ইন্টারনেট ব্যবহারের সুফল ও কুফল সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট ও ফেসবুক ব্যবহারের সুফল-কুফল নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ। 


উত্তর:

সুমন :কেমন আছো?

রিপন : ভালো আছি সুমন। কিন্তু তোমাকে খুব ক্লান্ত দেখাচ্ছে।

সুমনঃঠিক বলেছো। গত রাতে নেটে বসেছিলাম। কখন যে সকল হয়ে গেলো টেরই পেলাম না

রিপনঃ বন্দু প্রথম দিকে যখন আমি নেট ব্যবহার করতাম, আমারও এমন হতো

সুমন: আমি ইন্টারনেটে একেবারে নতুন।

রিপনঃ যেহেতু তুমি একজন নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সুতরাং ইন্টারনেট ব্যবহার  সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।

সুমনঃ জী রিপন। বন্ধু তুমি কী আমাকে ইন্টারনেটের ব্যবহার সম্পকে সুস্পষ্ট ধরণা দিবা..?আমি


রিপনঃ জি অবশ্যই। ইন্টারনেটের শত-সহস্র ব্যবহারিক সুবিধার মধ্যে একটি হলো দেশ-বিদেশের সকল প্রকার শিক্ষা ও গবেষণার যাবতীয় তথ্য সহজভাবে জানা যায়।

সুমনঃ জী আমি এটা দেখে পুরো বিস্মিত যে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাংলাদেশে বসে আমেরিকার ই কংগ্রেস' বা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি পড়াসহ বিশ্বের যে কোনো লাইব্রেরির পড়া যায় এবং দুষ্প্রাপ্য তথ্যাদি জানা যায়।

রিপনঃ ইন্টারনেট একটি বিশাল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম যার বিস্তৃতি পৃথিবীময়। গবেষণা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসহ কোটি কোটি লোকের বাক্তিগত কম্পিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে ইন্টারনেট।

সুৃমনঃ ঠিক বলেছো।


রিপনঃ তবে ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় কিছু বিষয়ে সচেতন হতে হবে..

সুমনঃ কোন বিষয় গুলোর প্রতি সচেতন হতে হবে..?

রিপনঃ প্রধানত ইন্টারনেটের একটি বহুল ব্যবহিত এবং গুরুত্বপূর্ণ সাইট হলো সোসাল ন্যাটওয়ার্কিং যেমন- ফেইসবুক, টুইটার, ব্লগিং ইত্যাদি ওয়েবসাইট রয়েছে, যেগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধান ও সচেতন হতে হবে। যেন ইন্টারনেটেরর এই সকল সাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেটে তোমার জন্য
জন্য কুফল বয়ে না আনে।

সুমনঃ ইন্টারনেটের এইসকল সাইট গুলো কীভাবে আমার জন্য কুফল বয়ে আনতে পারে..?

রিপনঃ এই সাইট গুলোর মাধ্যমে অনেকে তোমার ব্যাক্তিগত তথ্য নিয়ে তা দিয়ে খারাপ বিভিন্নধরনের গুজব ছড়াতে পারে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যা সঠিক নয় এমন গুজব ছড়ানো সহ বিভিন্ন খারাপ কাজ হয়ে থাকে যা থেকে নিজে সচেতন থাকতে হবে এবং অপরকে সচেতন করতে হবে।

সুৃমনঃ মিথ্যা গুজব বা তথ্য প্রচার করা তো খারাপ কাজ এগুলোর মাধ্যমে মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে থাকে এবং সমাজে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে।

সুমনঃ জি তুমি ঠিক ধরতে পেরেছ।এছাড়া আরও কিছু বিষয়ে তোমার ধারণা থাকা প্রয়োজন। ইন্টারনেটের মাধ্যমে কিছু অসাধু ব্যবস্থা ভোক্তা পর্নোগ্রাফির চিত্র আদান-প্রদান, কিংবা জুয়া খেলার মতো অনুচিত কাজ করে থাকে।

রিপনঃ হ্যা! ইন্টারনেটের মাধ্যামে এসব খারাপ কাজ ও করা হয়..?

সুমনঃ জি এমন আরও অসামাজিক কাজ ওও ইন্টারনেটের মাধ্যমে হয়ে থাকে। তাছারা আর একটা বিষয় ইন্টারনেট ব্যবহার করায় যেন কোনভাবে তুমি আসক্ত না হয়ে পরে সে বিষয়ে সর্তক থাকতে হবে। এবং উপরের সবগুলো বিষয় থেকে সাবধান থাকবে।

রিপনঃ ধন্যবাদ বন্ধু আজ তোমার 
সাথে দেখা হয়ে অনেক ভালো লাগলো এবং অনপক গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় তোমার থেকে জানা হলো।

সুমনঃ তোমাকেও ধন্যবাদ আমাকে সময় দেওয়ার জন্য।

রিপনঃ আল্লাহ হফেজ বন্ধু। ভালো থেকো।

সুমনঃ আল্লাহ হাফেজ। তুৃমিও সাবধানে থাকো।

14.1k

Related Question

View All
উত্তরঃ

মাদকাসক্তির ভয়াবহ পরিণতি

বাড়ি বাড়ি ঘুরে কাজ করে আরজিনা বেগম। আরজিনার দুই ছেলে মোতালেব আর আলেপ। বিভিন্ন এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে বড় ছেলে মোতালেবকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ করার আশা বুকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করে। কিন্তু মাদকাসক্তির কারণে মোত্তালেব দ্রুতই ভুল পথে পা বাড়ায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সে কিছু খারাপ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে এবং ধীরে ধীরে মাদকের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। পড়াশোনায় তার মনোযোগ কমে যায় এবং সে নিয়মিত ক্লাসে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।

মোতালেব মায়ের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা আদায় করতে শুরু করে। প্রথমদিকে আরজিনা বেগম ছেলের প্রয়োজনে সরল মনে টাকা দিলেও, পরবর্তীতে তার সন্দেহ হতে থাকে। মোতালেবের আচরণে অস্বাভাবিকতা, দেরিতে বাড়ি ফেরা এবং পড়াশোনায় অমনোযোগ তাকে চিন্তিত করে তোলে। এনজিওর ঋণের কিস্তি শোধ করতে আরজিনা বেগমকে আরও বেশি কষ্ট করতে হয়, কিন্তু ছেলের এমন পরিবর্তনের কারণ তিনি তখনও পুরোপুরি বুঝতে পারেননি।

একসময় মোতালেবের মাদকাসক্তির বিষয়টি আরজিনা বেগমের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়। ছেলের এই অবস্থা দেখে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। তার সমস্ত স্বপ্ন যেন ধূলিসাৎ হয়ে যায়। তিনি মোতালেবকে নেশা ছাড়ানোর জন্য অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু মোতালেব তার কথা শুনতো না। নেশার টাকা জোগাড় করতে সে পরিবারের সাথে দুর্ব্যবহার করতে শুরু করে। এদিকে ছোট ছেলে আলেপ মাকে সাহায্য করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে, কিন্তু মোতালেবের এই উচ্ছৃঙ্খল জীবন তাদের পরিবারের উপর ভয়াবহ চাপ সৃষ্টি করে।

মাদকাসক্তির কারণে মোতালেবের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। একসময় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। এই ঘটনা আরজিনা বেগমকে আরও বেশি শোকে ডুবিয়ে দেয়। তার হাড়ভাঙা পরিশ্রম, স্বপ্ন এবং ত্যাগের বিনিময়ে মোতালেবের ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়। মোতালেব একসময় পরিবার ও সমাজের বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। আরজিনা বেগমের এই করুণ পরিণতি সমাজের সকল বাবা-মায়ের জন্য একটি শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত যে, সন্তানের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি ও অনিয়ন্ত্রিত স্বাধীনতা অনেক সময় এমন ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে, যা পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
895
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews