ই-পুর্জি হলো চিনিকলের পুর্জি বা ইক্ষু সরবরাহের অনুমতিপত্রের ইলেকট্রনিক সংস্করণ। আগে চিনিকলে ইক্ষু সরবরাহ করার জন্য কাগজের পুর্জি ব্যবহার করা হতো। কিন্তু ই-পুর্জির ব্যবহার শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রক্রিয়াটি আরও স্বচ্ছ এবং সহজ হয়েছে। ই-পুর্জি চাষীদের তাদের ইক্ষু সরবরাহের বিষয়ে তাৎক্ষণিক তথ্য পেতে সাহায্য করে এবং চিনিকল কর্তৃপক্ষকে তাদের কার্যক্রম আরও ভালোভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ ব্যাখ্যা করতে পারব :
• যোগাযোগের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব;
• ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুযোগ ব্যাখ্যা করতে পারব;
• সরকারি কার্যক্রমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের পুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব
• চিকিৎসা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অবদান ব্যাখ্যা করতে পারব
• গবেষণার ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব ।
Related Question
View Allশিক্ষাক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয়। এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার হলো-
১. তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করা যায়।
২. তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘরে বসে যেকোনো পরীক্ষার ফলাফল জানা যায়।
আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে অর্থ প্রেরণ এখন খুব সহজ হয়ে গেছে। মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং বিভিন্ন অর্থ প্রেরণ অ্যাপসের মাধ্যমে আমরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খুব সহজেই অর্থ প্রেরণ করতে পারি। এতে সময় এবং খরচ উভয়ই অনেক কমে গেছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, এটি নিরাপদ এবং সুবিধাজনক।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরিবহন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। GPS, স্মার্টফোন অ্যাপ এবং অনলাইন বুকিং সিস্টেমের মাধ্যমে আমরা সহজেই যানবাহন বুক করতে, যানজট এড়াতে এবং সর্বোত্তম রুট খুঁজে পেতে পারি। এছাড়া নতুন প্রযুক্তি যেমন-স্বয়ংচালিত গাড়ি এবং ড্রোন পরিবহন ব্যবস্থায় আরও বেশি দক্ষতা এবং নিরাপত্তা আনছে।
ইন্টারনেট চালাতে মডেম প্রয়োজন হয় কারণ মডেমই ইন্টারনেট সংকেতকে কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইস বুঝতে পারে এমন ভাষায় রূপান্তর করে। মডেম ইন্টারনেট সংযোগের জন্য একটি সেতু হিসেবে কাজ করে। এটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের নেটওয়ার্ককে ব্যবহারকারীর ডিভাইসের নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে অনেক সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। যেমন, টাইপরাইটারের জায়গায় কম্পিউটার, হিসাব রক্ষকের জায়গায় স্প্রেডশিট এবং মানি অর্ডার এর জায়গায় মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ এসেছে। এছাড়া, অনেক কারখানায় যান্ত্রিক কাজগুলো রোবট দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। ফলে মানুষের হাতে কম কাজ থাকছে এবং তাদেরকে নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে।
সংযুক্তিই উৎপাদনশীলতা অর্থাৎ প্রযুক্তিতে জনগণের সংযুক্তি বাড়লে তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ে। ফলে তৈরি হয় নতুন নতুন কর্মসংস্থান। তথ্য প্রযুক্তির বিকাশের ফলে কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে, তবে অসংখ্য নতুন কাজের সৃষ্টি হয়েছে। ইন্টারনেট সংযোগ বৃদ্ধির সাথে সাথে কর্মসংস্থানের সুযোগও দ্রুত হারে বেড়ে গিয়েছে। তাই বলা যায় যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগের ফলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!