আইসোটোপ কাকে বলে? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ একই মৌলিক পদার্থের যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়, তাদের আইসোটোপ বলে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
197

Related Question

View All
উত্তরঃ

অবস্থান্তর মৌলসমূহের d-উপস্তরে বিজোড় ইলেকট্রন বিদ্যমান থাকার কারণে তারা প্যারাচৌম্বকীয় (paramagnetic) ধর্ম প্রদর্শন করে। অধিকাংশ অবস্থান্তর ধাতু এবং তাদের আয়নসমূহের d-উপস্তর আংশিকভাবে পূর্ণ থাকে, যার ফলে বিজোড় ইলেকট্রন থাকে।

এই বিজোড় ইলেকট্রনগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চুম্বকের মতো আচরণ করে এবং প্রতিটি ইলেকট্রনের একটি নির্দিষ্ট চৌম্বক ভ্রামক (magnetic moment) থাকে। যখন কোনো বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগ করা হয়, তখন এই বিজোড় ইলেকট্রনগুলোর চৌম্বক ভ্রামকগুলো চৌম্বক ক্ষেত্রের দিকে নিজেদের সারিবদ্ধ করে, যার ফলে পদার্থটি চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা দুর্বলভাবে আকৃষ্ট হয়। এই ধর্মই প্যারাচৌম্বকত্ব (paramagnetism) নামে পরিচিত।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
187
উত্তরঃ

উদ্দীপকের A পাত্রে চিনি (সুক্রোজ, \(C_{12}H_{22}O_{11}\)) দ্রবণ এবং B পাত্রে অ্যাসিটিক অ্যাসিড (\(CH_3COOH\)) দ্রবণ রয়েছে। A পাত্রের চিনি হতে B পাত্রের অ্যাসিটিক অ্যাসিড তৈরির প্রক্রিয়াটি দুটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়: অ্যালকোহলীয় গাঁজন (alcoholic fermentation) এবং অ্যাসিটিক অ্যাসিড গাঁজন (acetic acid fermentation)।

প্রথম ধাপে, প্রথমে চিনির দ্রবণকে আর্দ্র বিশ্লেষণ করে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজে পরিণত করা হয়। এটি ইনভারটেজ (invertase) এনজাইমের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়। এরপর এই গ্লুকোজ বা ফ্রুকটোজকে জাইমেজ (zymase) এনজাইমের সাহায্যে ইস্ট (yeast) দ্বারা অ্যালকোহলীয় গাঁজন করা হয়, ফলে ইথানল উৎপন্ন হয়। এই ধাপের বিক্রিয়াগুলো নিচে দেওয়া হলো:

    \(C_{12}H_{22}O_{11} + H_2O \xrightarrow{\text{ইনভারটেজ}} C_6H_{12}O_6 (\text{গ্লুকোজ}) + C_6H_{12}O_6 (\text{ফ্রুকটোজ})\)
    \(C_6H_{12}O_6 \xrightarrow{\text{জাইমেজ}} 2C_2H_5OH (\text{ইথানল}) + 2CO_2 (\text{কার্বন ডাইঅক্সাইড})\)

দ্বিতীয় ধাপে, উৎপন্ন ইথানলকে অ্যাসিটোব্যাকটার অ্যাসিটি (Acetobacter aceti) ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতিতে বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা জারিত করা হয়। এই জারণের ফলে ইথানল অ্যাসিটিক অ্যাসিডে পরিণত হয়, যা মূলত ভিনেগার বা B পাত্রের যৌগ। এই ধাপের বিক্রিয়াটি নিচে দেওয়া হলো:

    \(C_2H_5OH (\text{ইথানল}) + O_2 \xrightarrow{\text{অ্যাসিটোব্যাকটার অ্যাসিটি}} CH_3COOH (\text{অ্যাসিটিক অ্যাসিড}) + H_2O (\text{পানি})\)

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
130
উত্তরঃ

খাদ্য সংরক্ষণ মানবজাতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া যা খাদ্যের পচন রোধ করে এবং খাদ্যের পুষ্টিগুণ ও স্বাদ বজায় রাখে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক পদ্ধতিতে খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়। উদ্দীপকে A ও B পাত্রে খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত দুটি ভিন্ন রাসায়নিক যৌগকে নির্দেশ করা হয়েছে, যা দুটি ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে খাদ্যদ্রব্যকে পচনের হাত থেকে রক্ষা করে।

A পাত্রে চিনির দ্রবণ (Sugar solution) রয়েছে। চিনি একটি ঐতিহ্যবাহী খাদ্য সংরক্ষক যা অভিস্রবণ প্রক্রিয়া (osmosis) দ্বারা অণুজীবের বৃদ্ধি রোধ করে। যখন খাদ্যদ্রব্য উচ্চ ঘনত্বের চিনির দ্রবণে রাখা হয়, তখন খাদ্যের পৃষ্ঠে এবং অণুজীবের অভ্যন্তরে থাকা পানির মধ্যে অভিস্রবণ চাপ (osmotic pressure) তৈরি হয়। এর ফলে অণুজীবের কোষ থেকে পানি অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় বাইরে বেরিয়ে আসে। অণুজীব পানিশূন্য (dehydrated) হয়ে কার্যক্ষমতা হারায় বা মারা যায়, যা খাদ্য পচনে বাধা দেয়। এটি প্রধানত ফল, জ্যাম, জেলি, মোরব্বা ইত্যাদি সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, B পাত্রে 6-10% CH₃COOH বা অ্যাসিটিক অ্যাসিডের দ্রবণ রয়েছে, যা সাধারণত ভিনেগার (Vinegar) নামে পরিচিত। অ্যাসিটিক অ্যাসিড একটি দুর্বল জৈব অ্যাসিড। এর অম্লীয় প্রকৃতি (acidic environment) অণুজীব, যেমন ব্যাকটেরিয়া (bacteria), ইষ্ট (yeast) এবং ছত্রাকের (fungi) বৃদ্ধিকে কার্যকরভাবে বাধা দেয়। বেশিরভাগ পচন সৃষ্টিকারী অণুজীব অম্লীয় পরিবেশে (pH ৪.৬ এর নিচে) বাঁচতে বা বংশবৃদ্ধি করতে পারে না কারণ তাদের এনজাইম (enzymes) কার্যকলাপের জন্য একটি নির্দিষ্ট pH প্রয়োজন হয়। অ্যাসিটিক অ্যাসিড অণুজীবের প্রোটিনকে বিকৃত করে এবং তাদের বিপাকীয় প্রক্রিয়া ব্যাহত করে, যা খাদ্য পচনে বাধা দেয়। আচার, সস, কেচাপ, সালাদ ড্রেসিং ইত্যাদি সংরক্ষণে ভিনেগার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

তুলনামূলকভাবে, চিনির দ্রবণ এবং অ্যাসিটিক অ্যাসিড উভয়ই খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হলেও তাদের কার্যপ্রণালী ভিন্ন। চিনি অভিস্রবণ প্রক্রিয়া ব্যবহার করে অণুজীবের পানিশূন্যতা ঘটায়, যা খাদ্যের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়। অন্যদিকে, অ্যাসিটিক অ্যাসিড অম্লীয় পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে অণুজীবের বৃদ্ধিকে সরাসরি প্রতিরোধ করে। চিনির দ্রবণ মিষ্টিজাতীয় খাবার সংরক্ষণে উপযোগী, যা খাদ্যে মিষ্টি স্বাদ যোগ করে। অ্যাসিটিক অ্যাসিড মূলত টকজাতীয় বা মশলাদার খাবার সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয় এবং খাদ্যে টক স্বাদ প্রদান করে। উভয় পদ্ধতিই খাদ্যের নিরাপত্তা ও শেলফ লাইফ (shelf life) বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে খাদ্যের প্রকৃতি ও কাঙ্ক্ষিত স্বাদের উপর নির্ভর করে এদের ব্যবহার ভিন্ন হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
169
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews