সুকান্ত ভট্টাচার্য মাত্র একুশ বছর বয়সে মারা যান
কবি উত্ত পঙক্তিটির মাধ্যমে প্রত্যাশা করেছেন, আঠারো বছর বয়সের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে।
আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। এ বয়সের তরুণরা জড়-নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবন পিছনে ফেলে সবসময় নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন দেখে। কল্যাণচিন্তা, সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতি- এসবই আঠারো বছর বয়সি তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য। কবির কামনা এসব বৈশিষ্ট্য দিয়েই যেন তরুণরা জাতীয় জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটায়।-
উদ্দীপকে তারুণ্যের বিভিন্ন ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে, যা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বিষয়বস্তুর সজো সাদৃশ্যপূর্ণ।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সি তরুণদের বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। এ কবিতায় তিনি তরুণদের বিভিন্ন ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এ বয়সে তরুণরা প্রবল আবেগ ও উচ্ছ্বাসে ঝুঁকি নিতে পারে। তারা দুঃসাহসে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে।
উদ্দীপকে তারুণ্যের সম্ভাবনা ও শক্তি সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। এখানে তরুণদের বিভিন্ন উপমায় উদ্ভাসিত করা হয়েছে। আঠারো বছর বয়সে তরুণেরা সব জড়তা পিছনে ফেলে দুঃসাহস আর প্রাণচাঞ্চল্য নিয়ে এগিয়ে চলে। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাতেও কবি তারুণ্যের এসব বৈশিষ্ট্যের কথা উপস্থাপন করেছেন। আঠারো বছর বয়সি তরুণদের নিয়ে কবির এই অনুভব উদ্দীপকের বক্তব্যের সমান্তরাল। সেদিক বিবেচনায় বলা যায়, উদ্দীপকে প্রকাশিত তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যগুলো 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাথে বিষয়বস্তুগত দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
আঠারো বছর বয়সে তারুণ্যের বাধাহীন স্বতঃস্ফূর্ত চলার দিকটি উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি তরুণদের অমিত সম্ভাবনার দিকটি তুলে ধরেছেন। কবি মনে করেন, কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণ করার এ বয়স অদম্য দুঃসাহসে সব বাধাবিপত্তি পেরিয়ে যাওয়ার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য সদা প্রস্তুত। তারুণ্যের এই শক্তি ও সম্ভাবনার কারণেই এর জয়গান গেয়েছেন কবি।
উদ্দীপকটি তারুণ্যের প্রশস্তি উপজীব্য করে রচিত হয়েছে। এখানে লেখক মনে করেন, তরুণদের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। তারা মাথা না নোয়ানোর শপথ নিয়ে সামনের পথে এগিয়ে যায় দুর্বার গতিতে। তরুণদের শক্তি, গতি, তেজসহ নানা বৈশিষ্ট্য লক্ষ করে তিনি একে তারুণ্যের অন্যতম দিক বলে অভিহিত করেছেন। এসব বৈশিষ্ট্য তাদের করে তুলেছে অনন্য।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় জড়, নিশ্চল ও প্রথাবদ্ধ জীবন পিছনে ফেলে সামনের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তরুণদের এগিয়ে চলার কথা বলা হয়েছে। কল্যাণ, সেবাব্রত, উদ্দীপনা ও সাহসিকতা এ বয়সের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। এসব বৈশিষ্ট্য প্রত্যক্ষ করেই আলোচ্য কবিতায় জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হিসেবে তারুণ্যকে প্রত্যাশা করেছেন কবি। উদ্দীপকেও তারুণ্যের শক্তি, সাহস, তেজ, সম্ভাবনা, সাধনা, ঔদার্যসহ নানা দিকের বর্ণনা করা হয়েছে। তাই বলা যায়, তরুণদের মাঝে যৌবনের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ উদ্দীপক ও আলোচ্য কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!