শহরের মেয়ে দীপা তার নানাকে নিয়ে নানা বাড়ির গ্রাম দেখতে বের হয়। তার নানা প্রথমে তাকে একটা অবস্থাপন্ন পরিবারে নিয়ে যান। এ পরিবারে তার বয়সী মেয়েরা সালোয়ার-কামিজ পরে, ঠোঁটে লিপস্টিক দেয়, হাতে চুড়ি ও কানে স্বর্ণের দুল পরে। গৃহিণীরা তাঁতের শাড়ি পরে এবং শাড়ির আঁচল টেনে ঘোমটা দেয়। তাদের হাতে ও গলায় স্বর্ণালংকার শোভা পাচ্ছে। এ বাড়ি পেরিয়ে দীপা এক দিনমজুরের খড়ের তৈরি ঝুপড়ি ঘরে ঢুকে পড়ে। দিনমজুরের স্ত্রীর পরনে মলিন শাড়ি, সন্তানদের পরনে ছেঁড়া হাফপ্যান্ট এবং শরীরের রুগ্ম দশা দেখে দীপার খুব মনঃকষ্ট হয়। সে ভাবে, শত শত বছর চলে যায়, কিন্তু এদেশের দরিদ্র মানুষের জীবনের অভাবগুলো আর চলে যায় না।

'ইতিহাস বলতে বোঝায় সব মানুষের কথা'- ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবন)

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

আলোচ্য বাক্যে বোঝানো হয়েছে, ইতিহাসে থাকে সব রকম মানুষের জীবনযাত্রার পরিচয়।

এককালে বাংলাদেশে রাজার শাসন ছিল না। লোকজন নিজেরাই মিলেমিশে 'যুক্তি-পরামর্শ করে দেশ চালাত। এটি ছিল ইতিহাসের পূর্ব যুগের ঘটনা। তেইশ-চব্বিশ-শ বছর আগে রাজা কর্তৃক শাসন পরিচালনা শুরু হলে মানুষের জীবনাচরণ, জীবনযাত্রার ধরন, রাজনীতি, অর্থনীতি প্রভৃতি নিয়ে ইতিহাস লেখা শুরু হয়। প্রশ্নোক্ত বাক্যে এমন ভাবই বোঝানো হয়েছে।

601

বাংলাদেশের ইতিহাস প্রায় আড়াই হাজার বছরের ইতিহাস। হয়তো আরও বেশি সময়ের। এ ইতিহাসের সবটা আজও ভালো করে জানা নেই আমাদের। আলো-আঁধারের খেলায় অনেক পুরানো কথা ঢাকা পড়েছে।

ইতিহাস বলতে শুধু রাজ-রাজড়াদের কথাই বোঝায় না। বোঝায় সব মানুষের কথা। এককালে এদেশে রাজ-রাজড়া ছিল না, তখন মানুষের দাম ছিল বেশি। লোকজন নিজেরাই যুক্তি পরামর্শ করে কাজ করত, চাষ করত, ঘর বাঁধত, দেশ চালাত।

তারপর তেইশ-চব্বিশশ বছর আগে- রাজা এলেন এদেশে। সেই সঙ্গে মন্ত্রী এলেন, সামন্ত-মহাসামন্তের দল এলেন। কত লোক-লস্কর বহাল করা হলো, কত ব্যবস্থা, কত নিয়মকানুন দেখা দিল।
এক কথায় তখন কারো গর্দান যেত, কেউ বড় লোক হয়ে যেত কারও খুশির বদৌলতে। তখন থেকে ইতিহাসে বড় বড় অক্ষরে রাজাদের নাম লেখা হয়ে গেল, আর প্রজারা রইল পেছনে পড়ে।
তবু এদের কথা কিছু কিছু জানা যায়, পরিচয় পাওয়া যায় এদের জীবনযাত্রার।
হাজার বছর আগে সব পুরুষই পরত ধুতি, সব মেয়েই শাড়ি। শুধু সচ্ছল অবস্থা যাদের, তাদের বাড়ির ছেলেরা ধুতির সাথে চাদর পরত, মেয়েরা শাড়ির সাথে ওড়না ব্যবহার করত। এখনকার মতো তখনো মেয়েরা আঁচল টেনে ঘোমটা দিত, শুধু ওড়নাওয়ালিরা ঘোমটা দিত ওড়না টেনে। তবে ধুতি আর শাড়ি দুই-ই হতো বহরে ছোট। তাতে নানা রকম নকশাও কাটা হতো। মখমলের কাপড় পরত শুধু মেয়েরা। নানারকম সূক্ষ্ম পাটের ও সুতোর কাপড়ের চল ছিল। জুতো পরতে পেত না সাধারণ লোকে-শুধু যোদ্ধা বা পাহারাদাররা জুতো ব্যবহার করত। সাধারণে পরত কাঠের খড়ম। ছাতা-লাঠির ব্যবহার ছিল।
সাজসজ্জার দিকে বেশ ঝোঁক ছিল প্রাচীন বাঙালির। চুলের বাহার ছিল দেখবার মতো। বাবরি রাখত ছেলেরা। না হয় মাথার ওপরে চুড়ো করে বাঁধত চুল। এখন মেয়েরা যেমন ফিতে বাঁধে চুলে, তখন শৌখিন পুরুষেরাও অনেকটা তেমনি করে কোঁকড়া চুল কপালের ওপর বেঁধে রাখত। মেয়েরা নিচু করে 'খোঁপা' বাঁধত-নয়তো উঁচু করে বাঁধত 'ঘোড়াচুড়'। কপালে টিপ দিত, পায়ে আলতা, চোখে কাজল আর খোঁপায় ফুল। নানারকম প্রসাধনীও ব্যবহার করত তারা।
মেয়েরা তো বটেই, ছেলেরাও সে বুগে অলংকার ব্যবহার করত। সোনার অলংকার পরতে পেত শুধু বড়লোকেরা। তাদের বাড়ির ছেলেরাও সুবর্ণকুণ্ডল পরত, মেয়েরা কানে দিত সোনার 'তারঙ্গ'। হাতে, বাহুতে, গলায়, মাথায় সর্বত্রই সোনা-মণি-মুক্তো শোভা পেত তাদের মেয়েদের। সাধারণ পরিবারের মেয়েরা হাতে পরত শাঁখা, কানে কচি কলাপাতার মাকড়ি, গলায় ফুলের মালা।
ভাত বাঙালির বহুকালের প্রিয় খাদ্য। সরু সাদা চালের গরম ভাতের কদর সব চাইতে বেশি ছিল বলে মনে হয়। পুরোনো সাহিত্যে ভালো খাবারের নমুনা হিসেবে যে তালিকা দেওয়া হয়েছে, তা এই: কলার পাতায় গরম ভাত, গাওয়া ঘি, নালিতা শাক, মৌরলা মাছ আর খানিকটা দুধ। লাউ, বেগুন ইত্যাদি তরিতরকারি প্রচুর খেত সেকালের বাঙালিরা, কিন্তু ডাল তখনো বোধহয় খেতে শুরু করে নি। মাছ তো প্রিয় বস্তুই ছিল- বিশেষ করে ইলিশ মাছ। শুটকির চল সেকালেও ছিল-বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে। ছাগমাংস সবাই খেত- হরিণের মাংস বিয়ে বাড়িতে বা এরকম উৎসবেই সাধারণত দেখা যেত। পাখির মাংসও তাই। ক্ষীর, দই, পায়েস, ছানা-এসব ছিল বাঙালির নিত্যপ্রিয়। আম-কাঁঠাল, তাল-নারকেল ছিল প্রিয় ফল। আর খুব চল ছিল খাজা, মোয়া, নাড়ু, পিঠেপুলি, বাতাসা, কদমা এসবের। মশলা দেওয়া পান খেতেও সকলে ভালোবাসত। সাধারণ লোকে মাটির পাত্রেই রান্নাবান্না করত। 'জালা', 'হাঁড়ি', 'তেলানি'- সচরাচর এসব পাত্রের ব্যবহারই করা হতো।

সেকালের পুরুষেরা ছিল শিকারপ্রিয়। কুস্তি খেলারও চল ছিল বেশ। মেয়েরা সাঁতার দিতে ও বাগান করতে ভালোবাসত। মেয়েরা খেলত কড়ির খেলা-ছেলেরা দাবা আর পাশা। বড়লোকরা ঘোড়া আর হাতির খেলা দেখত। যাদের সে ক্ষমতা ছিল না, তারা ভেড়ার লড়াই আর মোরগ-মুরগির লড়াই বাঁধিয়ে দিত।
নাচগানের বেশ প্রসার ছিল। বীণা, বাঁশি, কাড়া, ছোটডমরু, ঢাক-এসব বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার ছিল।
যাতায়াতের প্রধান উপায় ছিল নৌকা। হাতির পিঠে ও ঘোড়া-গাড়িতে চড়ত শুধু অবস্থাপন্ন লোকেরা। গরুর গাড়ি সাধারণ লোকে ব্যবহার করত-তবে সব সময় নয়-বিশেষ উপলক্ষে। মেয়েরা 'ডুলি'তে চড়ত। পালকির ব্যবহারও ছিল। বড় লোকদের পালকি হতো খুব সাজানো-গোছানো, রাজবাড়িতে হাতির দাঁতের পালকিও থাকত।
বেশির ভাগ লোকই থাকতো কাঠ-খড়-মাটি-বাঁশের বাড়িতে। বড় লোকেরাই শুধু ইট-কাঠের বাড়ি করত।
ওপরের বর্ণনা দিতে গিয়ে বারবার বলতে হয়েছে সকলে এক রকম ছিল না। কেননা, সেই পুরোনো কাল আর নেই, যখন সবাই মিলে মিশে কাজ করত। রাজা এসে গেছেন সমাজে। তাই কেউ প্রভু, কেউ ভৃত্য। কেউ প্রভুর প্রভু, কেউ দাসের দাস! দুজন প্রাচীন সংস্কৃত কবির রচনায় তাই এমন দুটি ছবি পাওয়া যায়-সে দুটো ছবি যে একই দেশের, সে কথা মনে হয় না। একজন দিয়েছেন মেয়েদের বর্ণনা: কপালে কাজলের টিপ, হাতে চাঁদের কিরণের মতো সাদা পদ্মবৃন্তের বালা ও তাগা, কানে কচি রিঠা ফলের দুল, স্নানস্নিগ্ধ কেশে তিলপল্লব।
আরেকজন এঁকেছেন সংসারের ছবি:
নিরানন্দে তার দেহ শীর্ণ, পরনে ছেঁড়া কাপড়। ক্ষুধায় চোখ আর পেট বসে গেছে শিশুদের, যেন এক মণ চালে তার একশ দিন চলে যায়।
রাজাদের দল এখন আর নেই। মৌর্য-গুপ্ত, পাল-সেন, পাঠান-মুঘল, কোম্পানি-রানি এদের কাল শেষ হয়েছে। আজকের দুই কবিও হয়তো দুই প্রান্তে বসে এমনি করে কবিতা লিখছেন। একজন লিখছেন সমৃদ্ধির কথা, বিলাসের কথা, আনন্দের কথা। আরেকজন ছবি আঁকছেন নিদারুণ অভাবের, জ্বালাময় দারিদ্র্যের, অপরিসীম বেদনার। সরু চালের সাদা গরম ভাতে গাওয়া ঘি-কত কাল ধরে কত মানুষ শুধু তার স্বপ্নই দেখে আসছে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের ইতিহাস আড়াই হাজার বছর বা তারও বেশি পুরনো।

1k
উত্তরঃ

দীপার দেখা গ্রামের লোকজনের পোশাক-পরিচ্ছদের সাথে হাজার বছর আগের পূর্বপুরুষদের পোশাকের মিল পাওয়া যায়।।

মানুষ যখন সভ্য হতে শুরু করে তখন থেকেই লজ্জা নিবারণ করতে শেখে। আর ধীরে ধীরে মানুষের বিভিন্ন রকম পোশাক-পরিচ্ছদ ও অলংকার ব্যবহারের প্রচলন দেখা যায়।

উদ্দীপকের দীপা গ্রামে তার বয়সী মেয়েদের সালোয়ার-কামিজ, ঠোঁটে লিপস্টিক, হাতে চুড়ি ও কানে স্বর্ণের দুল পরতে দেখে। গৃহিণীরা তাঁতের শাড়ি পরে এবং শাড়ির আঁচল টেনে ঘোমটা দেয়। তাদের হাতে-গলায় স্বর্ণালংকার শোভা পাচ্ছে। 'কত কাল ধরে' রচনায় লেখক বলেছেন, এক হাজার বছর আগে সব পুরুষই ধুতি পরত, সক মেয়েই শাড়ি পরত। এখনকার মতো তখনও মেয়েরা আঁচল টেনে ঘোমটা দিত। এক্ষেত্রেই উভয় বর্ণনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

433
উত্তরঃ

"শত শত বছর চলে যায়, কিন্তু এদেশের মানুষের জীবনের অভাবগুলো চলে যায় না।” বিষয়টি উদ্দীপক ও 'কত কাল ধরে' প্রবন্ধের ক্ষেত্রে গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ও যথার্থ।

যখন এদেশে রাজ-রাজড়া ছিল না, তখন মানুষের মূল্যায়ন ছিল বেশি। লোকজন নিজেরাই যুক্তি-পরামর্শ করে কাজ করত, চাষ করত, ঘর বাঁধত, দেশ চালাত। মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক ছিল।

উদ্দীপকে দীপা দিনমজুরের জীবনযাত্রার যে চিত্র দেখতে পায় তা হলো এ রকম- দিনমজুরদের খড়ের তৈরি ঝুপড়ি ঘর। দিনমজুরের স্ত্রীর পরনে মলিন শাড়ি, সন্তানদের পরনে ছেঁড়া হাফপ্যান্ট এবং শরীরের রুগ্‌ণ দশা। 'কত কাল ধরে' রচনার লেখক দিনমজুরের দুরবস্থার জন্য রাজা-বাদশাদের আগমনকে কিছুটা দায়ী করেছেন। লেখকের মতে, রাজারা যখন এদেশে এলেন তাদের সঙ্গে মন্ত্রী, সামন্ত-মহাসামন্তের দল এলেন। তখন থেকেই ইতিহাসে রাজাদের নাম বড় বড় অক্ষরে লেখা হতে লাগল। আর প্রজারা পেছনে পড়ে রইল।

'কত কাল ধরে' প্রবন্ধে বাঙালি ও বাংলার অতীত ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনবোধের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। এখানে অতীতে বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠীর অন্যায় শাসন-শোষণের শিকার হয়ে এদেশের সাধারণ মানুষের জীবনে কষ্ট নেমে আসার দিকটিও প্রতিফলিত হয়েছে। আলোচ্য উদ্দীপকে বিষয়টি উপস্থিত। কারণ শত শত বছর গেলেও এসব মানুষের জীবনে বিশেষ পরিবর্তন লক্ষ করা যায় না। এদিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

301
উত্তরঃ

আগেকার দিনে রাজ-রাজড়াদের অবস্থান সৃষ্টি না হওয়ায় সাধারণ লোকজন কোনো সমস্যায় নিজেরাই যুক্তি-পরামর্শ করে কাজ করত।

বাঙালি জাতির আদিকালের ইতিহাস অনেক সম্মানের। সে সময় রাজা ও প্রজার এ পরিচয়টি ছিল না। তাদের মাঝে কোনো সমস্যা দেখা দিলে নিজেরাই একসঙ্গে বসে যুক্তি-পরামর্শের ভিত্তিতে সেই বিষয়ের সমাধান দিত। সুতরাং নিজেদের সমস্যার সমাধান নিজেরা করতেই তারা এভাবে কাজ করত।

159
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'কত কাল ধরে' রচনার মেয়েদের সাজসজ্জার বিষয়টি প্রকাশ করে।

প্রাচীন কাল থেকেই এদেশের মানুষের সাজসজ্জা ও পোশাকে রয়েছে বৈচিত্র্য। তারা বিভিন্নভাবে নিজেদের সাজাতে পছন্দ করত। তাদের সাজসজ্জায় এদেশের ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে।

উদ্দীপকের কবিতাংশে মেয়েদের অলংকার ব্যবহার করে সাজসজ্জার কথা বলা হয়েছে। কবিতার মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে মেয়েরা নাকে নোলক, ফুলের মালা, বাঁশ পাতার নথ, হাতে বালা, পাটের শাড়ি পরে। তাই তো ছেলেটির বিয়ের কনে হতে মেয়েটি রাজি হলে তাকে এসব দিতে চেয়েছে। 'কত কাল ধরে' প্রবন্ধেও এ বিষয়টির প্রকাশ ঘটেছে। মেয়েরা নিচু করে খোঁপা বাঁধত, তাতে ফুল দিত। তারা শাড়ি পরত। সাধারণ পরিবারের মেয়েরা হাতে শাঁখা, কানে কচি কলাপাতার মাকড়ি, গলায় ফুলের মালা ইত্যাদি দিয়ে সাজসজ্জা করতে পছন্দ করে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপক ও আলোচ্য রচনা উভয় জায়গায় সাজসজ্জার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।

135
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews