উপযুক্ত শিরোনামসহ নিচের সংকেত অনুসরণে একটি খুদে গল্প লেখ :

বাড়ি বাড়ি ঘুরে কাজ করে আরজিনা বেগম। আরজিনার দুই ছেলে মোতালেব আর আলেপ। বিভিন্ন এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে বড় ছেলে মোতালেবকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ করার আশা বুকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করে। কিন্তু মাদকাসক্তির কারণে মোত্তালেব-----

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

মাদকাসক্তির ভয়াবহ পরিণতি

বাড়ি বাড়ি ঘুরে কাজ করে আরজিনা বেগম। আরজিনার দুই ছেলে মোতালেব আর আলেপ। বিভিন্ন এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে বড় ছেলে মোতালেবকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ করার আশা বুকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করে। কিন্তু মাদকাসক্তির কারণে মোত্তালেব দ্রুতই ভুল পথে পা বাড়ায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সে কিছু খারাপ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে এবং ধীরে ধীরে মাদকের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। পড়াশোনায় তার মনোযোগ কমে যায় এবং সে নিয়মিত ক্লাসে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।

মোতালেব মায়ের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা আদায় করতে শুরু করে। প্রথমদিকে আরজিনা বেগম ছেলের প্রয়োজনে সরল মনে টাকা দিলেও, পরবর্তীতে তার সন্দেহ হতে থাকে। মোতালেবের আচরণে অস্বাভাবিকতা, দেরিতে বাড়ি ফেরা এবং পড়াশোনায় অমনোযোগ তাকে চিন্তিত করে তোলে। এনজিওর ঋণের কিস্তি শোধ করতে আরজিনা বেগমকে আরও বেশি কষ্ট করতে হয়, কিন্তু ছেলের এমন পরিবর্তনের কারণ তিনি তখনও পুরোপুরি বুঝতে পারেননি।

একসময় মোতালেবের মাদকাসক্তির বিষয়টি আরজিনা বেগমের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়। ছেলের এই অবস্থা দেখে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। তার সমস্ত স্বপ্ন যেন ধূলিসাৎ হয়ে যায়। তিনি মোতালেবকে নেশা ছাড়ানোর জন্য অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু মোতালেব তার কথা শুনতো না। নেশার টাকা জোগাড় করতে সে পরিবারের সাথে দুর্ব্যবহার করতে শুরু করে। এদিকে ছোট ছেলে আলেপ মাকে সাহায্য করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে, কিন্তু মোতালেবের এই উচ্ছৃঙ্খল জীবন তাদের পরিবারের উপর ভয়াবহ চাপ সৃষ্টি করে।

মাদকাসক্তির কারণে মোতালেবের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। একসময় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। এই ঘটনা আরজিনা বেগমকে আরও বেশি শোকে ডুবিয়ে দেয়। তার হাড়ভাঙা পরিশ্রম, স্বপ্ন এবং ত্যাগের বিনিময়ে মোতালেবের ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়। মোতালেব একসময় পরিবার ও সমাজের বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। আরজিনা বেগমের এই করুণ পরিণতি সমাজের সকল বাবা-মায়ের জন্য একটি শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত যে, সন্তানের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি ও অনিয়ন্ত্রিত স্বাধীনতা অনেক সময় এমন ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে, যা পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
895

Related Question

View All
উত্তরঃ

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কলেজ প্রাঙ্গণে ছাত্র-ছাত্রীদের রক্তদান কর্মসূচির কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে সদর হাসপাতালের নতুন মেডিক্যাল অফিসার ডা. শায়লা উপস্থিত হলেন। তার চোখেমুখে ছিল সতেজতা ও সেবার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। তিনি দেখলেন, তরুণদের মাঝে রক্তদানে ব্যাপক উৎসাহ, প্রতিটি স্টলে স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যস্ততা এবং সুশৃঙ্খলভাবে দাতা ও গ্রহীতাদের সারি। ডা. শায়লা এগিয়ে এসে আয়োজকদের সাথে কথা বললেন, তাদের মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করলেন এবং প্রয়োজনীয় যেকোনো সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন। তিনি নিজেও রক্তদান বুথের কার্যক্রম ঘুরে দেখলেন, যেখানে ছাত্ররা অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করছে।

এমন সময় এক তরুণ দাতা সামান্য অসুস্থ বোধ করায় সেচ্ছাসেবকদের মাঝে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিলে ডা. শায়লা দ্রুত এগিয়ে এলেন। তিনি অভিজ্ঞ হাতে তার প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আশ্বস্ত করলেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিলেন, যার ফলে পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত হলো। তার উপস্থিত বুদ্ধি ও কার্যকর পদক্ষেপ কর্মসূচির সুষ্ঠু পরিচালনায় নতুন গতি আনলো। ডা. শায়লার এই তাৎক্ষণিক সহযোগিতা ও নিবেদিত মনোভাব ছাত্র-ছাত্রীদের অনুপ্রাণিত করল এবং স্বাধীনতা দিবসের মহৎ উদ্দেশ্যকে রক্তদানের মতো মানবিক সেবার মাধ্যমে আরও মহিমান্বিত করে তুলল। দিনশেষে সফলভাবে রক্তদান কর্মসূচি সম্পন্ন হলো, যা ডা. শায়লার নতুন কর্মজীবনের একটি উজ্জ্বল ও ইতিবাচক সূচনা হয়ে রইল।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
972
উত্তরঃ

এক বিকেল

আজকাল শহরের বিকেলগুলো কেমন যেন ম্লান থাকে। ধূসর আকাশ আর ব্যস্ত সড়কের কোলাহল ঘিরে রাখে প্রতিটি মুহূর্তকে। তবুও, এই শহরেরই কোনো এক পুরোনো বাড়ির ছাদে, এখনো দেখা যায় কিছু মানুষের ছোট ছোট স্বপ্ন বুনন। তেমনই এক বিকেলে, অপু ছাদে উঠে এলো তার রং-তুলি নিয়ে। তার মন আজ ভীষণ অস্থির, ক্যানভাসে নতুন কিছু আঁকার তাগিদ অনুভব করছে সে।

অপু একজন নবীন চিত্রশিল্পী। তার ক্যানভাসে প্রায়শই ধরা পড়ে শহর জীবনের নিস্তরঙ্গ মুহূর্তগুলো। আজ তার বিষয় ছিল ছাদের কোণে ফোটা বুনো ফুল আর তার পাশে বসে থাকা এক বৃদ্ধ দম্পতি। তাদের মুখে ছিল মৃদু হাসি, চোখে ছিল জীবনের দীর্ঘ পথের স্মৃতি। অপু মুগ্ধ চোখে দেখছিল তাদের নিঃশব্দ প্রেম আর জীবন সায়াহ্নের নিবিড় শান্তি। তুলির প্রতিটি টানে যেন সেই অব্যক্ত গল্প জীবন্ত হয়ে উঠছিল।

আকাশের শেষ আলো যখন মিইয়ে আসতে শুরু করল, তখন অপু অনুভব করল, আজকের বিকেলটা কেবল ধূসর ছিল না। এটি ছিল রঙে, মায়ায় আর ভালোবাসায় ভরা এক অবিস্মরণীয় বিকেল। তার ক্যানভাসে সেই ছবি অমর হয়ে রইল, হয়ে উঠল তার শিল্প জীবনের অন্যতম সেরা সৃষ্টি।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
3.3k
উত্তরঃ মানুষ মানুষের জন্য

প্রচণ্ড গ্রীষ্মের দুপুর। সূর্য মাথার ওপর আগুন ঢালছে। এমন সময় মফিজ সাহেব তার রিকশা নিয়ে শহরের উপকণ্ঠ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তার একমাত্র সম্বল এই রিকশা, যা দিয়ে দিনশেষে যা আয় হয়, তা দিয়ে অসুস্থ স্ত্রী ও ছোট দুই সন্তানের মুখে দু’মুঠো খাবার তুলে দেন। হঠাৎ করেই একটি অপরিচিত শব্দে তার রিকশা থেমে গেল। টায়ার ফেটে চুরমার! আশেপাশে কোনো দোকান নেই, জনমানবহীন প্রায় পথ। মফিজ সাহেবের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ল। এই ভরা দুপুরে এমন বিপদ, কিভাবে তিনি গ্যারেজে পৌঁছাবেন, আর আজকের দিনটা কিভাবে চলবে!

তিনি যখন নিরুপায় হয়ে রিকশার পাশে বসে ঘামছিলেন, তখন পেছন থেকে একটি প্রাইভেট কার এসে থামল। কার থেকে নেমে এলেন এক ভদ্রলোক, নাম তার রফিক সাহেব। মফিজ সাহেবের বিমর্ষ মুখ দেখে তিনি এগিয়ে এলেন। “কী হয়েছে ভাই?” জিজ্ঞাসা করলেন রফিক সাহেব। মফিজ সাহেব সব খুলে বললেন। রফিক সাহেব মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি মফিজ সাহেবকে প্রস্তাব দিলেন, তার রিকশাটি গাড়ির পেছনে বেঁধে টেনে নিকটস্থ গ্যারেজ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার। মফিজ সাহেব প্রথমে ইতস্তত করলেও, ভদ্রলোকের আন্তরিকতা দেখে রাজি হলেন।

অনেকটা পথ রফিক সাহেব তার গাড়ির সাথে রিকশা বেঁধে ধীরে ধীরে চালিয়ে গেলেন। অবশেষে একটি গ্যারেজের সামনে এসে গাড়ি থামালেন। মফিজ সাহেব অবাক হয়ে দেখলেন, রফিক সাহেব তার গাড়ির ক্ষতি হওয়ার কথা একবারও ভাবেননি, শুধু একজন অসহায় মানুষকে সাহায্য করার কথাই ভেবেছেন। গ্যারেজ মালিককে বুঝিয়ে দিয়ে, টায়ার সারানোর বিল মিটিয়ে দিলেন রফিক সাহেব। মফিজ সাহেব কৃতজ্ঞতায় বাকরুদ্ধ। তার চোখে জল এসে গেল। রফিক সাহেব মৃদু হেসে বললেন, “মানুষ মানুষের জন্য, ভাই। বিপদে আপদে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোই তো মানবতা।”

মফিজ সাহেব সেদিন শুধু একটি টায়ার সারানোর সাহায্যই পাননি, পেয়েছিলেন নতুন করে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা। রফিক সাহেবের এই অপ্রত্যাশিত সাহায্য তার মনে গভীর দাগ কেটেছিল। তিনি প্রতিজ্ঞা করলেন, তিনিও সুযোগ পেলে অন্য কোনো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। কারণ তিনি বুঝেছিলেন, এই পৃথিবীতে সবাই একা নয়, মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই জীবনের আসল সার্থকতা।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
2.6k
উত্তরঃ

বাস থেকে নামতেই বিরাট শহরের বৈচিত্রা দোখ অনেকটাই ভয় পেয়ে গেল শামীম। এখানেই তাকে থাকতে হবে। আলমরে ভাবছিল সে। হঠাৎ একটা রিকসা এসে থামলো তার পাশে। সে অবাক হয়ে দেখল একজন ভদ্রলোক তার দিকেই তাকিয়ে আছে। রিকসা থেকে নামলেন লোকটা।

তোমার বাড়ি নবাবগঞ্জ না?

জি না তো।

ও স্যরি। চেনা চেনা লাগছিল।

বলেই হনহনিয়ে চলে গেলো লোকটা। হোঁচট খেলো শামীম- কী-রে বাবা। ফুটপাথের দোকানে দাঁড়িয়ে একটা কলা আর এক কাপ চা খেলো সে। দাম মেটাতে পকেটে হাত দিতেই দেখলো মানিব্যাগটা নেই। কী রে বাবা। আবার হোঁচট খেলো সে। শামীদের বাড়িতে বৃদ্ধ মা আর কৃষক বড়ো ভাই। সে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে আর পড়াশুনা করতে পারেনি। তিন বছর বেকার থেকে শেষ পর্যন্ত ঢাকায় পাড়ি জমিয়েছে। এখানে অনেক কাজের সুযোগ। যা হয় একটা কাজের খোঁজে। সে চায়ের দোকানিকে ঘটনা খুলে বাল জানালো-

পরে একদিন আপনার পয়সা পরিশোধ করব।

দোকানি কটমট করে তাকালেন

আইচ্ছা- যান গা।

অপমানবোধে কষ্ট হলো শামীমের। কিন্তু কী আর করা। তার পকেটে কোনো টাকাকড়ি নেই। সন্ধ্যা নেমে আসছে। ক্ষিদে পেয়েছে। এখন সে কী খাবে? কোথায় যাবে। হাঁটতে হাঁটতে কিছুটা এগুলো। ভাবছিল কোনো একটা দোকানে সমস্যার কথা বলে কিছু খাবে। এরই মধ্যে খেয়াল হলো ঐ চায়ের দোকানে সে তার ব্যাগটা ফেলে এসেছে। হনহনিয়ে সেখানটায় গিয়ে হতাশ হতে হলো তাকে। ঐ দোকানিকে তাকিয়ে থাকতে দেখেই শামীম জিজ্ঞেস করলো-

ভাই, একটা কালো ব্যাগ ফেলে গেছি এখানটায়। কিছু বলতে পারবেন?

একবার কইলেন পকেটে টাকা নাইক্যা। কইলাম আচ্ছা যান গা। এখন কইতাছেন ব্যাগ নাইক্যা। বাড়ি কোনখানে মিয়া।

শামীম হোঁচট খেলো আবার।

কিন্তু সেতো সহজে হার মানবে না। এই শহর বহু লোককে টিকে থাকার পথ দেখায়। সে বড়ো আশা করে এসেছে এখানে। শামীম ঠিক করলো আজ রাতে আর তার খাওয়া হবে না। আনমনে হাঁটতে হাঁটতে সেই জায়গাটায় গিয়ে দাঁড়ালো। যেখানটায় সে নেমেছে। ভাবছে, ঐখানটায়, ঐযে পেট্রোল পাম্পের ওখানে ফাঁকা জায়গাটায় বসে ঝিমিয়ে রাতটা কাটাবে। তারপর সকাল হলে দেখা যাবে বাঁ

করা যায়।

হঠাৎ সে দেখে সে-ই ভদ্রলোক। যে ওকে রিকসা থেকে দেখে নেমে এসেছিলেন। শামীম তার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেষ্টা করলো। তার দিকে এগিয়ে গেলো বড়ো প্রত্যাশা নিয়ে। লোকটা শামীমকে কিছু বলার আগেই শামীম বলল-

ভাইজান।

আপনি যে জিজ্ঞাসা করেছিলেন আমার বাড়ি নবাবগঞ্জ কি না, আমি মিথ্যে কথা বলেছিলাম।

কেন?

বলো-

ভয়ে ভাইজান। ভয় পেয়েছিলাম।

লোকটি অবাক হয়ে শামীমের দিকে তাকিয়ে থাকলেন। তিনি কিছু বলবেন- শামীম সেই আশায় কান খাড়া করে একইভাবে তার দিকে তাকিয়ে থাকল।

264
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews