আলেকজান্ডার খ্রিষ্টপূর্ব ৩২৬ অব্দের মে মাসে ঝিলাম নদীর তীরে শিবির ফেললেন। বর্ষা আরম্ভ হলে সিন্ধু নদী পানিতে পরিপূর্ণ হলে সুযোগ বুঝে রাতের অন্ধকারে অরণ্য সমকীর্ণ একটি দ্বীপের উপর দিয়ে নদী অতিক্রম করে হঠাৎ পুরুর শিবির আক্রমণ করেন। অন্যদিকে চীনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট, তাই সুং ৬২৭ খ্রিঃ সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৬৫০ খ্রিঃ পর্যন্ত রাজত্ব করেন। শিক্ষায় উৎসাহ প্রদান করেন। খাল খনন ও যুদ্ধবন্দীদের পুনর্বাসন করে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যে উৎসাহ প্রদান করেন এবং দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। যা তখনকার সময়ে সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ইলিয়াস শাহ-এর একটি উপাধি হলো 'শাহ-ই-বাঙ্গালা'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বারোভূঁইয়াদের দমনে সবচেয়ে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন সুবাদার ইসলাম খান। শাসনভার গ্রহণ করে তিনি মুসা খানকে দমন করার জন্য রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন। এ লক্ষ্যে তিনি শক্তিশালী নৌবাহিনীও গড়ে তোলেন। ১৬০৯ সালে প্রথমবারের মতো মুসা খান পরাজিত হন। ইসলাম খান জমিদারদের যৌথ প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে কদম রসুল দুর্গ দখল করে নেন। সোনারগাঁও দখল করলে মুসা খান ইসলাম খানের নিকট আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হন। মুসা খানের আত্মসমর্পণে অন্যান্য জমিদার নিরাশ হয়ে মুঘলদের বশ্যতা স্বীকার করেন। এভাবেই বাংলায় বারোভূঁইয়াদের শাসনের অবসান ঘটে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথমাংশের সাথে মধ্যযুগের ইতিহাসের বঙ্গ বিজয় ঘটনার মিল রয়েছে।

বখতিয়ার খলজি বিহার বিজয়ের পরের বছর অধিক সংখ্যক সৈন্য সংগ্রহ করে নবদ্বীপ বা নদীয়া আক্রমণ করেন। এ সময় বাংলার রাজা লক্ষণ সেন নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন। গৌড় ছিল তার রাজধানী, আর নদীয়া ছিল তার দ্বিতীয় রাজধানী। বিহার হতে বাংলায় প্রবেশ করতে হলে তেলিয়াগড় ও শিকড়িগড় এই দুই গিরিপথ দিয়ে আসতে হতো। এ গিরিপথ দু'টো ছিল বেশ সুরক্ষিত। তিনি প্রচলিত পথে অগ্রসর না হয়ে অরণ্যময় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হওয়াতে তার সৈন্যদল খন্ড খণ্ডভাবে অগ্রসর হয়। তিনি এত ক্ষিপ্রগতিতে পথ অতিক্রম করেছিলেন যে, মাত্র ১৭/১৮ জন সৈনিক তাকে অনুসরণ করতে পেরেছিল। আর মূল স্নোবাহিনীর বাকি অংশ তার পশ্চাতে ছিল। মধ্যাহ্নভোজের সময় বখতিয়ার খলজি বণিকের ছদ্মবেশে নগরীর দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছান। রাজা লক্ষণ সেন তাদেরকে অশ্ব ব্যবসায়ী মনে করে নগরীর অভ্যন্তরে প্রবেশের অনুমতি দেন। কিন্তু এ ক্ষুদ্র দল রাজপ্রাসাদের সম্মুখে এসে হঠাৎ তরবারি উন্মুক্ত করে প্রাসাদ রক্ষীদের হত্যা করে। এতে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে প্রাসাদ অরক্ষিত রেখে সবাই প্রাণ ভয়ে পালিয়ে যায়। এমতাবস্থায় শত্রুর আক্রমণ হতে আত্মরক্ষার কোনো উপায় না দেখে রাজা লক্ষণ সেন পেছনের দরজা দিয়ে সপরিবারে পূর্ববঙ্গের মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে আশ্রয়গ্রহণ করেন। এর ফলে বিনা বাধায় নদীয়া ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল মুসলমানদের অধিকারে আসে।

উদ্দীপকের আলেকজান্ডার সুযোগ বুঝে রাতের অন্ধকারে অরণ্য সমকীর্ণ একটি দ্বীপের উপর দিয়ে নদী অতিক্রম করে হঠাৎ শিবির আক্রমণ করেন। আলেকজান্ডার কর্তৃক গৃহীত এ যুদ্ধ কৌশল দেখা যায় পূর্বে আলোচিত ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজির বঙ্গ বিজয়ের ঘটনায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের প্রথমাংশ মধ্যযুগের বঙ্গ বিজয় ঘটনার অনুরূপ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি উদ্দীপকের শেষাংশে শেষ্ঠ খলজি শাসক গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজির প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।

সুলতান গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজি নিঃসন্দেহে খলজি মালিকদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন। তিনি শাসনকার্যের সুবিধার্থে রাজধানী দেবকোট হতে গৌড় বা লখনৌতিতে স্থানান্তর করেন। রাজধানীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করার জন্য বসনকোট নামক স্থানে একটি দুর্গ নির্মাণ করেন। লখনৌতি নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা ছিল। তাছাড়া ইওজ খলজি বুঝতে পেরেছিলেন, শক্তিশালী নৌ-বাহিনী ছাড়া শুধু অশ্বারোহী বাহিনীর পক্ষে নদীমাতৃক বাংলায় রাজ্য সম্প্রসারণ সম্ভব হবে না। তিনি নিরাপত্তার স্বার্থে রাজধানীর তিন পাশে গভীর ও প্রশস্ত পরিখা নির্মাণ করেন। এছাড়াও তিনি তার রাজ্যকে রক্ষাকল্পে বহু খাল খনন ও সেতু নির্মাণ করেন। এমনিভাবে তিনি রাজ্য উন্নয়নে বহু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।

ইওজ খলজি একজন শাসক হলেও শিল্প-সাহিত্যের প্রতি তার ছিল গভীর অনুরাগ। অর্থাৎ তিনি ছিলেন শিল্প ও সাহিত্যের একজন পৃষ্ঠপোষক। তারই পৃষ্ঠপোষকতায় গৌড়ের জুমা মসজিদ এবং আরো কয়েকটি মসজিদ নির্মিত হয়েছিল। তার আমলে মধ্য এশিয়া হতে বহু মুসলিম সুফি ও সৈয়দ তার দরবারে আশ্রয় গ্রহণ করেন। এ সমস্ত সুফি ও সুধিগণ বঙ্গদেশে ইসলাম প্রচারে যথেষ্ট সহায়তা করেন। তাদের আগমন ও ইওজ খলজির পৃষ্ঠপোষকতায় লখনৌতি মুসলিম শিক্ষা ও সংস্কৃতির কেন্দ্রে পরিণত হয়। উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে তাই বলা যায়, গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজি ছিলেন খলজি মালিকদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সুলতান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
136

মুসলমান শাসনের সূচনাকালকে বাংলায় মধ্যযুগের শুরু বলা হয় । ইতিহাসে এক যুগ থেকে অন্য যুগে প্রবেশ করতে হলে বিশেষ কতকগুলো যুগান্তকারী পরিবর্তন দরকার। মুসলমানদের বঙ্গ বিজয়ের ফলে বঙ্গের রাজনৈতিক ক্ষেত্রেই শুধু পরিবর্তন আসেনি; এর ফলে বঙ্গের সমাজ, ধর্ম, অর্থনীতি, ভাষা ও সাহিত্য, শিল্পকলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • মধ্যযুগের বাংলার মুসলমান শাসন প্রতিষ্ঠা পর্বের উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ বর্ণনা করতে পারব;
  • মধ্যযুগে সুলতানি আমলে বাংলার বংশানুক্রমিক শাসন এবং তাঁদের রাজনৈতিক কৃতিত্বসমূহ ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলায় আফগান শাসনামল ও শাসকগণের কৃতিত্ব বর্ণনা করতে পারব;
  •  বাংলায় বারোভূঁইয়াদের ইতিহাস ও পরিচয় বর্ণনা করতে পারব;
  • মুঘল শাসনামলে বাংলায় সুবেদার ও নবাবদের শাসন কালের রাজনৈতিক কর্মকান্ডের নানা দিক সমূহ বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • ধারাবাহিকভাবে মধ্যযুগে বাংলার মুসলমান শাসকগণের রাজনৈতিক ইতিহাস জানতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলাকে একত্রিত করে এর প্রকৃত স্বাধীনতা সূচনা করেন। তাই তাকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রথম প্রবক্তা বলা হয়।

ইলিয়াস শাহ ফিরোজাবাদের সিংহাসনে আরোহণের মাধ্যমে উত্তর ও উত্তর পশ্চিম বাংলার অধিপতি হন। তারপর তিনি সোনারগাঁও, সাতগাঁও, বিহার, উড়িষ্যা, আসাম ইত্যাদি জয় করে বৃহত্তর বাংলার সৃষ্টি করেছিলেন। এ সময় থেকেই বাংলার সকল অঞ্চলের অধিবাসী 'বাঙালি' বলে পরিচিত হয়। আর এ কারণেই ইলিয়াস শাহকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.7k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিজয়ী সেনাপতির যুদ্ধ কৌশলের প্রতিফলন পাঠ্যবইয়ের ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির কর্মে প্রতিফলিত হয়েছে।

বখতিয়ার খলজি বিহার বিজয় করার পর নদীয়া আক্রমণ করার মনোস্থির করেন। রাজা লক্ষণ সেন তখন নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন। বিহার হতে বাংলায় প্রবেশ করতে হলে তেলিয়াগড় ও শিকড়িগড় এই দুই গিরিপথ দিয়ে আসতে হতো। কিন্তু এ গিরিপথ দুটি সুরক্ষিত থাকায় বখতিয়ার খলজি এ পথে না এসে ঝাড়খণ্ডের অরণ্যময় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হওয়াতে তার সৈন্যদল খণ্ড খণ্ড ভাবে অগ্রসর হয়। মাত্র ১৭/১৮ জন সৈনিক নিয়ে বখতিয়ার খলজি মধ্যাহ্নভোজে ব্যস্ত রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে নদীয়া বিজয় করেন।

উদ্দীপকেও দেখা যায়, রোমান যোদ্ধারা একইভাবে উপদলে বিভক্ত হয়ে জঙ্গল পথে বিপক্ষদলের প্রাসাদ আক্রমণের পরিকল্পনা করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের বিজয়ী সেনাপতির কৌশলের প্রতিফলন পাঠ্যবইয়ের বখতিয়ার খলজির যুদ্ধকৌশলে প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
669
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বখতিয়ার খলজির যুদ্ধকৌশল প্রতিফলিত হয়েছে। ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি প্রথম জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলেও ভাগ্য ও কর্মশক্তির সংমিশ্রণ তাকে সফলতা এনে দেয় বলে আমি মনে করি।

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি আফগানিস্তানের গরমশির বা আধুনিক দশত-ই-মার্গের অধিবাসী ছিলেন। তিনি ১১৯৫ খ্রিষ্টাব্দে নিজ জন্মভূমির মায়া ত্যাগ করে জীবিকার অন্বেষণে গজনিতে আসেন। এখানে তিনি শিহাবউদ্দিন ঘোরীর সৈন্য বিভাগে চাকরিপ্রার্থী হয়ে ব্যর্থ হন। গজনিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেকের দরবারে গিয়েও চাকরি পেতে ব্যর্থ হন। এরপর বদাউনের শাসনকর্তা মালিক হিজবরউদ্দিন তাকে মাসিক বেতনে সৈন্য বিভাগে নিযুক্ত করেন। কিন্তু উচ্চাভিলাষী বখতিয়ার এ ধরনের সামান্য বেতনে সন্তুষ্ট না হয়ে বদাউন ত্যাগ করে অযোধ্যায় যান। সেখানকার শাসনকর্তা তার সাহস ও বুদ্ধিমত্তায় সন্তুষ্ট হয়ে তাকে ভাগবত ও ভিউলি নামক দুটি পরগনার জায়গীর দান করেন। বিহার জয় করে বখতিয়ার খলজি অনেক ধনরত্নের মালিক হন। এরপর তিনি রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে নদীয়া দখল করেন। তারপর তিনি লক্ষ্মণাবতী অধিকার করে সেখানে রাজধানী স্থাপন করেন।

তাই বলা যায়, প্রাথমিক জীবনে ব্যর্থ হলেও বখতিয়ার খলজি ভাগ্য ও কর্মের সমন্বয়ে পরবর্তীতে সফলতা লাভ করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
674
উত্তরঃ

বিশৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হওয়াতে বাংলাকে 'বুলগাকপুর' বলা হয়েছিল।

বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা থেকে অর্থাৎ ১২০৪ সাল থেকে ১৩৩৮ সাল পর্যন্ত সময়কাল ছিল খুবই গোলযোগপূর্ণ। বাংলার শাসকগণ দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে স্বাধীন হতে চাইলে দিল্লির আক্রমণের মুখে তা ব্যর্থ হয়। ফলে মুসলমান শাসনের এ সময় ছিল বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলাময়। তাই ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলাকে 'বুলগাকপুর' অর্থাৎ বিদ্রোহের নগরী বলে আখ্যায়িত করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
4.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews