সংক্ষিপ্ত-  প্রশ্নোত্তর  সমাধান

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয়। এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার হলো-

১. তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করা যায়।
২. তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘরে বসে যেকোনো পরীক্ষার ফলাফল জানা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে অর্থ প্রেরণ এখন খুব সহজ হয়ে গেছে। মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং বিভিন্ন অর্থ প্রেরণ অ্যাপসের মাধ্যমে আমরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খুব সহজেই অর্থ প্রেরণ করতে পারি। এতে সময় এবং খরচ উভয়ই অনেক কমে গেছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, এটি নিরাপদ এবং সুবিধাজনক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরিবহন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। GPS, স্মার্টফোন অ্যাপ এবং অনলাইন বুকিং সিস্টেমের মাধ্যমে আমরা সহজেই যানবাহন বুক করতে, যানজট এড়াতে এবং সর্বোত্তম রুট খুঁজে পেতে পারি। এছাড়া নতুন প্রযুক্তি যেমন-স্বয়ংচালিত গাড়ি এবং ড্রোন পরিবহন ব্যবস্থায় আরও বেশি দক্ষতা এবং নিরাপত্তা আনছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট চালাতে মডেম প্রয়োজন হয় কারণ মডেমই ইন্টারনেট সংকেতকে কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইস বুঝতে পারে এমন ভাষায় রূপান্তর করে। মডেম ইন্টারনেট সংযোগের জন্য একটি সেতু হিসেবে কাজ করে। এটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের নেটওয়ার্ককে ব্যবহারকারীর ডিভাইসের নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে অনেক সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। যেমন, টাইপরাইটারের জায়গায় কম্পিউটার, হিসাব রক্ষকের জায়গায় স্প্রেডশিট এবং মানি অর্ডার এর জায়গায় মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ এসেছে। এছাড়া, অনেক কারখানায় যান্ত্রিক কাজগুলো রোবট দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। ফলে মানুষের হাতে কম কাজ থাকছে এবং তাদেরকে নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সংযুক্তিই উৎপাদনশীলতা অর্থাৎ প্রযুক্তিতে জনগণের সংযুক্তি বাড়লে তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ে। ফলে তৈরি হয় নতুন নতুন কর্মসংস্থান। তথ্য প্রযুক্তির বিকাশের ফলে কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে, তবে অসংখ্য নতুন কাজের সৃষ্টি হয়েছে। ইন্টারনেট সংযোগ বৃদ্ধির সাথে সাথে কর্মসংস্থানের সুযোগও দ্রুত হারে বেড়ে গিয়েছে। তাই বলা যায় যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগের ফলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তথ্যপ্রযুক্তি সংযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ে। ড. ইকবাল কাদিরের মতে, সংযুক্তিই উৎপাদনশীলতা। প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়ে প্রতিষ্ঠান স্বল্প কর্মী দিয়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়, যা উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর মূল কারণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বর্তমান পৃথিবীতে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন কারখানায় বিপজ্জনক কাজ রোবট বা স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র দিয়ে করা, কর্মীদের উপস্থিতি ও বেতন হিসাব সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করা, এবং স্বয়ংক্রিয় ইন্টারেকটিভ ভয়েস প্রযুক্তি দিয়ে গ্রাহকদের ২৪ ঘন্টা সেবা প্রদান ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আধুনিক কর্মস্থলে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত প্রচলিত। ই-মেইল, ভিডিয়ো কনফারেন্সিং, ক্লাউড স্টোরেজ, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়‍্যার ইত্যাদির মাধ্যমে কর্মচারীরা তথ্য আদান-প্রদান করে, কাজের সমন্বয় করে এবং সিদ্ধান্ত নেয়। এছাড়া, অনলাইন ট্রেনিং, অটোমেশন এবং ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। অনেক কোম্পানি এখন উপস্থিতি, বেতন, ভাতা ইত্যাদি তথ্যও ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ এবং পরিচালনা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ার কারণে কর্মক্ষেত্রেও নতুন নতুন চাহিদা সৃষ্টি হয়। ফলে দক্ষতা উন্নয়নের কর্মসূচিতেও প্রতিনিয়ত পরিবর্তন আনা জরুরি হয়ে পড়ে। নতুন প্রযুক্তি এবং সফটওয়‍্যার ব্যবহার করতে শিখতে হলে নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হয়। যারা নিজেদের দক্ষতা নিয়মিত আপডেট করে রাখে, তারাই প্রযুক্তির এই পরিবর্তনশীল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। তাই দক্ষতা উন্নয়নের কর্মসূচিতে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের দক্ষতা বাড়ায় কারণ এটি কাজকে সহজ ও স্বয়ংক্রিয় করে। যেমন- ফটোগ্রাফি বা ভিডিও এডিটিংয়ের মতো কাজ এখন কম্পিউটারের মাধ্যমে ঘরে বসে করা যায়। ফলে কর্মীরা সময়ের সাথে নিজেদের ক্রমাগত দক্ষ করে তুলতে পারেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভার্চুয়াল প্রতিষ্ঠান হলো এমন প্রতিষ্ঠান যা অনলাইন-ভিত্তিক।
এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে কর্মীরা ঘরে বসে কাজ করে।
২. কর্মীদের কাজ অনলাইন মনিটরিং এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভার্চুয়াল প্রতিষ্ঠানে কর্মচারীরা বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকলেও, তারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে একত্রিত হয়ে কাজ করে। ভিডিয়ো কনফারেন্সিং, মেসেজিং অ্যাপ, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট টুলস এবং ক্লাউড স্টোরেজের মাধ্যমে তারা যোগাযোগ করে, কাজ বণ্টন করে এবং প্রকল্প পরিচালনা করে। ভার্চুয়াল প্রতিষ্ঠানে অফিসের মতো একটি ভার্চুয়াল অফিস থাকে যেখানে সব তথ্য এবং ডকুমেন্ট সংরক্ষিত থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তথ্যপ্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে মনিটরিংয়ের মাধ্যমে কর্মীদের কার্যক্রম তদারকি করে। ফলে তারা নিয়মিত কাজ সম্পন্ন করতে উদ্বুদ্ধ হয়। এর ফলে কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও দক্ষতা বাড়ে। যার সুফল কর্মী এবং প্রতিষ্ঠান উভয় পক্ষই ভোগ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের বিস্তার দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে বিপুল পরিবর্তন এনেছে। মোবাইল কোম্পানিতে কাজের সুযোগ, মোবাইল সেট বিক্রয়, বিপণন ও রক্ষণাবেক্ষণ, মোবাইল সেবা প্রদান, মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদি নতুন নতুন খাত সৃষ্টি হয়েছে। ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জবসাইট হলো এমন একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেখানে নিয়োগদাতা এবং চাকরিপ্রার্থীরা একে অপরকে খুঁজে পায়। নিয়োগদাতারা তাদের প্রতিষ্ঠানের খালি পদগুলোতে আবেদন করার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। অন্যদিকে, চাকরিপ্রার্থীরা তাদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সাথে মিল রেখে চাকরির সন্ধান করে এবং আবেদন করে। জবসাইটে রেজুমি আপলোড করার এবং নিয়োগদাতাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার সুবিধা থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেটের মাধ্যমে জবসাইটগুলোতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়, যা কর্মপ্রত্যাশীরা তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পারেন। নিবন্ধিত প্রার্থীদের ই-মেইল বা এসএমএস-এর মাধ্যমে নতুন চাকরির খবর জানানো হয়। ফলে চাকরির সুযোগ প্রাপ্তি সহজ হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আউটসোর্সিং হলো কোনো প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কাজের একটি অংশ বা পুরোটাই অন্য দেশের কর্মীকে দিয়ে করানো। সাধারণত, কোনো কাজ যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের মূল কাজ না হয় বা যদি সেই কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা বা সম্পদ না থাকে, তখন সেই কাজটি আউটসোর্স দিয়ে করানো হয়। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠান নিজের মূল কাজে আরও বেশি মনোযোগ দিতে পারে এবং খরচ কমাতে পারে। পাশাপাশি কর্মীরা ঘরে বসে আয় করার সুযোগ পায়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেটের বিকাশের ফলে বর্তমানে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর জন্য ঘরে বসে অন্য দেশের কাজ করে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের নিজেদের অনেক কাজ যেমন- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যুক্তকরণ, সফটওয়্যার উন্নয়ন অন্যদেশের কর্মীর মাধ্যমে সম্পন্ন করে থাকে। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে যে কেউ এ ধরনের কাজের সাথে যুক্ত থাকতে পারে। এক্ষেত্রে কাজের দক্ষতার পাশাপাশি ভাষা দক্ষতাও সমানভাবে প্রয়োজন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যখন কোন প্রতিষ্ঠান তাদের কাজ বাইরের কোন কর্মীর মাধ্যমে করিয়ে নেয়, তখন সেই ব্যবস্থাকে বলে আউটোসোর্সিং। বাংলাদেশে আউটসোর্সিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে জনপ্রিয় সাইটগুলো হলো আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার এবং ইল্যান্স। এগুলোর মাধ্যমে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা আন্তর্জাতিক কাজের সাথে যুক্ত হতে পারেন এবং ঘরে বসেই আয়ের সুযোগ পান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে মুক্ত পেশা বা ফ্রিল্যান্সিং একটি জনপ্রিয় পেশা হয়ে উঠছে। ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যুক্তকরণ, সফটওয়‍্যার উন্নয়ন এর মতো অনেক কাজ বর্তমানে আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা ঘরে বসেই করছে। বাংলাদেশ সরকারও মুক্ত পেশাকে উৎসাহিত করছে এবং বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা প্রদান করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। ওয়েবসাইট উন্নয়ন, সফটওয়‍্যার তৈরির কাজসহ বিভিন্ন প্রকল্প ফ্রিল্যান্সিং সাইটে পাওয়া যায়। ইন্টারনেটের বিকাশের ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে থেকেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা যায়। এর মাধ্যমের মুক্তপেশা বা ফ্রিল্যান্সিং সব অঞ্চলেই জনপ্রিয় হচ্ছে। ফলে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর কর্মীরা ঘরে বসেই বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

যোগাযোগের পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: একমুখী এবং দ্বিমুখী। একমুখী পদ্ধতিতে একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অনেকের সাথে যোগাযোগ করে, যেমন রেডিও ও টেলিভিশন। অন্যদিকে, দ্বিমুখী পদ্ধতিতে উভয়পক্ষ যোগাযোগে অংশগ্রহণ করতে পারে, যেমন টেলিফোন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একমুখী যোগাযোগ এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে তথ্য একদিক থেকে পাঠানো হয় এবং প্রাপক তা গ্রহণ করেন কিন্তু উত্তর দেওয়ার সুযোগ থাকে না। রেডিও এবং টেলিভিশন একমুখী যোগাযোগের উদাহরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্রডকাস্ট হলো এক ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা যেখানে একজন প্রেরক তার বার্তা একসাথে অনেক গ্রাহকের কাছে পাঠাতে পারে। এটি টেলিভিশন, রেডিও এবং ইন্টারনেটের মতো মাধ্যমে ব্যবহৃত হয়। একজন ব্রডকাস্টার তার বার্তা একটি নির্দিষ্ট চ্যানেলের মাধ্যমে প্রচার করে এবং তার শ্রোতা বা দর্শকরা সেই চ্যানেলের মাধ্যমে সেই বার্তা গ্রহণ করে। তবে এক্ষত্রে দর্শক বা শ্রোতারা পাল্টা যোগাযোগ করতে পারে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

একমুখী ও দ্বিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার পার্থক্য নিম্নরূপ-

একমুখী যোগাযোগদ্বিমুখী যোগাযোগ
১। যেখানে একজন ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠান একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে, তবে প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ থাকে না।১। যেখানে দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি তথ্য বিনিময়ের সুযোগ থাকে।
২। এটি একমুখী বা Broadcast পদ্ধতিতে কাজ করে। যেমন-রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্র ইত্যাদি।২। এটি সংলাপ ভিত্তিক পদ্ধতিতে কাজ করে। যেমন- ফোন, ভিডিও কল, চ্যাটিং ইত্যাদি।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সংকেত দেওয়ার জন্য আইসিটি যন্ত্র রেডিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মুক্তিযোদ্ধাদের অনুরোধে আকাশবানী রেডিও থেকে ১৩ই আগস্ট বেজে উঠে বিখ্যাত গায়ক পঙ্কজ মল্লিকের গাওয়া একটি গান "আমি তোমায় যত শুনিয়েছিলাম গান"। সেই গানটি একটি ছিল একটি সংকেত, সেটি শুনে নৌ কমান্ডোরা বুঝতে পেরেছিল তাদের এখন আঘাত হানার সময় এসেছে। এভাবেই আইসিটি যন্ত্র রেডিওটি মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১৫ই আগস্ট মুক্তিযোদ্ধা নৌ কমান্ডোরা চট্টগ্রাম বন্দরে অনেক পাকিস্তানি জাহাজে মাইন লাগিয়ে ডুবিয়ে দিয়েছিলো। এই দুঃসাহসিক অভিযানের দিনক্ষন জানানোর জন্য মুক্তিযোদ্ধারা বিশেষ সংকেত ব্যবহার করে। তাদের অনুরোধে আকাশবাণী রেডিয়োতে ১৩ই আগস্ট পঙ্কজ মল্লিকের গাওয়া গান "আমি তোমায় যত শুনিয়েছিলাম গান" বাজায়। সেই গান শুনে মুক্তিযোদ্ধারা বুঝতে পারে যে আঘাত হানার সময় হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্রডকাস্ট পদ্ধতির উদাহরণ হলো রেডিও, টেলিভিশন, খবরের কাগজ, ম্যাগাজিন, এবং অনলাইন পত্রিকা। এই পদ্ধতিতে তথ্য অনেকের কাছে একমুখীভাবে পৌছে দেওয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে দর্শক বা শ্রোতারা পাল্টা যোগাযোগ করতে পারে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্রডকাস্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যেমন- সংবাদ প্রচার, বিনোদন, শিক্ষা, বিজ্ঞাপন এবং সরকারি ঘোষণা। টেলিভিশন চ্যানেলগুলো সংবাদ, ধারাবাহিক নাটক, চলচ্চিত্র প্রচারের জন্য ব্রডকাস্টিং ব্যবহার করে। রেডিও চ্যানেলগুলো সংবাদ, গান এবং অন্যান্য শ্রবণযোগ্য বিষয় প্রচার করে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিং, ভিডিয়ো অন ডিমান্ড এবং ওয়েবকাস্টিংয়ের মতো সেবাগুলো ব্রডকাস্টিংয়ের উদাহরণ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

দ্বিমুখী যোগাযোগ হলো এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা যেখানে দুই পক্ষই পরস্পরের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এটি একটি ইন্টারেক্টিভ প্রক্রিয়া যেখানে প্রেরক এবং গ্রাহক উভয়ই তাদের মতামত, চিন্তাভাবনা এবং তথ্য একই সময়ে বিনিময় করতে পারে। ফোন কল, ভিডিয়ো কনফারেন্স, চ্যাট এবং ই-মেইল হলো দ্বিমুখী যোগাযোগের কিছু উদাহরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষকে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা কোনো র‍্যক্তির সাথে সহজেই যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবসা, শিক্ষা এবং রাজনীতির ক্ষেত্রেও বিপুল প্রভাব ফেলে। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো মানুষের জীবনযাত্রাকে বদলে দিয়েছে। এসব কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তথ্যপ্রযুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে একজন ব্যক্তি একই সময়ে অনেকের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এটি সংগঠিত হতে, উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে এবং তথ্য বিনিময় করতে সহায়তা করে। এতে কোনো ব্যক্তি তার পরিচিত লোকদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে এবং তার জীবনের নানা ঘটনা, মতামত, অনুভূতি পরিচিতিজনদেরকে জানাতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ওয়েব কনফারেন্সিং এমন একটি প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইন মিটিং, সেমিনার এবং ভিডিয়ো বা অডিয়ো কনফারেন্সিং করতে সাহায্য করে। এটি ভৌগোলিক দূরত্ব অতিক্রম করে ভার্চুয়াল সভা আয়োজনের সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে দুইজন থেকে কয়েক হাজার লোক পর্যন্ত একই সময়ে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ পায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ওয়েব কনফারেন্সিং বলতে ইন্টারনেটে বিভিন্ন মিডিয়া (অডিয়ো, ভিডিয়ো অথবা উভয়) ব্যবহার করে ওয়েব সেমিনার, ওয়েবকাস্ট এবং ওয়েব মিটিংসহ বিভিন্ন ধরনের অনলাইন কনফারেন্সিং সেবাকে বুঝানো হয়। ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মধ্যে সভা করা, টেলিমেডিসিনের ক্ষেত্রে ডাক্তার, রোগী ও হসপিটালের সাথে সভা করা, সামাজিক যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে কমিউনিটির মধ্যে ভার্চুয়াল গেট-টু-গেদার আয়োজন করা ইত্যাদি কাজে বর্তমানে ওয়েব কনফারেন্সিং প্রযুক্তি ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হয়

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ওয়েব কনফারেন্সিং সফটওয়্যারের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে ভিডিয়ো কনফারেন্সিং, অডিয়ো কনফারেন্সিং, স্লাইডশো উপস্থাপনা, ফাইল শেয়ারিং, অভ্যন্তরীণ বার্তা চ্যাট, এবং সেশনের রেকর্ডিং অন্তর্ভুক্ত। এটি ভার্চুয়াল সভার জন্য অপরিহার্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভিডিয়ো কনফারেন্সিং সফটওয়্যার উপযুক্ত হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে ভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে অবস্থানকারী ব্যক্তিদেরকে মিটিং চলাকালে ভার্চুয়ালভাবে মুখোমুখি থাকার অভিজ্ঞতা দেয়। এই সফ্টওয়্যার একটি ভার্চুয়াল সভাঘর স্থাপন করে যেখানে দুজন ব্যক্তি থেকে শুরু করে কয়েক হাজার অংশগ্রহণকারী পর্যন্ত একত্র হতে পারে। এক্ষেত্রে একজন মডারেটর বা উপস্থাপক সভার নিয়ন্ত্রণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অডিয়ো কনফারেন্সিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে কম খরচে ফোন কল এবং কনফারেন্স কল করা যায়। এটি সাধারনত ভিডিয়ো কনফারেন্সিং সফটওয়‍্যারের সাথেই অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এক্ষত্রে ভিডিয়ো ক্যামেরা বন্ধ রেখে কনফারেন্সে যুক্ত ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভার্চুয়াল জগতে সভা আয়োজনের সুবিধা হলো ভৌগোলিক দূরত্ব অতিক্রম করে ভিডিয়ো বা অডিয়ো কনফারেন্সিং করা যায়। এটি ব্যবসায়িক সভা, টেলিমেডিসিন এবং সামাজিক যোগাযোগ রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

নিরাপদ ওয়েব কনফারেন্সিং সফ্টওয়্যার সভার গোপনীয়তা রক্ষা করে থাকে। সভায় নতুন যোগদানকারীর পরিচয় যাচাই করার জন্য ভার্চুয়‍্যাল ওয়েটিং রুম বা অনুমতি সেটিংসের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাছাড়া তথ্য চুরি ঠেকাতে বিভিন্ন ধরনের এনক্রিপশন পদ্ধতিরও প্রয়োগ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জনপ্রিয় ওয়েব কনফারেনন্সিং সফটওয়‍্যারের মধ্যে জুম (Zoom), ফেসটাইম (FaceTime), ফেসবুক মেসেঞ্জার রুম (Facebook Messenger Room), মাইক্রোসফট টিম (Microsoft Team), সিসকো ওয়েবএক্স (Cisco Webex), স্কাইপ (Skype), গুগল মিট (Google Meet) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এসব সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বসে সেমিনার, সভা, মিটিং, ওয়েবিনার ইত্যাদি করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবসায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. কম সময়ে অধিক পরিমাণ কাজ করা যায়। এতে ব্যবসার খরচ কমে।
২. বিশেষায়িত সফটওয়্যার কৌশল ব্যবহারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মজুদের হালনাগাদ তথ্য জানা যায় ফলে সেই অনুযায়ী উৎপাদনের ব্যবস্থা করা যায়।
৩. উৎপাদন স্বয়ংক্রিয়করণসহ আইসিটি নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হলে কম সময়ে অধিক উৎপাদন করা যায়।
৪. ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্যের খবর বিভিন্ন ওয়েবসাইটে, সামাজিক যোগাযোগ সাইটে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। এতে পণ্যের প্রচারে সহায়তা পাওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আইসিটি ব্যবহার করে যেভাবে ব্যবসায়ের খরচ কমানো যায় তা নিচে ব্যাখ্যা-করা হলো-

১. বিশেষায়িত সফটওয়্যার ব্যবহার করে পণ্যের মজুদ নিয়ন্ত্রণ।
২. উৎপাদন ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়করণ।
৩. উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা।
৪. সঠিক হিসাব সংরক্ষণ।
৫. পণ্য বা সেবার বিপণন বা প্রচার।
৬. বিক্রয় ব্যবস্থাপনা ও হিসাব।
৭. মূল্য সংগ্রহ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আইসিটির মাধ্যমে বিশেষায়িত সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্যের মজুদ সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য পেতে পারেন। এটি বাজার চাহিদার ভিত্তিতে মজুদ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ফলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত মজুদ না রেখে উৎপাদন ব্যয় হ্রাস করা যায় এবং ব্যবসার লাভ বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আইসিটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি এবং সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যবস্থাকে উন্নত করে। এতে কম সময়ে বেশি উৎপাদন সম্ভব হয় এবং খরচ কমে যায়। তাছাড়া কর্মী ব্যবস্থাপনায় আইসিটির ব্যবহার দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং উৎপাদনে গতিশীলতা আনতে সহায়তা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মোবাইল ফোন, ইমেইল, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট ও ইন্ট্রানেটের মাধ্যমে দ্রুত ও কার্যকর যোগাযোগ সম্ভব হয়েছে। মোবাইলের মাধ্যমে দূর থেকে ব্যবসা পরিচালনা করা যায়, ফ্যাক্সের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ নথি পাঠানো যায় এবং ইমেইলের মাধ্যমে পণ্য সম্পর্কিত তথ্য ও ছবি সহজেই আদান-প্রদান করা যায়। এভাবেই যোগাযোগ ব্যবস্থা আইসিটি অবদান রেখে চলেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ই-মেইল ব্যবসার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে দ্রুততার সঙ্গে লিখিত যোগাযোগ করা যায়। এমনকি পণ্যের ছবি ক্রেতার কাছে পাঠানো যায়। পণ্য সম্পর্কে অন্য কোনো ক্রেতার মূল্যায়ন যদি ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়ে থাকে, তাহলে সেটির লিংকও পাঠানো যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের দ্রুত যোগাযোগে সহায়তা করে। এটি দূরবর্তী অবস্থান থেকেও কোনো ব্যবসায়ীকে ব্যবসা পরিচালনা করতে সক্ষম করে। কনফারেন্স কলের মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে একযোগে আলোচনা করা যায়। ফলে ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত দ্রুত গ্রহণ করা সম্ভব হয় এবং সেবার মান উন্নত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ইন্টারনেট ব্যবসার তথ্য প্রচার, গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা, অনলাইন বিপণন এবং প্রতিযোগীদের তথ্য সংগ্রহে সহায়তা করে। এটি বিশ্বব্যাপী পণ্য ও সেবার প্রচার করে, যার মাধ্যমে ব্যবসার প্রসার ঘটে। এছাড়া, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি পণ্য বিক্রিও সম্ভব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দপ্তর ভৌগোলিকভাবে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। এসব ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে সংস্থাপিত ইন্টারনেট তাদের ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সাধন করছে। নিজেদের মধ্যে সংস্থাপিত ইন্টারনেটই হলো ইন্ট্রানেট। অর্থাৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সমগ্র সংগঠনের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য ইন্ট্রানেট ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আইসিটির বিভিন্ন হিসাব সংরক্ষণ সফটওয়‍্যার যেমন স্প্রেডশিট ও ডেটাবেস ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবসায়িক লেনদেনের তথ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে সহায়তা করে। এটি আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখা, কর্মীদের বেতন পরিশোধ এবং কর হিসাব সহজতর করে, যা ব্যবসার আর্থিক পরিকল্পনাকে উন্নত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিপণন কাজে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, ই-মেইল মার্কেটিং এবং অনলাইন বিজ্ঞাপন হলো বিপণনে তথ্য প্রযুক্তির কিছু প্রধান ব্যবহার। এই সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করে কোম্পানিগুলো তাদের পণ্য বা সেবা সম্পর্কে গ্রাহকদের কাছে সরাসরি তথ্য পৌঁছাতে পারে, বাজার গবেষণা করতে পারে এবং তাদের ব্র্যান্ডের প্রচারণা চালাতে পারে। তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে বিপণন আরও দক্ষ, কার্যকর হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জিপিএস (GPS) হলো Global Positioning System-এর
সংক্ষিপ্ত রূপ। এর সাহায্যে পৃথিবীর যেকোনো অবস্থান সম্পর্কে নিখুঁতভাবে জানা যায়। এই জিপিএস সিস্টেমটি এখন সব স্মার্টফোনেই লাগানো থাকে। তাই ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে কখন কোন পথে যেতে হবে কিংবা কোন প্রতিষ্ঠানটি কোথায় কিংবা কোন দোকানপাট কোথায় সবকিছু স্মার্টফোনেই পাওয়া যায়। নতুন প্রায় সব গাড়িতে পথ দেখানোর জন্য জিপিএস লাগানো থাকে। তাই জিপিএস যুক্ত গাড়ি ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে এখন যেকোনো স্থানে যাওয়া যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

EPOS (Electronic Point of Sale) হলো একটি কম্পিউটারাইজড সিস্টেম যা পণ্য বিক্রয় এবং পেমেন্ট প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করতে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত দোকান, রেস্তোরাঁ এবং অন্যান্য খুচরা বিক্রেতাদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়। EPOS সিস্টেমগুলো পণ্যের তথ্য, 'গ্রাহকের তথ্য এবং বিক্রয়ের তথ্য রেকর্ড করে এবং বিক্রয়ের রসিদ তৈরি করে। এটি স্টক ম্যানেজমেন্ট, ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট এবং কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্টে সহায়তা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে ইলেকট্রনিক পয়েন্ট অব সেল (EPOS) ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা বিক্রয়ের সব তথ্য সংরক্ষণ করতে পারেন। এটি বিক্রয়ের অগ্রগতি নিরীক্ষা, মজুদ নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব বিশ্লেষণে সহায়তা করে। ফলে ব্যবসায় স্বচ্ছতা বজায় থাকে এবং আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব রাখা সহজ হয়। এভাবেই আইসিটি বিক্রয় ব্যবস্থাপনায় অবদান রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তথ্য প্রযুক্তি যেমন- ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং এবং অনলাইন লেনদেনের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা সহজে ও দ্রুত পণ্যের মূল্য সংগ্রহ করতে পারেন। এটি নগদ লেনদেনের ঝামেলা কমায়, ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা বাড়ায় এবং গ্রাহকদের জন্যও কেনাকাটা সহজ ও নিরাপদ করে তোলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে ওয়েবসাইট বা পোর্টালের মাধ্যমে সকল তথ্য সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় ওয়েব পোর্টাল ঠিকানা হলো www.bangladesh.gov.bd। এছাড়াও সরকার মোবাইল অ্যাপ এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরকারি নোটিশ, আদেশ, নির্দেশনা এবং জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সহজে প্রকাশ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আইসিটির মাধ্যমে বর্তমানে আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন ও সংশোধন প্রক্রিয়া অধিকতর সহজতর হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খসড়া আইন প্রকাশ করে জনগণের মতামত নেওয়া হয়। কল সেন্টার ও ই-মেইলের মাধ্যমে জনগণের মতামত সংগ্রহ করে নীতিনির্ধারকরা তা বিশ্লেষণ করতে পারেন। এটি সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা আনয়নের পাশাপাশি জনগণের মতামতকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। ফলে আইন ও নীতিমালাগুলো আরও বেশি সময়োপযোগী ও কার্যকর হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে প্রায় ১২ কোটি মোবাইল ব্যবহারকারী থাকায় এটি সরকারি তথ্য প্রচারের অন্যতম কার্যকর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিভিন্ন জরুরি ঘোষণা, সরকারি সিদ্ধান্ত বা বিশেষ দিবস সংক্রান্ত বার্তা মোবাইল ফোনের Short Message Service (SMS) বা ভয়েস কলের মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌছে দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, করোনা মহামারির সময় স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন নির্দেশনা, টিকা সংক্রান্ত তথ্য ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির বার্তা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছিল। এটি দ্রুত ও কার্যকর উপায়ে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে তথ্য পৌছে দেওয়ার একটি যুগান্তকারী মাধ্যম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

সরকারি কর্মকান্ডে আইসিটির সবচেয়ে উদ্ভাবনী ও কুশলী প্রয়োগ হলো জনগণের কাছে নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়া। মোবাইল ফোন, রেডিয়ো, টেলিভিশন এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে নাগরিক সেবাসমূহ সরাসরি নাগরিকের দোরগোড়ায় এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তার হাতের মুঠোয় পৌঁছে দেওয়া যায়। উন্নত দেশগুলোতে এর মাধ্যমে জনগণ ঘরে বসেই পাসপোর্ট প্রাপ্তি, আয়কর প্রদান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, সরকারি কোষাগারে অর্থপ্রদান প্রভৃতি কাজ নিমিষেই সম্পন্ন করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

জনগণের কাছে নাগরিক সেবা পৌছে দেওয়ার সেবাকে বলা
হয় দোর গোড়ায় সরকারি সেবা। মোবাইল ফোন, রেডিও, টেলিভিশন এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে নাগরিক সেবাসমূহ সরাসরি নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়া যায়। উন্নত দেশগুলোতে এর মাধ্যমে জনগণ ঘরে বসেই পাসপোর্ট প্রাপ্তি, আয়কর প্রদান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, সরকারি কোষাগারে অর্থপ্রদান প্রভৃতি কাজ নিমিষেই সম্পন্ন করতে পারে। আমাদের দেশেও বর্তমানে অনেক নাগরিক সেবা খুব সহজে পাওয়া যায়। এর মধ্যে উল্লেখযো্য হলো- ই-পর্চা, ই-বই, ই-পুর্জি, পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ, ই-স্বাস্থ্য সেবা, অনলাইনে আয়কর রিটার্ন প্রস্তুতকরণ, টাকা হস্তান্তর, পরিসেবার বিল পরিশোধ, পরিবহন ক্ষেত্র ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতির ফলে এখন সরকারি বিভিন্ন সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট, রেডিয়ো ও টেলিভিশনের মাধ্যমে জনগণ সহজেই নাগরিক সুবিধা গ্রহণ করতে পারছে। উন্নত দেশে যেমন অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন, আয়কর প্রদান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, সরকারি ফি প্রদান সম্ভব, তেমনই বাংলাদেশেও ই-পর্চা, ই-পূর্জি, ই-স্বাস্থ্যসেবা, মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদির মাধ্যমে সরকারি সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
এটি জনগণের সময় ও খরচ সাশ্রয় করার পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রমকেও অধিকতর দক্ষ করে তুলেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

পর্চা বলতে বোঝায় জমির দলিলের রেকর্ড বা অনুলিপি। ই-পর্চা হলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে জমির রেকর্ড সংরক্ষণ ও সরবরাহের একটি ব্যবস্থা। আগে জমির মালিকানা বা এ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে জনগণকে বিভিন্ন দপ্তরে যেতে হতো এবং দুর্নীতির শিকার হতে হতো। বর্তমানে ৬৪টি জেলায় ই-সেবা কেন্দ্র চালু হওয়ায় জনগণ অনলাইনে আবেদন করে সহজেই জমির কাগজপত্র সংগ্রহ করতে পারছে। এটি হয়রানি কমানোর পাশাপাশি জমি সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ই-বুক হলো কোনো বই এর ডিজিটাল রূপ, যা যেকোনো কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মাধ্যমে পড়া যায়। বাংলাদেশ সরকার ই-বুক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে www.ebook.gov.bd ওয়েবসাইটটি চালু করেছে, যেখানে বিভিন্ন শ্রেণির বই অনলাইনে পাওয়া যায়। এটি শিক্ষার্থীদের বই কেনার বাড়তি খরচ কমিয়েছে এবং দূরবর্তী অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য সহজে বই পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মহামারির সময় এটি শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ই-পুর্জি হলো চিনিকলের পুর্জি বা ইক্ষু সরবরাহের অনুমতিপত্রের ইলেকট্রনিক সংস্করণ। আগে চিনিকলে ইক্ষু সরবরাহ করার জন্য কাগজের পুর্জি ব্যবহার করা হতো। কিন্তু ই-পুর্জির ব্যবহার শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রক্রিয়াটি আরও স্বচ্ছ এবং সহজ হয়েছে। ই-পুর্জি চাষীদের তাদের ইক্ষু সরবরাহের বিষয়ে তাৎক্ষণিক তথ্য পেতে সাহায্য করে এবং চিনিকল কর্তৃপক্ষকে তাদের কার্যক্রম আরও ভালোভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ই-পুর্জি হলো একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা যার মাধ্যমে চিনিকলে আখ সরবরাহের অনুমতিপত্র কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। আগে কৃষকদের এই পুর্জি পেতে দীর্ঘ সময় ও দুর্নীতির শিকার হতে হতো। বর্তমানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরাসরি কৃষকদের কাছে পূর্জি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এটি হয়রানি কমিয়ে কৃষকদের সময় ও উৎপাদনশীলতা বাড়িয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বর্তমানে দেশের সকল পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। আগে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় বা কলেজের নোটিশ বোর্ড থেকে ফলাফল সংগ্রহ করতে হতো, যা সময়সাপেক্ষ ছিল। এখন শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইনে ওয়েবসাইটে গিয়ে বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সহজেই ফলাফল জানতে পারে, যা সময় বাঁচায় ও পরিশ্রম কমায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

টেলিমেডিসিন হলো একটি দূরবর্তী চিকিৎসা সেবা যেখানে রোগী এবং চিকিৎসক একসঙ্গে এক জায়গায় না থেকেই তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে পরামর্শ ও চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারে। ভিডিয়ো কল এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রোগীরা চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে এবং তাদের স্বাস্থ্য সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা করে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ই-স্বাস্থ্যসেবা হলো ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা পদ্ধতি যেখানে জনগণ মোবাইল ফোন, ই-মেইল বা ভিডিও কলের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারে। দেশের বিভিন্ন স্থানে টেলিমেডিসিন সেবা চালু হওয়ায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়া অনেক সহজ হয়েছে। এছাড়া, সরকারি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত অভিযোগ মোবাইল ফোন বা এসএমএসের মাধ্যমে জানানো যায়, যা দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের মাধ্যমে করদাতারা ঘরে বসেই তাদের আয়কর সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করতে পারেন। এটি করদাতাদের হয়রানি কমিয়ে দিয়েছে এবং সরকারি রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করেছে। অনলাইনে কর প্রদান করদাতাদের সময় বাঁচায় ও দুর্নীতি কমায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

টাকা স্থানান্তরে তথ্যপ্রযুক্তির কী ভূমিকা রয়েছে? (পাঠ্যবই পৃ.-১৩] উত্তর: টাকা স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় তথ্যপ্রযুক্তি যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। পোস্টাল ক্যাশ কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং ও ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে এখন সহজেই টাকা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পাঠানো যায়। এটি দেশের মানুষের পাশাপাশি দেশের বাইরে থাকা মানুষদেরও দেশে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করেছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বিভিন্ন পরিসেবা বিল বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই পরিশোধ করা যায়। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ইত্যাদির বিল পরিশোধ আগে সময়সাপেক্ষ ছিল। বর্তমানে অনলাইন ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করা যায়, যা গ্রাহকদের জন্য সুবিধাজনক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ব্যবসার উদ্দেশ্যে যখন কোনো কোম্পানি গঠন করা হয়, তখন তা সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত হতে হয়। এক সময় এ নিবন্ধন প্রক্রিয়া ছিলো খুবই ঝামেলার এবং সময়সাপেক্ষ। আইসিটির প্রয়োগের ফলে সে চিত্র এখন অনেকটাই পাল্টেছে। বাংলাদেশ রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিস (www.roc.gov.bd)-এর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এখন কোম্পানি নিবন্ধনের কাজ অনলাইনে করা যায়। এর মাধ্যমে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, সহজ ও ঝামেলামুক্ত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তথ্যপ্রযুক্তি চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে। রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা পরিকল্পনা এবং রোগীর তথ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি অত্যাবশ্যক। মেডিকেল ইমেজিং, জিনগত পরীক্ষা এবং টেলিমেডিসিনের মতো ক্ষেত্রগুলোতে তথ্যপ্রযুক্তির অবদান অপরিসীম। এছাড়াও, চিকিৎসা গবেষণা, নতুন ওষুধ আবিষ্কার এবং চিকিৎসা পদ্ধতি উন্নয়নের ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অতীতে ডাক্তাররা রোগীর লক্ষণ দেখে অনুমানের ভিত্তিতে চিকিৎসা করতেন, কিন্তু এখন তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে রোগ নির্ণয় করা আরও সহজ ও নির্ভুল হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে রোগীর শরীর বিশ্লেষণ করা হয়, যা ডাক্তারদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। ফলে অনুমানের পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ওপর নির্ভর করেই চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আমাদের দেশে এখনো ডাক্তারের সংখ্যা বেশি নয়। এ অপ্রতুলতার কারণে অনেক সময়েই দেখা যায় ছোট শহরে বা গ্রামে অভিজ্ঞ ডাক্তারদের পাওয়া যায় না। দূর থেকে টেলিফোন বা মোবাইল প্রযুক্তির সাহায্যে স্বাস্থ্যবিষয়ক টিপস নেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলা হয়। যখন হাতের কাছে কোনো ডাক্তারকে জরুরি কিছু জিজ্ঞেস করার উপায় নেই, তখন টেলিমেডিসিন ব্যবহার করে ডাক্তারের সাহায্য নেওয়া যায়। এভাবেই টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসা জগতে এক নতুন বিপ্লব ঘটাতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

টেলিমেডিসিন হলো তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে বসেও চিকিৎসা সেবা গ্রহণের একটি পদ্ধতি। এটি বিশেষ করে সেসব এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে অভিজ্ঞ ডাক্তার পাওয়া কঠিন। বাংলাদেশে ১৬২৩৬ নম্বরে ফোন করে মানুষ যেকোনো সময় চিকিৎসা পরামর্শ নিতে পারে, যা স্বাস্থ্যসেবার সুযোগকে আরও সম্প্রসারিত করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শিশুদের রোগ প্রতিরোধক টিকা সঠিক সময়ে দেওয়ার ফলে বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে টিকা দেওয়ার কার্যক্রম পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা সহজ হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা টিকার সরবরাহ ও প্রয়োগ সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারছেন, যা জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভবিষ্যতে তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে চিকিৎসা আরও উন্নত হবে। প্রত্যেক রোগীর জন্য তার শরীর অনুযায়ী আলাদা ওষুধ তৈরি করা হবে। এছাড়া, সার্জনরা দূরবর্তী স্থান থেকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অপারেশন করতে পারবেন। আধুনিক গবেষণার ফলে শুধু রোগের উপসর্গ নয়, বরং রোগের মূল কারণ খুঁজে বের করে তা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা সম্ভব হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চিকিৎসা গবেষণায় তথ্যপ্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মানুষের জিনোম রহস্যভেদের মতো জটিল গবেষণাগুলো আধুনিক কম্পিউটার ও ডাটা অ্যানালিটিক্সের মাধ্যমে সহজ হয়ে গেছে। এটি নতুন ওষুধ আবিষ্কার, রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার উন্নয়নে সাহায্য করছে। ফলে ভবিষ্যতে চিকিৎসা আরও কার্যকর হবে বলে আশা করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

আধুনিক যুগে তথ্যপ্রযুক্তি ছাড়া কোনো ধরনের গবেষণা কল্পনা করা যায় না। বিজ্ঞান, প্রকৌশল, মানবিক বিদ্যা, সামাজিক বিজ্ঞান-সব ক্ষেত্রেই গবেষণার জন্য বিপুল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে এই সমস্ত কাজ সহজে এবং দ্রুত করা সম্ভব। বর্তমানে বিপুলসংখ্যক তথ্য স্বল্প সময়ে বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটারভিত্তিক বিভিন্ন পদ্ধতি বা অ্যালগরিদম অপরিহার্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তথ্যপ্রযুক্তি গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, কারণ এটি তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও বিশ্লেষণকে সহজ করেছে। গবেষকরা এখন কম্পিউটার ব্যবহার করে বিশাল তথ্যভান্ডারের সাথে সংযোগ রাখতে পারেন, যা তাদের গবেষণার মান উন্নত করে। সাহিত্য থেকে বিজ্ঞান, সব ক্ষেত্রেই গবেষণার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তথ্য প্রযুক্তির কারণে গবেষণার জগতে সম্পূর্ণ নতুন একটা মাত্রা যোগ হয়েছে। মানুষ এখন সাহিত্য, শিল্প, সমাজবিজ্ঞান, গণিত অথবা প্রযুক্তি আর বিজ্ঞান, যা নিয়েই গবেষণা করুক না কেন তারা কম্পিউটার এবং তথ্য প্রযুক্তি ছাড়া এই গবেষণার কথা চিন্তাও করতে পারে না। বর্তমানে বৈজ্ঞানিক সকল কর্মকান্ডে কম্পিউটারের উপর নির্ভরশীল। জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশে, অণু-পরমাণুর গঠন প্রকৃতি নির্ণয়ে, ঔষধের মান নিয়ন্ত্রণে, মহাকাশযান ডিজাইন, পাঠানোর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কম্পিউটার দ্বারা দ্রুত সমাধান করা যায়। তাই বলা যায় যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে গবেষণার কাজ সহজতর হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

শিল্প, সাহিত্য ও সমাজবিজ্ঞান গবেষণায় তথ্যপ্রযুক্তি বিশাল তথ্যভান্ডার সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপনে সাহায্য করে। গবেষকরা ডিজিটাল লাইব্রেরি ও ডাটাবেস ব্যবহার করে সহজেই তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। এছাড়া, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের জন্য বিভিন্ন সফটওয়‍্যার ব্যবহার করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গবেষণা প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক। তাত্ত্বিক গবেষণায় তথ্য বিশ্লেষণ ও তত্ত্বের যাচাই করতে কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। ব্যবহারিক গবেষণায় পরীক্ষাগারে বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়, যেখানে কম্পিউটার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গবেষকদের বিশাল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও বিশ্লেষণ করতে হয়, যা ম্যানুয়ালি করা অনেক সময়সাপেক্ষ ও কঠিন। কম্পিউটার এই কাজগুলো দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সম্পাদন করতে সাহায্য করে। গবেষকরা তথ্য বিশ্লেষণের জন্য ডেটাবেস ব্যবহার করতে পারেন, যা গবেষণার ফলাফলকে আরও নির্ভুল ও কার্যকর করে তোলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ল্যাবরেটরি গবেষণার জন্য অপরিহার্য, কারণ এখানে গবেষকরা নতুন যন্ত্রপাতির মাধ্যমে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান। তথ্যপ্রযুক্তি ল্যাবরেটরির যন্ত্র পরিচালনা, পরীক্ষা সংরক্ষণ ও ফলাফল বিশ্লেষণে সহায়তা করে। অনেক ক্ষেত্রে গবেষকরা দূরবর্তী অবস্থান থেকেও কম্পিউটার ব্যবহার করে ল্যাবরেটরি পরিচালনা করতে পারেন

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মাইক্রো কন্ট্রোলার হলো একটি ছোট কম্পিউটার যা একটি একক ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটে নির্মিত হয়। এতে প্রসেসর, মেমোরি এবং ইনপুট/আউটপুট থাকে। মাইক্রোকন্ট্রোলার বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়, যেমন- রোবট, অটোমোবাইল, হোম অটোমেশন সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম। এতে একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য প্রোগ্রাম করা যায় এবং সাধারণত অন্যান্য মাইক্রোপ্রসেসরের তুলনায় কম শক্তি খরচ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মাইক্রো কন্ট্রোলার ও FPGA (Field Programmable Gate Array) ছোট কিন্তু শক্তিশালী কম্পিউটার চিপ, যা গবেষণার জন্য বিভিন্ন স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এগুলো যন্ত্রের ভেতরে স্থাপন করার মাধ্যমে গবেষণার কাজ সহজ করা হয় এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ সম্ভব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

FPGA হলো এক ধরনের প্রোগ্রামযোগ্য লজিক চিপ। কম্পিউটারের মতো কাজ করতে পারে সেরকম ছোট ছোট মাইক্রো কন্ট্রোলার, FPGA এবং PLA হচ্ছে Programmable Logic Array এটিও মাইক্রোকন্ট্রোলারের মতো কাজ করে। ল্যাবরেটরির ব্যবহারিক গবেষণা করতে FPGA ও PLA মতো যন্ত্র ব্যবহার করে যেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এমনকি এক যন্ত্রের তথ্য অন্যে যন্ত্রে নিয়ে যেটা প্রক্রিয়া করার জন্যই এই রকম যন্ত্র ব্যবহার হয়। যন্ত্রের ভিতর সেগুলো বসিয়ে দিয়ে যন্ত্রগুলোকে অনেক স্বয়ংক্রিয় করে দিয়ে গবেষণার পুরো কাজটি অনেক সহজ করে দেওয়া হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গবেষণায় নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবেষকরা দূরবর্তী স্থান থেকে তথ্য সংগ্রহ, শেয়ারিং ও বিশ্লেষণ করতে পারেন। এটি আন্তর্জাতিক গবেষকদের একত্রে কাজ করতে সাহায্য করে এবং গবেষণার গতি বাড়ায়। এছাড়া, Virtual Laboratory-এর মতো প্রযুক্তির মাধ্যমে ল্যাবরেটরি দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করাও সম্ভব হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভার্চুয়াল ল্যাবরেটরি হলো একটি সফটওয়্যার-ভিত্তিক পরিবেশ যেখানে শিক্ষার্থীরা এবং গবেষকরা বাস্তব ল্যাবরেটরির মতোই বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারেন। ভার্চুয়াল ল্যাবরেটরিতে ভার্চুয়াল ইনস্ট্রুমেন্ট, সিমুলেশন এবং মডেলিং সফটওয়‍্যার ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের ল্যাবরেটরিতে শারীরিকভাবে কোনো উপাদান ব্যবহার না করেই বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যায়। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ এবং কম খরচে শেখার পরিবেশ প্রদান করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), মেশিন লার্নিং, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ইত্যাদির উন্নতির ফলে গবেষণা আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে। বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ, নতুন আবিষ্কার এবং দূরবর্তী গবেষণার সুবিধা আরও বৃদ্ধি পাবে, যা মানব সভ্যতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

অনেক জটিল গবেষণা যেমন জিনোম বিশ্লেষণ, আবহাওয়া পূর্বাভাস বা মহাকাশ গবেষণার জন্য প্রচুর পরিমাণে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে হয়, যা সাধারণ কম্পিউটার দ্বারা সম্ভব নয়। এ কারণে গবেষকরা সুপারকম্পিউটার বা বিশেষায়িত কম্পিউটার ব্যবহার করেন, যা দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য বিশ্লেষণ করতে সক্ষম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

ঢাকায় বসবাসকারী সুমন তার বোনের বিয়ের জন্য দিনাজপুর থেকে পোলাওর চাল কিনতে চায়। এজন্য তাকে দিনাজপুর যেতে হবে। কিন্তু বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে দিনাজপুরে না গিয়েও সে ঢাকা থেকে পোলাওর চাল কিনতে পারবে। এজন্য সে মোবাইলের মাধ্যমে পোলাওয়ের চালের ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ করতে পারে। তবে সবচেয়ে সহজ ও ভালো উপায় হলো ই-কমার্স-এর মাধ্যমে কেনাবেচা করা। ই-কমার্স হলো অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য করার একটি প্রক্রিয়া। এক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবসায়িক মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে সুমন এ প্রক্রিয়ার সাহায্য নিতে পারবে। এজন্য একটি ই-কমার্স এর ওয়েবসাইটে গিয়ে পণ্যটির দাম, কোন জাতের চাল, বিবরণ এসব দেখে পছন্দসই চাল সিলেক্ট করতে হয়। এরপর ওয়েবের অর্ডার ফরমটি পূরণ করে বিক্রেতার নিকট অনলাইনের মাধ্যমেই পাঠাতে হয় এবং একই পদ্ধতিতে ক্রেতাকে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করতে হয়। আর বিক্রেতা তার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দ্রুত ক্রেতার নিকট পণ্য পৌঁছে দেয়। এক্ষেত্রে ক্যাশ অন ডেলিভারী পদ্ধতিতেও পণ্যের দাম পরিশোধ করা যায় যেখানে পণ্য রিসিভ করার সময় মূল্য পরিশোধ করতে হয়, পূর্বে নয়। ইন্টারনেটভিত্তিক এরূপ ক্রয় পদ্ধতিকে অনলাইন শপিং বলা হয়। ইন্টারনেটভিত্তিক সামগ্রিক এ ব্যবসায় ব্যবস্থাপনাই হলো ই-কমার্স। যার কারণে যেকোনো ব্যক্তি যেকোনো পণ্য যেকোনো স্থান থেকে নিরাপদে ক্রয় করতে পারেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

হাজার মাইল দূরে থেকেও অসুস্থ রোগীর জটিল অপারেশন
করা যায়। এজন্য যে প্রযুক্তিটি ব্যবহার করা হয় তাহলো টেলিমেডিসিন। নিচে এ বিষয়টি সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো-হাজার মাইল দূরে থেকেও অসুস্থ রোগীর জটিল অপারেশন করার জন্য ব্যবহৃত টেলিমেডিসিন ব্যবস্থা হলো একটি ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় ইন্টারনেট ব্যবহার করে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে হাজার মাইল দূরে অবস্থান করেও একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রোগীর অপারেশন করতে পারেন। এক্ষেত্রে ডাক্তার এবং রোগী পরস্পরের সাথে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে যুক্ত হন।
ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে ডাক্তার রোগীর অপারেশন প্রক্রিয়া দেখতে পারেন। এর পাশাপাশি তিনি রোগীর শারীরিক বিভিন্ন অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করেন। কোনো পরামর্শ প্রয়োজন হলে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে তিনি প্রদানও করেন। মূলত এ ব্যবস্থায় কোনো একজন রোগীর অপারেশন চলাকালে হাজার মাইল দূরে অবস্থানরত একজন ডাক্তার ইন্টারনেট ব্যবহার করে ভিডিও  কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে অপারেশন পর্যবেক্ষণ, অপারেশনে নিয়োজিত ডাক্তারদের পরামর্শ প্রদান এবং সার্বিক ব্যবস্থা তদারকি করার মাধ্যমে অসুস্থ রোগীর জটিল অপারেশনে অংশগ্রহণ করেন। এর ফলে অপারেশনে নিয়োজিত ডাক্তাররা সঠিকভাবে অপারেশনের কাজটি করতে পারেন। এভাবেই হাজার মাইল দূরে থেকেও অসুস্থ রোগীর জটিল অপারেশন করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

তথ্য এবং প্রযুক্তির বিকাশের ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন
ধরনের পরিবর্তন এসেছে। মানুষ সবক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার প্রয়োজনেই শিখে নিচ্ছে। প্রযুক্তির বিকাশের শুরুর দিকে ধারণা করা হতো স্বয়ংক্রিয়করণ এবং প্রযুক্তির প্রয়োগের ফলে বিশ্বব্যাপী কাজের পরিমাণ কমে যাবে এবং বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু বিকাশের এ ধারায় দেখা গেছে কিছু কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে, বেশ কিছু কাজের ধারার পরিবর্তন এসেছে। তবে অসংখ্য নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এক গবেষণায় জানা গেছে, প্রতি এক হাজার ইন্টারনেট সংযোগের ফলে নতুন ৮০টি কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে একজন কর্মী অনেক বেশি দক্ষ হয়ে ওঠে। বিপজ্জনক অনেক কাজ শ্রমিকরা যন্ত্র দিয়ে করায় বিভিন্ন কারখানায় নানারকম কাজের জন্য রোবট বা স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। এসব যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ মানুষই করে থাকে। এতে সময় বাঁচে। কাজ নিখুঁতভাবে এবং সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়। এতে উৎপাদনশীলতা বাড়ে। এর কারণ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সংযুক্তি। তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগে উৎপাদনশীলতায় এ বৃদ্ধিকে বাঙালি শিক্ষাবিদ এবং বর্তমানে আমেরিকার MIT এর অধ্যাপক ডঃ ইকবাল কাদির সংজ্ঞায়িত করেছেন এভাবে যে, সংযুক্তিই উৎপাদনশীলতা (Connectivity is productivity)। অর্থাৎ প্রযুক্তিতে জনগণের সংযুক্তি বাড়লে তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
114

 

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ ব্যাখ্যা করতে পারব :
• যোগাযোগের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব;
• ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সুযোগ ব্যাখ্যা করতে পারব;
• সরকারি কার্যক্রমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের পুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব
• চিকিৎসা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অবদান ব্যাখ্যা করতে পারব
• গবেষণার ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয়। এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার হলো-

১. তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করা যায়।
২. তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘরে বসে যেকোনো পরীক্ষার ফলাফল জানা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
678
উত্তরঃ

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে অর্থ প্রেরণ এখন খুব সহজ হয়ে গেছে। মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং বিভিন্ন অর্থ প্রেরণ অ্যাপসের মাধ্যমে আমরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খুব সহজেই অর্থ প্রেরণ করতে পারি। এতে সময় এবং খরচ উভয়ই অনেক কমে গেছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, এটি নিরাপদ এবং সুবিধাজনক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
122
উত্তরঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পরিবহন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে। GPS, স্মার্টফোন অ্যাপ এবং অনলাইন বুকিং সিস্টেমের মাধ্যমে আমরা সহজেই যানবাহন বুক করতে, যানজট এড়াতে এবং সর্বোত্তম রুট খুঁজে পেতে পারি। এছাড়া নতুন প্রযুক্তি যেমন-স্বয়ংচালিত গাড়ি এবং ড্রোন পরিবহন ব্যবস্থায় আরও বেশি দক্ষতা এবং নিরাপত্তা আনছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
246
উত্তরঃ

ইন্টারনেট চালাতে মডেম প্রয়োজন হয় কারণ মডেমই ইন্টারনেট সংকেতকে কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইস বুঝতে পারে এমন ভাষায় রূপান্তর করে। মডেম ইন্টারনেট সংযোগের জন্য একটি সেতু হিসেবে কাজ করে। এটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের নেটওয়ার্ককে ব্যবহারকারীর ডিভাইসের নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
237
উত্তরঃ

তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে অনেক সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। যেমন, টাইপরাইটারের জায়গায় কম্পিউটার, হিসাব রক্ষকের জায়গায় স্প্রেডশিট এবং মানি অর্ডার এর জায়গায় মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ এসেছে। এছাড়া, অনেক কারখানায় যান্ত্রিক কাজগুলো রোবট দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। ফলে মানুষের হাতে কম কাজ থাকছে এবং তাদেরকে নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
134
উত্তরঃ

সংযুক্তিই উৎপাদনশীলতা অর্থাৎ প্রযুক্তিতে জনগণের সংযুক্তি বাড়লে তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ে। ফলে তৈরি হয় নতুন নতুন কর্মসংস্থান। তথ্য প্রযুক্তির বিকাশের ফলে কিছু সনাতনী কাজ বিলুপ্ত হয়েছে, তবে অসংখ্য নতুন কাজের সৃষ্টি হয়েছে। ইন্টারনেট সংযোগ বৃদ্ধির সাথে সাথে কর্মসংস্থানের সুযোগও দ্রুত হারে বেড়ে গিয়েছে। তাই বলা যায় যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগের ফলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
484
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews