ইসরায়েলের আকাশ সুরক্ষায় আয়রন ডোম সিস্টেমের পরিপুরক নতুন সিস্টেমটির নাম "আয়রন বিম" (Iron Beam), কীভাবে কাজ করে: "Iron Beam" হলো ইসরায়েলের তৈরি একটি লেজার-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ব্যবস্থা, যা: যা: উচ্চ-শা উচ্চ-শক্তিসম্পন্ন লেজার রশ্মি ব্যবহার করে শত্রুর রকেট, ড্রোন, মর্টার শেল ও ক্ষেপণাস্ত্রকে আকাশেই ধ্বংস করে। এটি Iron Dome-এর তুলনায় অনেক দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে পারে এবং কম খরচে বেশি লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য: লেজার শক্তি: প্রায় ১০০ কিলোওয়াট; আঘাত হানার সময়: মাত্র কয়েক সেকেন্ড; লক্ষ্যবস্তুকে গলিয়ে বা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করে। Iron Dome প্রতি রকেট আটকাতে কয়েক হাজার ডলার খরচ হয়। Iron Beam একই কাজ মাত্র কয়েক ডলারে করতে পারে। 'Iron Beam' হলো একটি অত্যাধুনিক লেজার-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা আকাশপথে আসা হুমকিকে আলোকরশ্মি দিয়ে ধ্বংস করে এবং এটি আয়রন ডোমের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।
Related Question
View Allজাতিসংঘের নামকরণ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১ জানুয়ারি ১৯৪২ সালে। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। আর এর সদর দপ্তরের স্থপতি ছিলেন ডব্লিউ হ্যারিসন। জাতিসংঘ বিশ্বের জাতিসমূহের একটি সংগঠন, যার লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইন, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং মানবাধিকার বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা। ১৯৪৫ সালে ৫১টি রাষ্ট্র জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসংঘ সনদ স্বাক্ষর করার মাধ্যমে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়।
১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ভারত এবং পাকিস্তান দুইটি প্রদেশ ভাগ হয়েছিল। ১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট ভারতীয় উপমহাদেশ ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং দুটি আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে বিভক্ত হয়:
ভারত (১৫ আগস্ট) একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র।
পাকিস্তান (১৪ আগস্ট) একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র, যার মধ্যে ছিল পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) ও পশ্চিম পাকিস্তান (বর্তমান পাকিস্তান)।
এই বিভাজনকে বলা হয় 'ভারত বিভাগের' (Partition of India)। এটি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের ঐতিহাসিক উদাহরণ।
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের একটি সংরক্ষিত স্থান হলো সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড। এর অর্থ হলো, যার কোনো তল নেই। এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
ইউরোস্টার (Eurostar) হচ্ছে একটি উচ্চগতিসম্পন্ন ট্রেন পরিষেবা, যা লন্ডন (যুক্তরাজ্য), প্যারিস (ফ্রান্স), ব্রাসেলস (বেলজিয়াম) সহ ইউরোপের বিভিন্ন প্রধান শহরের মধ্যে চলাচল করে। এটি ইংলিশ চ্যানেল টানেল (Channel Tunnel Tunnel বা "Chunnel") দিয়ে যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় মূল ভূখণ্ডের মধ্যে চলাচল করে। ইউরোস্টার চালু চালু হয় হয় ১৯৯৪ সালে। এটি একটি আন্তর্জাতিক রেলসেবা যা দ্রুত, আরামদায়ক ও পরিবেশবান্ধব ভ্রমণের সুযোগ দেয়। লন্ডন থেকে প্যারিস যেতে ইউরোস্টার ট্রেনে সময় লাগে প্রায় ২ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। এটি যাত্রী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, পণ্য পরিবহনের জন্য নয়।
নতুন ১০০০ টাকার নোটের সামনে রয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং পেছনে জাতীয় সংসদ ভবনের চিত্র। বেগুনি রঙের এ নোটে রয়েছে বিশেষ ধরনের জলছাপ, রঙ পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা সুতা, ম্যাজেন্টা-থেকে-সবুজে পরিবর্তনশীল কালি, মাইক্রোপ্রিন্ট, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য চিহ্নসহ মোট ১৩টি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য। জলছাপ হিসেবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ', '১০০০' এবং 'বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম' রয়েছে।
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি কম্পিউটিং ব্যবস্থা যেখানে কম্পিউটারের সমস্ত ডেটা এবং সফটওয়্যার নিজের কম্পিউটারে না রেখে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপ অথবা নেটওয়ার্কে জমা করে রাখা হয়। ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেম শুধু ডেটা জমা করে রাখার সুবিধা দেয় না, বরং ইন্টারনেটের সাহায্যে এসব ডেটা ম্যানেজ, প্রসেস এবং অ্যাক্সেস করার সুবিধাও দিয়ে থাকে। ডেটা স্টোরেজ, সার্ভার, ডেটাবেস, নেটওয়ার্কিং এবং সফটওয়্যার এর মত টুলস এবং অ্যাপ্লিকেশন ক্লাউড কম্পিউটিং এর পরিষেবার অন্তর্ভুক্ত। এই ক্ষেত্রে, ক্লাউড ভিত্তিক স্টোরেজ ব্যবহারকারীদের ডেটা এবং ফাইল সমূহ রিমোট সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখে। ফলে, ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী যেকোনো স্থানে বসে যেকোনো ডিভাইসের সাহায্যে সার্ভারে সঞ্চিত ফাইল অথবা অ্যাপ্লিকেশন অ্যাক্সেস করতে পারেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!