সরাসরি ভোগের জন্য ব্যবহার না করে পুনরায় অধিকতর উৎপাদনের কাজে লাগে, তাকে মূলধন বলে।

উত্তরঃ

উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বৃত্তের মতো আবর্তিত হয় বলে চলতি মূলধনকে আবর্তিত মূলধনও বলা হয়।
সাধারণত, যেসব মূলধন একবার ব্যবহার করলেই নিঃশেষ হয়ে যায় বা একবার ব্যবহার করলেই অন্যরূপ ধারণ করে, তাদেরকে চলতি মূলধন বলে। এ ধরনের মূলধন উৎপাদনক্ষেত্রে বৃত্তের মতো আবর্তিত হয়। যেমন- ধান উৎপাদনের ক্ষেত্রে বীজ হলো মূলধন। এই মূলধন তথা বীজ দ্বারা ধান উৎপাদিত হলে তার কিছু অংশ আবার বীজ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এজন্যই চলতি মূলধনকে আবর্তিত মূলধনও বলা হয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'অ' দেশে মূলধন গঠনে যে ইতিবাচক ও নেতিবাচক ক্ষেত্রগুলো পরিলক্ষিত হয়েছে, সেগুলো নিচে চিহ্নিত করা হলো।
মূলধন গঠন বলতে মূলত অধিক পরিমাণে মূলধনীসামগ্রী উৎপাদন ও মূলধন বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকেই বোঝায়। যেমন মানুষ তার অর্জিত আয়ের কিছু অংশ ভোগের জন্য ব্যয় না করে ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করে আর এই সঞ্চিত অর্থ বিনিয়োগে রূপান্তরিত হলেই মূলধন গঠিত হয়। তাই, যে দেশের সঞ্চয় গঠনের হার বেশি, সে দেশের মূলধন গঠনের হারও বেশি হয়।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, 'অ' দেশটিতে অনেকগুলো তেলের খনি আবিষ্কৃত হওয়ায় সরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগের দ্বারা মানুষের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই আয় বৃদ্ধির ফলে মানুষের সঞ্চয়ের আগ্রহও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশটিতে ব্যাংক-বিমাসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিকশিত হয়েছে। যা মূলধন গঠনের ইতিবাচক দিক। কিন্তু, তেল ছাড়া অন্যান্য উৎপাদন ক্ষেত্র বিকশিত না হওয়ায় ব্যাংকে তারল্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে সঞ্চিত অর্থ বিনিয়োগে রূপান্তরিত হচ্ছে না তথা মূলধন গঠন ব্যাহত হচ্ছে।

উত্তরঃ

উল্লিখিত 'অ' দেশের সঞ্চয়কে মূলধনে রূপান্তরের উপায় সম্পর্কিত মতামত উদ্দীপকের আলোকে নিচে বিশ্লেষণ করা হলো।

সঞ্চয় হলো মূলধন গঠনের প্রাথমিক পর্যায়। যা 'অ' দেশ ইতোমধ্যে অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এখন, এই সঞ্চিত অর্থ সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে উৎপাদনক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবহার করতে পারলেই মূলধন গঠন বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ, সঞ্চিত অর্থকে বিনিয়োগে রূপান্তরিত করতে পারলে তা মূলধন গঠন বৃদ্ধি করবে।
উদ্দীপকে লক্ষণীয় যে, 'অ' দেশটির মানুষের আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় সঞ্চয়ের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ব্যাংকে নগদ জমার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন, সরকার দেশটিতে বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি করলে সখ্যিত অর্থ বিনিয়োগে পরিণত হবে। অর্থাৎ, জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশীয় কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হলে মূলধন গঠন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশ আরও উন্নতি লাভকরবে। আবার, 'অ' দেশটিতে ব্যাংক ঋণের ওপর সুদের হার কমানো ন হলে উদ্যোক্তারা বেশি ঋণ গ্রহণে আগ্রহী হবে। এতে দেশে বিনিয়োগ শবৃদ্ধি পাবে। এছাড়া, কারিগরি জ্ঞান বৃদ্ধির মাধ্যমে দক্ষ উদ্যোক্তা তৈরি • করা হলেও বিনিয়োগ বাড়বে।

সুতরাং বলা যায়, উপর্যুক্ত উপায়গুলো গ্রহণ করে সখ্যয়কে মূলধনে পরিণত করা যাবে।

151
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেসব মূলধন উৎপাদন কাজে বারবার ব্যবহার করা হলেও এদের কোনো ক্ষতি বা পরিবর্তন হয় না, তাকে স্থায়ী মূলধন বলা হয়।

331
উত্তরঃ

মূলধন হলো মানুষ কর্তৃক উৎপাদিত উৎপাদনের একমাত্র উপকরণ, যা উৎপাদন বা আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
মানুষের শ্রমে উৎপন্ন সম্পদের যে অংশ সরাসরি ভোগের জন্য ব্যবহৃত না হয়ে পুনরায় অধিকতর উৎপাদনের কাজে লাগে তাই হলো মূলধন। এ অর্থে কারখানা, যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল, গুদামঘর ইত্যাদি হলো মূলধন। কারণ এগুলো মনুষ্যসৃষ্ট এবং এগুলো সরাসরি ভোগ করা যায় না; তবে মানুষ তার বুদ্ধি খাটিয়ে ও পরিশ্রম করে এগুলোকে অধিক উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করতে পারে। প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদ মূলধন নয়; এটি তখনই মূলধনে রূপান্তরিত হবে যখন মানুষ চেষ্টা ও পরিশ্রম দ্বারা তাকে অধিক উৎপাদনের উপযোগী করে তুলবে।

321
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত তপনের পক্ষে তৃতীয় বছরের কাঙ্ক্ষিত মূলধন জোগাড় করা সম্ভব হবে, যদি সে তার সঞ্চয়পত্রের অর্থ ব্যবসায় বিনিয়োগ করে।
একজন সংগঠক তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য বিভিন্ন উৎস হতে তার কাঙ্ক্ষিত মূলধন সংগ্রহ করতে পারে। এ উৎসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ব্যক্তিগত সঞ্চয়, নিট মূলধন আয়, ব্যাংক ঋণ ইত্যাদি। যেমন ব্যক্তিগতভাবে সঞ্চিত অর্থকে বিনিয়োগের মাধ্যমে মূলধনী দ্রব্যে রূপান্তর করা যায়।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, তপন ছাত্রজীবনে সঞ্চিত ৩ লাখ টাকা থেকে ১ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কেনে এবং ২ লাখ টাকা দিয়ে হাঁস ও ভেড়ার খামার শুরু করে। ব্যবসা ভালো হওয়ায় সে তৃতীয় বছরে তার খামারের মূলধন ১৫ লাখ টাকায় উন্নীত করতে চায়। এক্ষেত্রে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, তৃতীয় বছর নিট মূলধন আয় হয় ৯ লাখ টাকা এবং ব্যাংক ঋণ পায় ৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ তার মোট মূলধনের পরিমাণ দাঁড়ায় (৯+৫) বা ১৪ লাখ টাকা। তাই কাঙ্ক্ষিত মূলধন ১৫ লাখ টাকার জন্য প্রয়োজন আরো ১ লাখ টাকা। যা সে তার সঞ্চয়পত্র ভাঙ্গিয়ে সংগ্রহ করতে পারে। উল্লেখ্য, তপনের ১ম বছরে ১ লাখ এবং ২য় বছরে ২ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র রয়েছে। কাজেই বলা যায়, উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী তপন তৃতীয় বছরে তার কাঙ্ক্ষিত মূলধন জোগাড় করতে পারবে।

229
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত সহায়তাসমূহ বলতে প্রশিক্ষণ প্রদান, জাতীয় সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক ঋণকে বোঝানো হয়েছে, যা মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধি তথা মূলধন গঠন নির্ভর করে বিনিয়োগের পরিবেশ ও পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহের সুযোগের ওপর। আবার, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবশক্তি উৎপাদন বৃদ্ধিতে অধিক ভূমিকা রাখে। এর ফলে বিনিয়োগকারী অধিক বিনিয়োগে আগ্রহী হয়। বাংলাদেশে অনেক যুবক আছে যারা উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে চায় কিন্তু যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাবে সেভাবে পারে না। সেক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারলে তাদের কাজগুলো আরও ফলপ্রসূ হবে। ফলে মূলধন গঠন বৃদ্ধি পাবে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, তপন লেখাপড়া শেষে যুব উন্নয়ন কেন্দ্র হতে প্রশিক্ষণ নিয়ে হাঁস ও ভেড়া পালনের একটি খামার শুরু করে। সে যেহেতু শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত, সেহেতু সে তার ব্যবসায় উত্তরোত্তর উন্নতি লাভ করে। অর্থাৎ, প্রতি বছর তার ব্যবসায় নিট মূলধন আয় বৃদ্ধি পায়। ফলশ্রুতিতে তার ব্যবসায় মোট মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে, তপন ১ম ও ২য় বছর যথাক্রমে ১ লাখ ও ২ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয় করে। যা ভাঙ্গিয়ে সে নির্দিষ্ট হারে সুদ পায়। এর ফলেও তার মূলধন বাড়ে। তাছাড়া, ব্যাংক ঋণও তপনের মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। উদ্দীপকে তপন তৃতীয় বছর তার ব্যবসার মূলধন ১৫ লাখ টাকায় উন্নীত করতে চায়। যার ৫ লাখ টাকা সে ব্যাংক ঋণ হিসেবে পেয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, উপরের উল্লিখিত সহায়তাগুলো তপনের মূলধনের পরিমাণ বৃদ্ধিতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছে।

278
উত্তরঃ

যেসব মূলধন উৎপাদন কাজে বারবার ব্যবহার করা হলেও এদের কোনো ক্ষতি বা পরিবর্তন হয় না তাকে স্থায়ী মূলধন বলা হয়।

289
উত্তরঃ

অর্থ মূলধন হতেও পারে, আবার নাও হতে পারে।
অর্থ হচ্ছে বিনিময়ের মাধ্যম, সঞ্চয়ের বাহন ও মূল্যের পরিমাপক। অন্যদিকে, মূলধন হচ্ছে উৎপাদনের উৎপাদিত উপাদান, যা পুনরায় উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, উৎপাদনের যেকোনো উপাদান, যা উৎপাদনে অবদান রাখে তা-ই মূলধন। সেই অর্থে, অর্থ যদি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় তবে তাকে মূলধন বলা যায়। এছাড়া উৎপাদনকে গতিশীল রাখতে অর্থের প্রয়োজন। এক্ষেত্রে অর্থ সরাসরি ভূমিকা রাখছে। তাই অর্থ এখানে মূলধন। ব্যবহারগত তারতম্যের কারণে এ অর্থকে আবার আমরা মূলধন বলতে পারি না। যে অর্থ সঞ্চয় করে রাখা হয় অথবা ভোগের জন্য ব্যয় করা হয়, সেই অর্থ মূলধন নয়। অতএব, অর্থ যদি মুনাফা অর্জনে বিনিয়োগ করা হয় তবে তা মূলধন হিসেবে গণ্য হবে।

600
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews