আধুনিক রাষ্ট্রে আইনের প্রধান উৎস কী? ব্যাখ্যা কর। (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন)

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

আধুনিক রাষ্ট্রে আইনের প্রধান উৎস হলো আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন (Legislation/Statutes)

আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতে আইনের প্রধান উৎস হলো আইনসভা, যা সংসদ বা জাতীয় সংসদ নামেও পরিচিত। আইনসভায় জননির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের পক্ষে আইন প্রণয়ন, সংশোধন ও বাতিল করে থাকে। এই আইনগুলো সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে লিখিত আকারে প্রকাশ করা হয় এবং রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক হয়। আধুনিক সমাজের জটিলতা ও দ্রুত পরিবর্তনশীলতার কারণে প্রথা বা বিচার বিভাগীয় রায় অপেক্ষা আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইনই বেশি কার্যকর ও উপযোগী বলে বিবেচিত হয়।

যদিও প্রথা, ধর্ম, বিচারকের রায় (নজির), ন্যায়নীতি এবং আইন বিজ্ঞানীদের গ্রন্থাবলিও আইনের উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে আধুনিক রাষ্ট্রে এগুলোর ভূমিকা গৌণ। আইনসভা প্রণীত আইনই রাষ্ট্রের সার্বভৌমিক ক্ষমতার মূল প্রকাশ এবং এটি অন্যান্য উৎসের উপর প্রাধান্য বিস্তার করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
34

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চে সংঘটিত ভয়াবহ গণহত্যার স্মরণে এই দিনটিকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।


১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র বাঙালির ওপর যে বর্বরোচিত ও সুপরিকল্পিত গণহত্যা চালিয়েছিল, তাকে স্মরণ করার জন্য ২৫শে মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এই রাতে "অপারেশন সার্চলাইট" নামক সামরিক অভিযানের নামে পাকিস্তানি সৈন্যরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে হাজার হাজার নিরীহ বাঙালিকে হত্যা করে। এটি ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসের এক কলঙ্কময় অধ্যায় এবং মুক্তিযুদ্ধের সূচনাপর্বের একটি ভয়াবহ ঘটনা। ২০১৭ সালের ১১ই মার্চ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সর্বসম্মতিক্রমে ২৫শে মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব গ্রহণ করে এবং তখন থেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এই দিবসের প্রধান উদ্দেশ্য হলো গণহত্যার শিকার শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং ১৯৭১ সালের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় করা।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
56
উত্তরঃ একটি দেশের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত কেন্দ্রীয় দ্রাঘিমা রেখার স্থানীয় সময়কে সেই দেশের প্রমাণ সময় বলে।

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে দ্রাঘিমা রেখার পার্থক্যের কারণে স্থানীয় সময়ের ভিন্নতা দেখা যায়। এই ভিন্নতার কারণে যোগাযোগ, পরিবহন ও অন্যান্য দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। এই জটিলতা দূর করার জন্য প্রতিটি দেশ তাদের ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট দ্রাঘিমা রেখাকে কেন্দ্রীয় দ্রাঘিমা রেখা হিসেবে নির্বাচন করে এবং এর স্থানীয় সময়কে সারা দেশের জন্য প্রমাণ সময় হিসেবে গ্রহণ করে। এর ফলে একই দেশের মধ্যে সময়ের এককীকরণ হয় এবং সকল কার্যক্রম সুচারুরূপে সম্পন্ন করা যায়। বাংলাদেশে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার স্থানীয় সময়কে প্রমাণ সময় হিসেবে ধরা হয়, যা গ্রিনিচের প্রমাণ সময় থেকে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
36
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews