আবদুর রহমান সাহেব একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি যথাসময়ে অফিসে আসেন এবং ছুটির আগে অফিস ত্যাগ করেন না। তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে যথাযথভাবে পালন করেন। পিতার মৃত্যুর পর রহমান সাহেব পরিবারের হাল ধরেন। তিনি ছোট ভাইবোনদের দেখাশুনা, লেখাপড়া এবং বিবাহের ব্যবস্থা করেন।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

ইসলামের আদর্শ ও বিধিবিধানের ভিত্তিতে যে পরিবার গড়ে ওঠে ও পরিচালিত হয় তাকে ইসলামি পরিবার বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নারীর প্রতি সম্মানবোধ বলতে বোঝায়, আল্লাহ তায়ালা নারীদেরকে যে সম্মান ও মর্যাদা দিয়েছেন, তাদের সাথে সেভাবে আচরণ করা। নারী-পুরুষ সবাই এক আল্লাহর সৃষ্টি, একই আদি পিতামাতার সন্তান। তাই ইসলামে নারী ও পুরুষের মধ্যে সম্মান বা মর্যাদাগত কোনো পার্থক্য নেই। নারীর প্রতি ভালো মনোভাব পোষণ করা, তাদের সাথে সুন্দর ভাষায় কথা বলা, তাদেরকে সাহায্য- সহযোগিতা করা এবং কুরআন-সুন্নাহর বিধান অনুযায়ী তাদের অধিকারসমূহ যথাযথভাবে আদায় করাই নারীর প্রতি সম্মানবোধের মূলকথা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সরকারি কর্মকর্তা আবদুর রহমান সাহেবের আচরণে কর্তব্যপরায়ণতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কর্তব্য অর্থ অবশ্যকরণীয় দায়িত্ব। যেসব দায়িত্ব পালন করা আমাদের জন্য অপরিহার্য তাকে কর্তব্য বলে। আর নিষ্ঠার সাথে যথাযথভাবে কর্তব্য পালন করাকে বলা হয় কর্তব্যপরায়ণতা। রহমান সাহেব তার কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করেন। তার মধ্যে কর্তব্যপরায়ণতার বিষয়টি ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকের সরকারি কর্মকর্তা আবদুর রহমান সাহেব যথাসময়ে অফিসে আসেন এবং ছুটির আগে অফিস ত্যাগ করেন না। তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে যথাযথভাবে পালন করেন। অর্থাৎ রহমান সাহেবের আচরণে কর্তব্যপরায়ণতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। দৈনন্দিন জীবনে আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় বিভিন্ন কর্তব্য রয়েছে। এসব কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করা আবশ্যক। কর্তব্যে অবহেলা করা ঠিক নয়। এর জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। এ প্রসঙ্গে রাসুল (স) বলেন, 'সাবধান! তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে' (সহিহ মুসলিম)।

পরিশেষে বলা যায়, সরকারি কর্মকর্তা রহমান সাহেব তার কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন। নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে যথাযথভাবে পালন করার মাধ্যমে তার কর্তব্যপরায়ণতার প্রকাশ ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

পিতার মৃত্যুর পর রহমান সাহেব তার ভাইবোনদের প্রতি অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেন। ইসলামি পরিবারে বড় ভাইবোনদের কর্তব্য হলো ছোটদের স্নেহ করা, তাদের খোঁজখবর নেওয়া, যত্ন ও পরিচর্যা করা। পিতার অবর্তমানে অসহায় ছোট ভাইবোনের দায়িত্ব নেওয়া সক্ষম ও সচ্ছল বড় ভাইবোনদের অবশ্যকর্তব্য। ছোট ভাইবোনদের লেখাপড়া, চাকরি, বিবাহ প্রভৃতি কাজ সম্পাদন করা বড়দের কর্তব্য। ভাইবোন সবসময় পারস্পরিক কল্যাণ কামনা করবে, একে অন্যের বিপদে সাহায্য-সহযোগিতা করবে। তাদের অধিকার ও কর্তব্যের ব্যাপারে সচেতন থাকবে। রহমান সাহেব যেমন তার ভাইবোনদের অধিকার সঠিকভাবে আদায় করেছেন।

উদ্দীপকের রহমান সাহেব তার পিতার মৃত্যুর পর পরিবারের হাল ধরেন। তিনি ছোট ভাইবোনদের দেখাশুনা, লেখাপড়া ও বিবাহের ব্যবস্থা করেন। তার এ ধরনের আচরণের মাধ্যমে একজন বড় ভাই হিসেবে ছোট ভাইবোনদের প্রতি কর্তব্য পালন ও তাদের অধিকার আদায়ের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। ইসলামি পরিবারে পিতার অবর্তমানে বড় ভাইকে অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করতে হয়, যা আবদুর রহমান সাহেব যথাযথভাবে পালন করেছেন।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আবদুর রহমান সাহেবের ছোট ভাইবোনদের অধিকার আদায় ও তাদের প্রতি কর্তব্য পালনের বিষয়টি ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত যৌক্তিক এবং প্রশংসনীয়। প্রত্যেক পিতৃহীন পরিবারের বড়রা যদি তার মতো দায়িত্ব পালন করে, তাহলে দেশের প্রতিটি পরিবারে সুখ-শান্তি ও সম্প্রীতি বিরাজ করবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
220

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইসলামি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও কর্তব্যপরায়ণতা বজায় থাকায় সেখানে সুখ-শান্তি বিরাজ করে। ইসলামের আদর্শ ও মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে ইসলামি পরিবার গড়ে উঠে। এ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা-স্নেহ, মায়া-মমতা ও ভালোবাসা বজায় থাকে। ইসলামি পরিবারে স্বামী-স্ত্রী, পিতামাতা, সন্তান এবং ভাইবোন প্রত্যেকেই নিজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকে। ইসলামি শরিয়তের আলোকে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। এসব কারণে ইসলামি পরিবারে শান্তি বজায় থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
806
উত্তরঃ

ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের আচরণে পিতামাতার প্রতি কর্তব্য পালনের বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে। ইসলামি পরিবারে মাতাপিতার প্রতি সন্তানকে অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। মাতাপিতার জীবদ্দশায় তাদের প্রতি সন্তানের কর্তব্যসমূহ হলো- তাদের সাথে সদাচরণ করা, তাদের অবাধ্য না হওয়া, অসুস্থ হলে তাদের সেবাযত্ন ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা ইত্যাদি। পিতামাতার মৃত্যুর পর সন্তানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য হলো তাদের দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা, ওয়াসিয়ত পূর্ণ করা, ঋণ পরিশোধ করা এবং তাদের জন্য দোয়া ও ইসতিগফার করা ইত্যাদি। ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের আচরণে মাতাপিতার প্রতি এসব কর্তব্যে অবহেলার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

উদ্দীপকের ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষা অর্জন করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পরিবার নিয়ে আলাদা বসবাস করে। তারা ফরহাদ সাহেবের কোনো খোঁজখবর রাখে না। তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সন্তানরা তার কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এমনকি তার মৃত্যুর সংবাদ তাদেরকে জানালে তারা ব্যস্ততার কথা বলে বাবার লাশ 'আনজুমানে মুফিদুল ইসলাম'কে দিয়ে দিতে বলে। তাদের এ ধরনের আচরণে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, তারা তাদের পিতার প্রতি সঠিকভাবে কর্তব্য পালন করেনি। অথচ মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য পালন করতে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং বলা যায়, ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য পালনে অবহেলা করে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
324
উত্তরঃ

ইসলাম শিক্ষার অভাব ফরহাদ সাহেবের সন্তানদের পিতামাতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলার জন্য দায়ী। পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। যেমন- পিতামাতা, ভাইবোন, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর প্রতি মানুষের বিশেষ কর্তব্য রয়েছে। ইসলাম শিক্ষা একজন ব্যক্তিকে এসব দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন ও নিষ্ঠাবান করে তোলে। এসব কর্তব্য পালনে অবহেলার পরিণতি সম্পর্কেও সতর্ক করে। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় প্রত্যেক ব্যক্তিকে - তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে - হবে। যারা ইসলামের সঠিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয় তারা - নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে উদাসীন থাকে। ইসলাম শিক্ষার অভাবে তারা পিতামাতা, পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্বহীন হয়ে উঠে, যেমনটি ফরহাদ সাহেবের  সন্তানদের ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।

উদ্দীপকের ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পরিবার নিয়ে আলাদা বসবাস করে। তারা তাদের পিতার প্রতি কোনো কর্তব্য পালন করে না। ফরহাদ সাহেব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও সন্তানরা তার কোনো খোঁজখবর নেয়নি। এমনকি তার মৃত্যুর সংবাদ সন্তানদের জানালে তারা ব্যস্ততার কথা বলে বাবার লাশ 'আনজুমানে মুফিদুল ইসলাম'কে দিয়ে দিতে বলে। তাদের এ ধরনের আচরণে পিতার প্রতি কর্তব্যে অবহেলা বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। আর এর মূল কারণ হলো ইসলাম শিক্ষার অভাব। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, ইসলামের সঠিক শিক্ষা একজন ব্যক্তিকে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন করে তোলে। ফরহাদ সাহেবের সন্তানরা ইসলাম শিক্ষার অভাবে তাদের পিতার প্রতি কর্তব্য পালনে অবহেলা করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
294
উত্তরঃ

ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
546
উত্তরঃ

ইসলামি পরিবারব্যবস্থায় মোহরানার গুরুত্ব অপরিসীম। মোহরানা মুসলিম স্ত্রীর ন্যায়সংগত ও আল্লাহ প্রদত্ত অধিকার। ইসলামি বিবাহরীতিতে স্বামীর প্রথম কর্তব্য হলো স্ত্রীর মোহরানা আদায় করা। স্বামী নিজের সামর্থ্য ও স্ত্রীর যোগ্যতা অনুযায়ী মোহরানা নির্ধারণ করবে এবং খুশি মনে তা পরিশোধ করবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন- 'তোমরা সন্তুষ্টচিত্তে স্ত্রীদের মোহরানা আদায় করো' (সুরা আন-নিসা: ৪)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
436
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews