উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিনোদনের ক্ষেত্রে অসাধারণ ভূমিকা পালন করছে। আগে গান শোনার জন্য আলাদা যন্ত্র প্রয়োজন হতো, কিন্তু এখন মোবাইল ফোনেই গান শোনা সম্ভব। ক্যামেরা একসময় ধনীদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও, বর্তমানে স্মার্টফোনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষও ছবি তুলতে ও ভিডিও করতে পারছে। মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার ক্রমাগত ছোট ও উন্নত হয়ে বহুমুখী ব্যবহারের জন্য উপযোগী হয়ে উঠছে, যা আমাদের বিনোদনের সুযোগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ হলো বাংলাদেশের প্রথম জিও-স্টেশনারি স্যাটেলাইট। এটি পৃথিবী থেকে ৩৬,০০০ কিলোমিটার উপরে অবস্থান করে বলেই একে জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট বলা হয়। ১২ মে ২০১৮ তারিখে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ কে যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

মোবাইল টেলিফোনকে বুদ্ধিমান যন্ত্র বলার কারণ হলো এটিতে কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা সম্পর্কিত প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে মানুষের ন্যায় কাজ করানো যায়। এমন অনেক গেম রয়েছে যেগুলো মোবাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলা যায়, এক্ষেত্রে কোনো প্রতিপক্ষ দরকার হয় না। বর্তমানে মোবাইল টেলিফোনের মাধ্যমে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে অনায়াসে ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়। প্রতিনিয়ত এর উন্নতির ফলে কম্পিউটারের এমন অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো মোবাইল টেলিফোনের মাধ্যমে সহজে করা যায়। এ জন্যই মোবাইল টেলিফোনকে একটি বুদ্ধিমান যন্ত্র বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জিপিএস-এর পূর্ণনাম হচ্ছে Global Positioning System | নিখুঁতভাবে পৃথিবীর কোনো স্থানের অবস্থান সম্পর্কে জানতে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তার নাম জিপিএস। আজকাল নতুন সব গাড়িতেই জিপিএস লাগানো থাকে। ফলে কেউ যদি পথঘাট চিনতে না পারে তাহলে সে জিপিএস এ নির্দিষ্ট জায়গার মাপকে জুড়ে দিতে পারলেই সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কোনো না কোনো ভাবে সহায়তা করছে। নিম্নে কয়েকটি ব্যবহার দেওয়া হলো-
১. মোবাইলের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে যোগাযোগ করা যায়।
২. ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘরে বসেই পাবলিক পরীক্ষার আবেদন ও ফলাফল জানা যায়।
৩. জিপিএস ব্যবহার করে অজানা গন্তব্যে সহজে পৌঁছানো যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ই-চিকিৎসা হচ্ছে ইন্টারনেট বা মোবাইল টেলিফোনে 'কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সেবা বা পরামর্শ নেওয়া। ই-চিকিৎসা কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের নামের লিস্ট, তাদের মোবাইল নাম্বার এবং চেম্বারের ঠিকানা থাকে। ইন্টারনেট বা মোবাইল টেলিফোন থাকলে অতি সহজেই যেকোনো স্থান থেকে ই-চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে তথ্য নিয়ে চিকিৎসা সেবা নেওয়া যায়। ই-চিকিৎসা অনেক দ্রুত ও কম ব্যয়ে নেওয়া যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনিক বুক রিডার এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-বুক রিডার। সাধারণ ই-বুক রিডার হচ্ছে ছবি ও লেখা সমৃদ্ধ একটি ডিজিটাল সিস্টেম বা সফটওয়্যার যেটি কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইস দিয়ে পড়া যায়। ই-বুক রিডারে সহস্রাধিক বই ডাউনলোড করে রাখা যায়। পরবর্তীতে ইচ্ছানুযায়ী যে কোনো বই ওপেন করে সাধারণ বইয়ের মতো পড়া যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উইকিপিডিয়া (Wikipedia) একটি মুক্ত অনলাইন বিশ্বকোষ এবং বর্তমানে বিশ্বের 'অন্যতম বৃহত্তম তথ্যভাণ্ডার। এখানে বৈজ্ঞানিক, ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, প্রযুক্তিগত এবং আরো বিভিন্ন বিষয়ে লক্ষ লক্ষ তথ্য রয়েছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় পাঠযোগ্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কর্মক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যাপক বিপ্লব ঘটায়। অফিসগুলো কাগজবিহীন হয়ে উঠছে, যেখানে সমস্ত কাজ কম্পিউটারে সম্পন্ন হয়। ব্যাংকিং ক্ষেত্রে আইসিটি ব্যবহার গ্রাহকদের অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ এবং ইলেকট্রনিক লেনদেন সহজ করেছে। এর ফলে কাগজের প্রয়োজন হয় না, সময় সাশ্রয় হয় এবং পরিবেশ সুরক্ষিত থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কাগজবিহীন ভর্তি প্রক্রিয়া বলতে অনলাইন পদ্ধতিতে ভর্তির আবেদন করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। এক্ষেত্রে মোবাইল, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। সর্বপ্রথম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ২০০৯ সালে কাগজবিহীন ভর্তি প্রক্রিয়াটি শুরু করেন।

শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই শুধুমাত্র মোবাইল টেলিফোন ব্যবহার করে ভর্তি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো কাগজবিহীন অফিসে রূপান্তরিত হওয়াকে অনলাইন ব্যাংকিং সিস্টেম বলে। অনলাইন ব্যাংকিং সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং গ্রাহকদের সাথে ব্যাংকের যোগাযোগ থেকে শুরু করে গ্রাহকের সকল কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা যাচ্ছে। অনলাইন ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে গ্রাহকগণ অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে, তহবিল স্থানান্তর করতে এবং বাহ্যিক কাগজপত্রের প্রয়োজন ছাড়াই যেকোনো বিল পরিশোধ করতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সরাসরি ক্লাসে উপস্থিত না হয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর দূর-দূরান্তে বসে ভিডিও কনফারেন্সিং-এ যুক্ত থেকে ক্লাসে অংশগ্রহণ করাকে ভার্চুয়াল ক্লাসরুম বলে। বর্তমান সময়ে এই শিক্ষা ব্যবস্থা খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ভার্চুয়াল ক্লাসরুম ব্যবস্থার ফলে এক দেশে বসে অন্য দেশের ডিগ্রি অর্জন করা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্রে ভার্চুয়াল ক্লাসরুম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেসব শিক্ষার্থী ভালোমানের শিক্ষকের অভাবে গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিষয় শেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। সেই সব শিক্ষার্থীরা অনলাইনে যুক্ত হয়ে বিশ্বের নামকরা শিক্ষকের লাইভ ক্লাসে অংশগ্রহণ করে সহজ সমাধান পেতে পারে। শিক্ষাকে আনন্দময় ও সহজবোধ্য করে সারা পৃথিবীর শিক্ষার্থীর মাঝে বিতরণ করতে ভার্চুয়াল ক্লাসরুম অপরিহার্য।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ভার্চুয়াল অফিসের সুবিধাগুলো হলো-
১. অফিসের জন্য বড় ভবন দরকার হয় না।
২. অফিসে অতিরিক্ত এসি, ফ্যান ব্যবহার না করার কারণে ব্যয় কম।
৩. অফিসের কাজের পাশাপাশি বাসার কাজকর্ম করা যায়।
৪. ভার্চুয়াল অফিস দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কল সেন্টার বলতে বোঝায় একটি সেবা কেন্দ্রকে, যেখানে গ্রাহকরা ফোন কলের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, প্রশ্ন উত্তর, এবং সমস্যার সমাধান পেয়ে থাকেন। প্রয়োজন অনুসারে কল সেন্টারের ধরন ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। যেমন- ইমার্জেন্সী বা অ্যাম্বুলেন্স সেবা পেতে ৯৯৯ কল করতে হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

কল সেন্টার সাধারণত গ্রাহক সেবা, মার্কেটিং, বিক্রয় এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য ব্যবহৃত হয়। কল সেন্টার প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। আধুনিক কল সেন্টারগুলো যেকোনো স্থান থেকে কল গ্রহণ করে দ্রুত এবং কার্যকর সমাধান প্রদান করে, যা গ্রাহক সন্তুষ্টি ও ব্যবসার কার্যক্রম সহজ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে আজকাল ঘরে বসেই অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। ইন্টারনেট প্রযুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অনলাইন ভিত্তিক কাজ এখন ঘরে বসেই করা যাচ্ছে। বর্তমানে অনেক শিক্ষিত মানুষ অফিসে না গিয়ে নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে স্বাধীনভাবে কাজ করছে। এভাবে একজন দক্ষ প্রযুক্তিবিদ নিজের ঘরে বা যেকোনো জায়গায় বসে বিভিন্ন কোম্পানির। কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনিক ক্লাসরুমের সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-ক্লাসরুম। ই-ক্লাসরুম তৈরিতে ক্লাসরুমে প্রজেক্টর, ইন্টারনেটযুক্ত কম্পিউটার দরকার হয়। ই-ক্লাসরুম প্রক্রিয়ায় একজন শিক্ষক তার ক্লাসরুমে পড়াবেন এবং দেশ-বিদেশের অসংখ্য ছাত্রছাত্রী তার কাছে একই সাথে শিখতে পারবে। বর্তমান মহামারী কোভিড-১৯ কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে ই-ক্লাস রুমের মাধ্যমে ভালো শিক্ষকের পাঠদান গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীর জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখছে। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে ই-ক্লাসরুমের গুরুত্ব অপরিসীম।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বড় বড় শিল্প কারখানায় ভারী ও বিপজ্জনক কাজ করার জন্য যে রোবটগুলো ব্যবহৃত হয় সেটিই ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট। জাহাজ কারখানায় বিশাল বিশাল ধাতব টুকরাকে নির্দিষ্ট আকারে কেটে তারপর ওয়েন্ডিং করা হয়। এ সময় তীব্র আলোর ঝলক আমাদের চোখের ক্ষতি করে। এ জন্য শিল্প-কারখানায় মানুষের বদলে বর্তমানে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট দিয়ে কাজ করানো হয়। রোবটের ক্লান্তিহীনভাবে একটানা অনেকক্ষণ কাজ করতে পারে। তাই কলকারখানায় শ্রমিক হিসাবে এখন মানুষের বদলে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট ব্যবহার করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রনিক কার্ডের 'সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-কার্ড। এটিকে পোস্টকার্ড অথবা শুভেচ্ছা বার্তাও বলা হয়। সাধারণত ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহার করে ইলেকট্রনিক ডিজাইনের মাধ্যমে একে অপরের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় বা আমন্ত্রণ জানানোর জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। ই-কার্ড দুইভাবে পাঠানো যায়। একটি হলো ই-মেইলের মাধ্যমে এবং অন্যটি হলো মুঠোফোনের খুদেবার্তায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে মানুষের মধ্যকার যোগাযোগ অনেক সহজ হয়েছে। বর্তমানে কিছু সামাজিক যোগাযোগ সাইট রয়েছে যেখানে মানুষ সবসময় একে অপরকে দেখতে পারছে, ভাববিনিময় করতে পারছে এবং খোঁজ খবর নিতে পারছে। ফলে পূর্বের তুলনায় মানুষে মানুষে আরো সুসম্পর্ক সৃষ্টি করছে। এভাবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সামাজিক সম্পর্ক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক সম্পর্ক বিকাশে আইসিটির দুইটি প্রয়োগক্ষেত্র নিম্নরূপ-

  • অনুষ্ঠানাদিতে আমন্ত্রণ: আগে কেবল কাগজের আমন্ত্রণপত্র ও টেলিফোনে দাওয়াত দেওয়া হতো। এখন ই-মেইল ও মুঠোফোনের ক্ষুদেবার্তায়ও দাওয়াত দেওয়া হয়।
  • বিশেষ দিবসে শুভেচ্ছা বার্তা: জন্মদিন, ঈদ বা পূজায় শুভেচ্ছা জানাতে হাতে বানানো কার্ড দেওয়া যায়। তবে দূরে থাকা প্রিয়জনদের জন্য ই-কার্ড বা মুঠোফোনের ক্ষুদেবার্তা জনপ্রিয়।
Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেটে একে অপরের সাথে ভাব বিনিময়, তথ্য আদান-প্রদান, ভিডিও ও চ্যাটিং করার জন্য যেসকল সাইট ব্যবহৃত হয়, সেগুলোই হলো সামাজিক যোগাযোগ সাইট। বর্তমানের কয়েকটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ সাইট হলো- ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি। এসকল সাইটে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ যুক্ত রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক যোগাযোগ সাইটসমূহের ব্যবহারগুলো নিম্নরূপ-
১. সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখা এবং সামাজিক বন্ধন অটুট রাখা।
২. তথ্য আদান-প্রদান করে ভাব বিনিময় করা।
৩. ছবি, ভিডিও এবং এনিমেশন শেয়ার করা।
৪. কোনো একটি বিষয় শেয়ার করে একে অপরের মতামত জানা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে যুক্ত রয়েছে। ফলে প্রতিটি দেশের খবরাখবর সহজেই একে অপরের মাধ্যমে জানা যায়। কোনো একটি দেশের দুর্নীতির খবর সামাজিক যোগাযোগ সাইটে ছড়িয়ে দিলে তা মুহূর্তের মধ্যে সারা পৃথিবীর মানুষ জানতে পারে এবং সামাজিক নেটওয়ার্কে এর প্রতিবাদের ঝড় উঠে। তাই, সামাজিক বিপ্লবে বর্তমানে সামাজিক নেটওয়ার্ক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
386

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

১. ব্যক্তিজীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারব;
২. কর্মক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে পারব;
৩. কর্মক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব;
৪. সমাজ জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারব-

Related Question

View All
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিনোদনের ক্ষেত্রে অসাধারণ ভূমিকা পালন করছে। আগে গান শোনার জন্য আলাদা যন্ত্র প্রয়োজন হতো, কিন্তু এখন মোবাইল ফোনেই গান শোনা সম্ভব। ক্যামেরা একসময় ধনীদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও, বর্তমানে স্মার্টফোনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষও ছবি তুলতে ও ভিডিও করতে পারছে। মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার ক্রমাগত ছোট ও উন্নত হয়ে বহুমুখী ব্যবহারের জন্য উপযোগী হয়ে উঠছে, যা আমাদের বিনোদনের সুযোগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
696
উত্তরঃ

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ হলো বাংলাদেশের প্রথম জিও-স্টেশনারি স্যাটেলাইট। এটি পৃথিবী থেকে ৩৬,০০০ কিলোমিটার উপরে অবস্থান করে বলেই একে জিও স্টেশনারি স্যাটেলাইট বলা হয়। ১২ মে ২০১৮ তারিখে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ কে যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
235
উত্তরঃ

মোবাইল টেলিফোনকে বুদ্ধিমান যন্ত্র বলার কারণ হলো এটিতে কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা সম্পর্কিত প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে মানুষের ন্যায় কাজ করানো যায়। এমন অনেক গেম রয়েছে যেগুলো মোবাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলা যায়, এক্ষেত্রে কোনো প্রতিপক্ষ দরকার হয় না। বর্তমানে মোবাইল টেলিফোনের মাধ্যমে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে অনায়াসে ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়। প্রতিনিয়ত এর উন্নতির ফলে কম্পিউটারের এমন অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো মোবাইল টেলিফোনের মাধ্যমে সহজে করা যায়। এ জন্যই মোবাইল টেলিফোনকে একটি বুদ্ধিমান যন্ত্র বলা হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
483
উত্তরঃ

জিপিএস-এর পূর্ণনাম হচ্ছে Global Positioning System | নিখুঁতভাবে পৃথিবীর কোনো স্থানের অবস্থান সম্পর্কে জানতে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তার নাম জিপিএস। আজকাল নতুন সব গাড়িতেই জিপিএস লাগানো থাকে। ফলে কেউ যদি পথঘাট চিনতে না পারে তাহলে সে জিপিএস এ নির্দিষ্ট জায়গার মাপকে জুড়ে দিতে পারলেই সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে যাওয়া যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
446
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কোনো না কোনো ভাবে সহায়তা করছে। নিম্নে কয়েকটি ব্যবহার দেওয়া হলো-
১. মোবাইলের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে যোগাযোগ করা যায়।
২. ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘরে বসেই পাবলিক পরীক্ষার আবেদন ও ফলাফল জানা যায়।
৩. জিপিএস ব্যবহার করে অজানা গন্তব্যে সহজে পৌঁছানো যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
787
উত্তরঃ

ই-চিকিৎসা হচ্ছে ইন্টারনেট বা মোবাইল টেলিফোনে 'কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সেবা বা পরামর্শ নেওয়া। ই-চিকিৎসা কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের নামের লিস্ট, তাদের মোবাইল নাম্বার এবং চেম্বারের ঠিকানা থাকে। ইন্টারনেট বা মোবাইল টেলিফোন থাকলে অতি সহজেই যেকোনো স্থান থেকে ই-চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে তথ্য নিয়ে চিকিৎসা সেবা নেওয়া যায়। ই-চিকিৎসা অনেক দ্রুত ও কম ব্যয়ে নেওয়া যায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
694
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews