'আমাদের সমাজে এখনও নারীরা তাদের যোগ্য সম্মান ও অধিকার থেকে বঞ্চিত।'- 'নিমগাছ' গল্প ও উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি যথার্থ।
'সংসারের সার্বিক উন্নয়নে একজন পুরুষের পাশাপাশি নারীরও রয়েছে সমান অবদান। তার কাজের হয়তো হিসাব থাকে না, কিন্তু তার ক্লান্তিহীন ও বিরতিহীন কাজের যদি হিসাব রাখা হতো তবে দেখা যেত পুরুষের তুলনায় তার কাজের পরিমাণ অনেক বেশি। অথচ তাদের কাজের কোনো মূল্যায়ন করা হয় না।
উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রাণ পুড়িয়ে আলো প্রদানের বিষয়টির মাধ্যমে উদ্দীপকের কবি সূর্যকে বুঝিয়েছেন। সূর্য নিজেকে পুড়িয়ে আলো দানের মাধ্যমে অন্ধকার দূর করে পৃথিবীকে আলোকিত করে। কিন্তু সূর্য যেমন দিনের শুরুতে উদিত হয় তেমনই দিনের শেষে অস্তমিতও হয়ে যায়। তার দহন জ্বালা কেউ অনুধাবন করে না। অপরদিকে 'নিমগাছ' গল্পে আমরা নিমগাছের প্রতীকী রূপে বাড়ির গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মীবউটিকে দেখতে পাই। বাড়ির বউ সকাল থেকে রাত অবধি বিরামহীন কাজ করে চলে। কোনোকিছুতে তাদের ক্লান্তি নেই, বিরক্তি নেই। তবুও তারা আমাদের পরিবারে, সমাজে, দেশে খুবই অবহেলিত।
'নিমগাছ' একটি প্রতীকী গল্প। লেখক নিমগাছের প্রতীকে সংসারে নারীর অবস্থান ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরেছেন। সকাল থেকে মধ্যরাত অবধি আমাদের পরিবারের নারীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে আমাদের সার্বিক দেখাশোনার কাজ করে। কিন্তু দিন শেষে তাদের খবর কেউ রাখে না। তাদের শ্রমের কেউ মূল্যায়ন করে না। আলোচ্য উদ্দীপকেও এমন বিষয় ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, 'নিমগাছ' গল্প ও উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allনিমগাছের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কবিরাজরা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!