আলামীন আগস্ট মাসে একটি দেশে বেড়াতে যায়। ঐ সময় সে দেশের উত্তর অংশের তাপমাত্রা ছিল ৩২° সে. এর উপর এবং সেখানে একটি প্রবল নিম্নচাপ বলয়ের সৃষ্টি হয়। বায়ুতে অধিক পরিমাণ জলীয় বাষ্প থাকাতে দেশটিতে সারা বছর যে বৃষ্টিপাত হয়। তাঁর চার ভাগের তিন ভাগই হয় ঐ ঋতুতে।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

একটি বৃহৎ অঞ্চলব্যাপী আবহাওয়ার উপাদানগুলোর দৈনন্দিন অবস্থার দীর্ঘদিনের গড় অবস্থাকে জলবায়ু বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গটি যে অঞ্চলে অবস্থিত সেটি বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অন্তর্গত। বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত। প্রায় ২ মিলিয়ন বছরেরও বেশি আগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হবার সময় এসব পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার। বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হচ্ছে- কিও ক্রাডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১২৩১ মিটার, এটি বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। এসব পাহাড়গুলো বেলে পাথর, কর্দম ও শেল পাথর দ্বারা গঠিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আলামীনের বেড়াতে যাওয়ার সময়ে দেশটিতে বর্ষাকাল বিদ্যমান ছিল। উদ্দীপকে উল্লিখিত বর্ণনার সাথে উত্তর ভারতের বর্ষাকালের আবহাওয়ার ধরন মিলে যায়।

জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারতে বর্ষাকাল থাকে। জুনের শেষে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর অবস্থান করায় উত্তর ভারতে উত্তাপের পরিমাণ ৩২° সেলসিয়াস ছেড়ে যায়। দক্ষিণে ক্রমশ তাপমাত্রা কমে ২৭০ তে নেমে আসে। অতিরিক্ত তাপে উত্তর ভারতের পাঞ্জাব অঞ্চলে একটি প্রবল শক্তিসম্পন্ন নিম্নচাপ বলয়ের সৃষ্টি হয়। এ বায়ু সমুদ্রের উপর দিয়ে দীর্ঘপথ অতিক্রম করে বলে এতে প্রচুর জলীয় বাষ্প থাকে। হিমালয় ও অন্যান্য উচ্চ পর্বতগাত্রে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে এ বায়ু ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। ফলে ভারতের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৭৫% এ ঋতুতেই হয়ে থাকে।

উপরিল্লিখিত আলোচনার দ্বারা আলামিনের বেড়াতে যাওয়া দেশটি অর্থাৎ ভারতের বর্ষাকালের বৈশিষ্ট্যই প্রমাণিত হয়েছে বলে আমি মনে করি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বর্ষাকাল বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঋতু।

বাংলাদেশে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বর্ষাকাল। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বর্ষাকালে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। বাংলাদেশের মোট বৃষ্টিপাতের ৮০% এ ঋতুতে হয়ে থাকে। এসময় গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১১৯-৩৪০ সে.মি.। বাংলাদেশে বর্ষায় দক্ষিণ-পশ্চিম অয়ন বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। এতে বিভিন্ন রকমের ফল ও ফসল প্রচুর জন্মে। অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যার পানিবাহিত পলি কৃষি জমিগুলোর উর্বরতা বাড়ায়। এতে ফসল ভালো হয়। নদীপথের নাব্যতা বৃদ্ধি পায়। ফলে নৌযান চলাচল সহজ হয়। কৃষি জমিতে সেচ কম দিতে হয়। ফলে উৎপাদন খরচ কম হয়। মৎস্য সম্পদ আহরণের পরিমাণ বাড়ে। ভূগর্ভস্থ পানির উচ্চতা কিছুটা বাড়ে। প্রাকৃতিক জলাধারের পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ার কারণে মাছের প্রজনন বেশি হয়। নদীভিত্তিক পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটে। প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি উৎপাদিত হয়। চারণভূমিতে গবাদি পশুর জন্য প্রচুর ফসল উৎপন্ন করা যায়। উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে চা-চাষের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বর্ষাকালে খালবিলে পাট পচানোর জন্য পানির পর্যাপ্ততা থাকে। বর্ষা ঋতুতে পেয়ারা, আমড়াসহ প্রচুর দেশীয় ফল জন্মে। বর্ষাকালে রাস্তাঘাটের ধুলোবালি পরিষ্কার হয়ে মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
283

Related Question

View All
উত্তরঃ

বস্তুত বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাংশের পাহাড়িয়া অংশ ব্যতীত প্রায় সমগ্র দেশটিই বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত নদ-নদীর পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি। বাংলাদেশের ভূখণ্ড উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে অবস্থিত। ফলে বাংলাদেশের নদনদী, উপনদী ও শাখানদীগুলো উত্তর দিক হতে দক্ষিণে অর্থাৎ বঙ্গোপসাগরের অভিমুখে প্রবাহিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
891
উত্তরঃ

মানচিত্রের 'A' চিহ্নিত অঞ্চলটি হচ্ছে প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ বা চত্বরভূমি।

বাংলাদেশের মোট ভূমির ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলা হয়। এ সময়ের আন্তঃবরফগলা পানিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়ে এসব চত্বরভূমি গঠিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়। নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর, দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ অঞ্চলের মাটি ধূসর ও লালচে বর্ণের।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
472
উত্তরঃ

চিত্রের 'B' চিহ্নিত স্থানটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে নির্দেশ করায় এখানে ছোটবড় পাহাড়-পর্বত অধিক পরিলক্ষিত হবে এবং 'C' চিহ্নিত অঞ্চলটি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বিধায় এখানে নদীনালাসহ অধিক ঘনবসতি পরিলক্ষিত হবে।

'B' স্থানটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ যা বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২% এলাকা নিয়ে গড়ে উঠেছে। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত। আবার ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিওডংসহ ছোটবড় বেশকিছু টিলা জাতীয় পাহাড় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে আমাদের ভূখন্ডে শোভা পাচ্ছে। আর 'C' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। বাংলাদেশের প্রায় ৮০% ভূমি নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। তবে এ সমভূমি একদিনে সৃষ্টি হয়নি। সমতল ভূমির ওপর দিয়ে অসংখ্য নদী প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়। বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে। এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গ কিলোমিটার। সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূষি খুবই উর্বর। ফলে কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে তা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। আর তাই সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিতে ঘনবসতি অধিক পরিলক্ষিত হবে এটাই স্বাভাবিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
470
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি পাহাড় হচ্ছে চিকনাগুল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
955
উত্তরঃ

কালবৈশাখি এক প্রকার ঝড়। গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুর চাপের পরিবর্তন হয় এবং বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হতে থাকে। একই সময়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক হতে শুষ্ক ও শীতল বায়ু প্রবাহিত হয়ে যে ঝড়ের সৃষ্টি করে সে ঝড়কেই কালবৈশাখি ঝড় বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
348
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews