আটলান্টিক চার্টার বলতে কী বোঝায়? (অনুধাবন)

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪১ সালে যখন হিটলার সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং জাপান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পার্লহারবার আক্রমণ করে তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী চার্চিল আটলান্টিক মহাসাগরে যুদ্ধ জাহাজে এক গোপন বৈঠকে মিলিত হন। উভয় নেতা একটি সনদে স্বাক্ষর করেন, যা ইতিহাসে আর্টলান্টিক সনদ বা আটলান্টিক চার্টার নামে পরিচিত। যুদ্ধসংক্রান্ত বিষয়ে বৈঠক হলেও যুদ্ধ বন্ধ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পায়, যা পরবর্তী পর্যায়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
74

United Nations and World Peace

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গের অন্যতম জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বা United Nations Security Council (UNSC)। নিরাপত্তা পরিষদ ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত; এর মধ্যে স্থায়ী সদস্য ৫টি এবং অস্থায়ী সদস্য ১০টি দেশ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ী সদস্য।নিরাপত্তা পরিষদের ৫টি স্থায়ী সদস্য যেকোনো সিদ্ধান্তে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, কিন্তু বিতর্ক প্রতিরোধ বা শেষ করতে পারে না। এছাড়াও ১০টি অস্থায়ী সদস্য আছে, যারা নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। নিরাপত্তা পরিষদের কাজ জাতিসংঘ সনদ দ্বারা সংজ্ঞায়িত। কোনো আন্তর্জাতিক শান্তির হুমকি পরিস্থিতির তদন্ত, বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পদ্ধতির সুপারিশ, সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি সমুদ্র, বাতাস,

ডাক ও রেডিও যোগাযোগ ছিন্ন করা, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা, এমনকি সামরিক আক্রমণের ক্ষমতাও রাখে। নিরাপত্তা পরিষদ সাধারণ পরিষদের নতুন মহাসচিব এবং নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করে থাকে। নিরাপত্তা পরিষদ ঐতিহ্যগতভাবে কেবল সামরিক নিরাপত্তার বিষয়টি দেখে।

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম শত্রুভাবাপন্ন দেশ-অঞ্চল-জাতি-সম্প্রদায়ের মধ্যকার বিরোধ নিয়ন্ত্রণ ও সমাধান করতে জাতিসংঘের অধীনে বহুজাতিক কূটনৈতিক ও সামরিক বাহিনীর ব্যবহারকে প্রচলিত অর্থে শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বলা হয়ে থাকে। জাতিসংঘ পরিচালিত কার্যক্রমসমূহের মধ্যে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমই বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে প্রশংসিত হয়েছে। জাতিসংঘের দুই ধরনের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম রয়েছে- পর্যবেক্ষক দল ও শান্তিরক্ষা বাহিনী। এর মধ্যে পর্যবেক্ষকগণ সশস্ত্র থাকেন না। তারা বিবদমান গ্রুপ, গোষ্ঠী, জাতি, অঞ্চলের মধ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় বিবাদ নিরসন ও শান্তি স্থাপন তদারক করেন। অন্যদিকে শান্তিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা শুধু আত্মরক্ষার কাজে হালকা অস্ত্র ব্যবহার করেন। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের প্রতীক হলো নীল শিরস্ত্রাণ।

শান্তিরক্ষা কার্যক্রম সাধারণত নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়ে থাকে। জাতিসংঘের মহাসচিব এ কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। এখানে উল্লেখ্য যে, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না; শুধু সংকটকালে শাস্তি স্থাপনের কাজ করে। বহুল প্রশংসিত এ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হওয়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক স্বীকৃতি ও সাফল্য অর্জন করে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভবিষ্যৎ যুদ্ধ পরিহারের উদ্দেশ্যে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভার্সাই সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। এ সন্ধির অঙ্গ হিসেবে একটি মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে জাতিপুঞ্জ আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে প্রথমে আন্তর্জাতিক এ সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, বৃহৎ রাষ্ট্রের দ্বন্দ্বের কারণে তা ফলপ্রসূ হয়নি। লীগ অকার্যকর থাকায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ বিভীষিকা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষকে বেশি মাত্রায় উদ্বিগ্ন করে তোলে। যুদ্ধকালীন রণকৌশল নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে মারাত্মক যুদ্ধের হাত থেকে বিশ্বকেমুক্ত রাখার লক্ষ্যে বৃহৎ শক্তিগুলো কূটনৈতিক পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রাখে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন তৈরির লক্ষ্যে অগ্রণী ভূমিকা নেন। তাদের ঐকান্তিক ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় জাতিসংঘের ভিত রচিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রায় সাত দশক নানা সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়ে জাতিসংঘ টিকে আছে। আন্তর্জাতিক ইতিহাস খুব দ্রুত পটপরিবর্তন করে। ইতিহাসের পথপরিক্রমায় জাতিসংঘের কার্যক্রম কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিষ্ফল হলেও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এর উদ্যোগ ও অবদান অস্বীকার করা যায় না। জাতিসংঘের গঠনপ্রক্রিয়ার ইতিহাস ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এর অবদান সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা থাকা উচিত। কেননা, ঐতিহ্যবাহী এ সংগঠন সৃষ্টির ইতিহাসে ক্ষুদ্র বাংলাদেশের ভূমিকা না থাকলেও বর্তমানে জাতিসংঘের অধীনে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের বিস্ময়কর অবদান আছে।

জাতিসংঘ এবং বিশ্বশান্তি মোঃ গোলাম মোস্তফা স্যারে এর লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯৪৭ সালের ৫ জুন মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জর্জ সি. মার্শাল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউরোপের অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন সম্পর্কে মার্কিন নীতি ব্যাখ্যা করেন। মার্শালের এ নীতি ক্ষুধা, দারিদ্রদ্র্য, হতাশা ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে কোনো দেশ বা মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। তিনি বলেন, ইউরোপকে অর্থনৈতিক দিক থেকে স্বাবলম্বী করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করবে। মার্শালের এ পুনরুজ্জীবনের পরিকল্পনা বিশ্ব ইতিহাসে 'মার্শাল পরিকল্পনা' নামে অভিহিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
241
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত সংগঠনটির সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের যে আন্তর্জাতিক সংগঠনের সাদৃশ্য রয়েছে তা হলো জাতিসংঘ।

বিশ্ব ইতিহাসে এক দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার আশার আলো প্রজ্বলিত করে জাতিসংঘ জন্মলাভ করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি রক্ষা ও আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির জন্য ১৯১৯ সালে লীগ অব নেশনস গঠিত হয়। কিন্তু ১৯৩৮ সালের মধ্যেই লীগের রাজনৈতিক অস্তিত্ব এক প্রকার বিলুপ্ত হয়ে যায়। একদিকে জাপান, ইতালি ও জার্মানির আক্রমণাত্মক কার্যকলাপ এবং অপরদিকে যৌথ নিরাপত্তার দায়বদ্ধতা পালনে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের ব্যর্থতা, যুক্তরাষ্ট্রর বিচ্ছিন্ন থাকার নীতি এবং সোভিয়েত রাশিয়ার আন্তর্জাতিক সংগঠন থেকে বাইরে থাকার নীতি প্রভৃতি কারণে লীগের সমাধি হয়। ১৯৩৯ সালের মধ্যে বৃহৎ শক্তিবর্গ বিভিন্ন জোট গঠন করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। স্বাভাবিকভাবেই এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অধিকতর ধ্বংসলীলা প্রত্যক্ষ করে মানুষ আরও বেশি শঙ্কিত হয়ে ওঠে এবং ভবিষ্যৎ শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চিন্তান্বিত হয়ে পড়ে। ফলে বিশ্ববাসী একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভব করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যেই মিত্রশক্তির নেতারা একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গঠনের কথা ভাবতে থাকেন। তারা ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইয়াল্টায় অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের গঠন ও তার ভোটদান পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন। এ আলোচনার ভিত্তিতে ১৯৪৫ সালের ২৫ এপ্রিল আমেরিকার সানফ্রান্সিসকো শহরে এক বিশ্ব সম্মেলনে জাতিসংঘের সনদ উত্থাপিত হয়। পরিশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর ৫১টি দেশ জাতিসংঘের সনদ স্বাক্ষর করে এবং এ চার্টার স্বাক্ষরিত হওয়ার সাথে সাথে জাতিসংঘ কার্যকরী রূপ লাভ করে। উদ্দীপকে এমন ঘটনারই ইঙ্গিত রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
126
উত্তরঃ

বাংলাদেশের স্বীকৃতি প্রদানে উক্ত সংগঠনটির অর্থাৎ জাতিসংঘের ভূমিকা ছিল নীরব বা নেতিবাচক।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ছাড়া কোনো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় না। এজন্য মুজিবনগর সরকার তার ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণাকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায়ের জন্য তৎপর হয়। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের এই স্বীকৃতির দাবি অযৌক্তিক ছিল না। কেননা, একটি নতুন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য যেসব শর্ত পূরণ করা প্রয়োজন, তার সবই বাংলাদেশ পূরণ করেছিল। তবে বাংলাদেশের স্বীকৃতি প্রসঙ্গে জাতিসংঘ কার্যকর কোনো ভূমিকা নিতে পারেনি। বাংলাদেশের জনগণকে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সশস্ত্র যুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমেই তার স্বীকৃতি আদায় করে নিতে হয়েছিল। বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের সামনে যে সমস্যাটি ছিল তা - হলো এর সনদের ২/৭ ধারা। এই ধারায় কোনো রাষ্ট্রের জনগণের মানবাধিকার বা আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও রাষ্ট্রীয় অখন্ডতার নীতির মধ্যে সীমারেখা নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এই দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মুসলিম দেশগুলোর পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় অখন্ডতার প্রশ্নে বাংলাদেশের স্বীকৃতির বিরোধিতা করে। অন্যদিকে, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ভারত, পোল্যান্ড ইত্যাদি রাষ্ট্র পাকিস্তানি বর্বরতা ও গণহত্যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের পক্ষে অবস্থান নেয়। কিন্তু জাতিসংঘ রাষ্ট্রীয় অখন্ডতার যুক্তির প্রশ্নে বিজয় অর্জনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদসা হিসেবে যোগদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
106
উত্তরঃ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪১ সালে যখন হিটলার সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং জাপান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পার্ল হারবার আক্রমণ করে তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট এবং ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী চার্চিল আটলান্টিক মহাসাগরে যুদ্ধ জাহাজে এক গোপন বৈঠকে মিলিত হন। উভয় নেতা একটি সনদে স্বাক্ষর করেন, যা ইতিহাসে আর্টলান্টিক সনদ বা আটলান্টিক চার্টার নামে পরিচিত। যুদ্ধ সংক্রান্ত বিষয়ে বৈঠক হলেও যুদ্ধ বন্ধ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পায়, যা পরবর্তী পর্যায়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
140
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews