নিজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত ব্যবসায় বা পেশায় নিয়োজিত থেকে অর্থ উপার্জন করাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে।
বর্তমান বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অত্যন্ত হতাশাজনক। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে কর্মসংস্থানের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে না। বেকার সমস্যার সমাধানে আত্মকর্মসংস্থান দিন দিন বেড়ে চলেছে। তাই জীবিকা অর্জনের জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজের প্রচেষ্টায় জীবিকা অর্জন করাই হলো আত্মকর্মসংস্থান।
বলা হয় মানুষ পরিবেশের দাস। জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি পরিবেশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মানুষকে চালিত করে । আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তা নিয়ে আমাদের পরিবেশ। অপরদিকে ব্যবসায় পরিবেশ সামগ্রিক পরিবেশের একটি অংশ, যা শুধু ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগে ব্যবসায়ের সাফল্য অর্জন সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে ব্যবসায়ের পরিবেশের উপর। যেসব পারিপার্শ্বিক উপাদান ব্যবসায়কে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করে তার সমষ্টিকে ব্যবসায়ের পরিবেশ বলে। পরিবেশের উপাদানগুলো ব্যবসায়ের কার্যাবলিকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা জানতে পারব—
- ব্যবসায় পরিবেশের ধারণা।
- ব্যবসায় পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান।
- ব্যবসায়ের উপর পরিবেশের উপাদানগুলোর প্রভাব ।
- ব্যবসায় পরিবেশের উপাদানগুলোর মধ্যে কোনগুলো বাংলাদেশে অনুকূল বা প্রতিকূল তা চিহ্নিতকরণ।
- বাংলাদেশে ব্যবসায় পরিবেশ উন্নয়নের সমস্যা ।
- বাংলাদেশে ব্যবসায়ের পরিবেশ উন্নয়নের পথে বিদ্যমান সমস্যাগুলো দূর করার উপায় চিহ্নিতকরণ ।
সূত্র: ক্যামব্রিয়ান পাবলিকেশন্স
Related Question
View Allসঞ্চয় ও বিনিয়োগ অর্থনীতিক পরিবেশের উপাদান
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!