ইলেকট্রনিক কার্ডের 'সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-কার্ড। এটিকে পোস্টকার্ড অথবা শুভেচ্ছা বার্তাও বলা হয়। সাধারণত ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহার করে ইলেকট্রনিক ডিজাইনের মাধ্যমে একে অপরের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় বা আমন্ত্রণ জানানোর জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ই-কার্ড দুইভাবে পাঠানো যায়। একটি হলো ই-মেইলের মাধ্যমে এবং অন্যটি হলো মুঠোফোনের খুদেবার্তায়।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-
১. ব্যক্তিজীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারব;
২. কর্মক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে পারব;
৩. কর্মক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব;
৪. সমাজ জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারব-
Related Question
View Allতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিনোদনের ক্ষেত্রে অসাধারণ ভূমিকা পালন করছে। আগে গান শোনার জন্য আলাদা যন্ত্র প্রয়োজন হতো, কিন্তু এখন মোবাইল ফোনেই গান শোনা সম্ভব। ক্যামেরা একসময় ধনীদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও, বর্তমানে স্মার্টফোনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষও ছবি তুলতে ও ভিডিও করতে পারছে। মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার ক্রমাগত ছোট ও উন্নত হয়ে বহুমুখী ব্যবহারের জন্য উপযোগী হয়ে উঠছে, যা আমাদের বিনোদনের সুযোগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ হলো বাংলাদেশের প্রথম জিও-স্টেশনারি স্যাটেলাইট। এটি পৃথিবী থেকে ৩৬,০০০ কিলোমিটার উপরে অবস্থান করে বলেই একে জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট বলা হয়। ১২ মে ২০১৮ তারিখে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ কে যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।
মোবাইল টেলিফোনকে বুদ্ধিমান যন্ত্র বলার কারণ হলো এটিতে কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা সম্পর্কিত প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে মানুষের ন্যায় কাজ করানো যায়। এমন অনেক গেম রয়েছে যেগুলো মোবাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলা যায়, এক্ষেত্রে কোনো প্রতিপক্ষ দরকার হয় না। বর্তমানে মোবাইল টেলিফোনের মাধ্যমে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে অনায়াসে ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়। প্রতিনিয়ত এর উন্নতির ফলে কম্পিউটারের এমন অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো মোবাইল টেলিফোনের মাধ্যমে সহজে করা যায়। এ জন্যই মোবাইল টেলিফোনকে একটি বুদ্ধিমান যন্ত্র বলা হয়।
জিপিএস-এর পূর্ণনাম হচ্ছে Global Positioning System | নিখুঁতভাবে পৃথিবীর কোনো স্থানের অবস্থান সম্পর্কে জানতে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তার নাম জিপিএস। আজকাল নতুন সব গাড়িতেই জিপিএস লাগানো থাকে। ফলে কেউ যদি পথঘাট চিনতে না পারে তাহলে সে জিপিএস এ নির্দিষ্ট জায়গার মাপকে জুড়ে দিতে পারলেই সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া যায়।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কোনো না কোনো ভাবে সহায়তা করছে। নিম্নে কয়েকটি ব্যবহার দেওয়া হলো-
১. মোবাইলের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে যোগাযোগ করা যায়।
২. ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘরে বসেই পাবলিক পরীক্ষার আবেদন ও ফলাফল জানা যায়।
৩. জিপিএস ব্যবহার করে অজানা গন্তব্যে সহজে পৌঁছানো যায়।
ই-চিকিৎসা হচ্ছে ইন্টারনেট বা মোবাইল টেলিফোনে 'কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সেবা বা পরামর্শ নেওয়া। ই-চিকিৎসা কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের নামের লিস্ট, তাদের মোবাইল নাম্বার এবং চেম্বারের ঠিকানা থাকে। ইন্টারনেট বা মোবাইল টেলিফোন থাকলে অতি সহজেই যেকোনো স্থান থেকে ই-চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে তথ্য নিয়ে চিকিৎসা সেবা নেওয়া যায়। ই-চিকিৎসা অনেক দ্রুত ও কম ব্যয়ে নেওয়া যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!