উনবিংশ শতাব্দীতে কাগজি মুদ্রার প্রচলন হয়।
মুদ্রা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি বিনিময়ের মাধ্যম। সভ্যতা বিকাশের সাথে সাথে মানুষের সামাজিক বন্ধন ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বাড়ে। ফলে মানুষের মধ্যে লেনদেন এবং বিনিময় সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে মুদ্রা প্রচলিত হয়। এই মুদ্রা প্রচলনের পরপরই ব্যাংক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। যার জন্য মুদ্রাকে ব্যাংক ব্যবস্থার জননী বলা হয়।
মুদ্রা বিনিময়ের মাধ্যম, মূল্যের পরিমাপক ও সঞ্চয়ের বাহন হিসেবে কাজ করে।
যেকোনো লেনদেন করার জন্য মুদ্রা ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ভবিষ্যৎ সঞ্চয়ের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়। পণ্যের মূল্যের পরিমাপক হিসেবেও মুদ্রা কাজ করে।
উদ্দীপকে ইমনের বিদ্যালয় তাদেরকে জাদুঘর দেখাতে নিয়ে গিয়েছিল। ইমন সেখানে বিভিন্ন মুদ্রা দেখতে পেল। এই মুদ্রা প্রধানত তিনটি কাজ করে। মুদ্রা বিনিময়ের প্রধান মাধ্যম। যেকোনো লেনদেনের ক্ষেত্রে এটি বিনিময় করা হয়। এছাড়া মুদ্রা সঞ্চয়ের বাহন হিসেবে কাজ করে। যেমন- ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করতে বর্তমানে মুদ্রাকে জমা রাখা হয়। আবার পণ্য বা সেবার মূল্য মুদ্রার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়। যেমন-একটি বইয়ের মূল্য কত হওয়া উচিত তা মুদ্রা দিয়ে পরিমাপ করা যায়। তাই বলা যায়, মুদ্রা বিনিময়ের মাধ্যম, সঞ্চয়ের বাহন ও মূল্যের পরিমাপক হিসেবে কাজ করে।
মুদ্রা বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ও সঞ্চয়ের বাহন'- উক্তিটি যথার্থ।
সভ্যতা বিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের প্রয়োজন, কর্মকান্ড এবং সামাজিক পরিধি বাড়ে। বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে একটা সময় মুদ্রার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। পাশাপাশি এটি সঞ্চয়ের ভান্ডার হিসেবেও ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে ইমন তার বিদ্যালয় থেকে জাদুঘর প্রদর্শনীতে যায়। সেখানে সে বিচিত্র ইতিহাস সমৃদ্ধ বিভিন্ন ধরনের মুদ্রা দেখতে পায়। বাসায় এসে সে তার বাবাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করে। তার বাবা জানায়, মুদ্রা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি বিনিময়ের মাধ্যম ও সঞ্চয়ের বাহন। কোনো পণ্য বা সেবা পেতে হলে মূল্য হিসেবে অবশ্যই কিছু দিতে হবে। এর বিনিময়ে 'পণ্য দিলে কেউ তা মানবে না। এক্ষেত্রে বিনিময় হিসেবে অবশ্যই কোনো- মুদ্রা (টাকা, ডলার, পাউন্ড) ব্যবহার করতে হবে। তাহলে দেশে বিদেশে যেকোনো স্থানেই তা গ্রহণযোগ্য হবে। এখানে মুদ্রা কোনো কিছুর বিনিময় হিসেবে কাজ করছে। পাশাপাশি এটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। আবার ভবিষ্যতের জন্য কোনো কিছু সঞ্চয় করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে কোনো পণ্য জমা রাখলে কিছু সময় পর তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে বা গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু মুদ্রা জমা রাখলে তা অনেক সময় পরেও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য থাকবে। এখানে মুদ্রা সঞ্চয়ের বাহন হিসেবে কাজ করছে। তাই বলা যায়, মুদ্রা সম্পর্কে ইমন এর বাবার উক্তিটি যথার্থ।
Related Question
View Allভব্যের বিনিময়ে দ্রব্য লেনদেন করে চাছিদা পূরণ করাই হলো দ্রব্য।
মুদ্রাকে ব্যাংক বাবসায়ের জননী বলা হয়।
মুদ্রা প্রানান হবার পরই ব্যাংক ব্যবস্থার উৎপত্তি হয়েছে। ব্যাংক মুদ্রার মাধ্যমে আমানর সংগ্রহ করে ও ঋণ দেয়। এ কারণেই মুদ্রা ব্যাংক ব্যবসায়ের প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এককথায় ব্যাংক সাবস্থার উৎপরি ও ক্রমবিকাশ হয়েছে মুদ্রাকে ঘিরে। মুদ্রা ছাড়া ব্যাংক ব্যবসায় অচল। আবার ব্যাংক স্বাড়া মুদ্রার ব্যবহারও সীমিত। অর্থাৎ একটি আরেকটির সাথে প্রতপ্রোতভাবে জড়িত
ব্যাংকির ও ব্যাংকার। একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত'-বক্তব্যটি যথার্থ।
ব্যাংকের সব আইনসঙ্গত কাজকে ব্যাংকিং বলে। ব্যাংকিং ব্যবসায় যারা পরিচালনা করেন তাদেরকে বলা হয় ব্যাংকার।
উদ্দীপকে আজমি নর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সে বিভাগে পড়াশোনা করে। তার বাধা ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যয়ের কর্মকর্তী। তিনি সবসময় ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যয় বাতেন এক্ষেত্রে আজমির বানা একজন ব্যাংকার। আর তার করা কাজগুলে হলো ব্যাকিং। অর্থাৎ ব্যাংকারের কাজই ব্যাংকিং। সুতরাং বলা বাহ ব্যাংকিং ও ব্যাংকার একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
উদ্দীপকে আজমি নূর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করে। তার বাবা ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা। তিনি সবসময় ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এক্ষেত্রে আজমির বাবা একজন ব্যাংকার। আর তার করা কাজগুলো হলো ব্যাংকিং। অর্থাৎ ব্যাংকারের কাজই ব্যাংকিং। সুতরাং বলা যায়, ব্যাংকিং ও ব্যাংকার একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
