উত্তরঃ

জাতিসংঘের নামকরণ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১ জানুয়ারি ১৯৪২ সালে। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। আর এর সদর দপ্তরের স্থপতি ছিলেন ডব্লিউ হ্যারিসন। জাতিসংঘ বিশ্বের জাতিসমূহের একটি সংগঠন, যার লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইন, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং মানবাধিকার বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা। ১৯৪৫ সালে ৫১টি রাষ্ট্র জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসংঘ সনদ স্বাক্ষর করার মাধ্যমে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালিত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ভারত এবং পাকিস্তান দুইটি প্রদেশ ভাগ হয়েছিল। ১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট ভারতীয় উপমহাদেশ ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং দুটি আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে বিভক্ত হয়:

ভারত (১৫ আগস্ট) একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র।

পাকিস্তান (১৪ আগস্ট) একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র, যার মধ্যে ছিল পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) ও পশ্চিম পাকিস্তান (বর্তমান পাকিস্তান)।

এই বিভাজনকে বলা হয় 'ভারত বিভাগের' (Partition of India)। এটি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের ঐতিহাসিক উদাহরণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের একটি সংরক্ষিত স্থান হলো সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড। এর অর্থ হলো, যার কোনো তল নেই। এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ইউরোস্টার (Eurostar) হচ্ছে একটি উচ্চগতিসম্পন্ন ট্রেন পরিষেবা, যা লন্ডন (যুক্তরাজ্য), প্যারিস (ফ্রান্স), ব্রাসেলস (বেলজিয়াম) সহ ইউরোপের বিভিন্ন প্রধান শহরের মধ্যে চলাচল করে। এটি ইংলিশ চ্যানেল টানেল (Channel Tunnel Tunnel বা "Chunnel") দিয়ে যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় মূল ভূখণ্ডের মধ্যে চলাচল করে। ইউরোস্টার চালু চালু হয় হয় ১৯৯৪ সালে। এটি একটি আন্তর্জাতিক রেলসেবা যা দ্রুত, আরামদায়ক ও পরিবেশবান্ধব ভ্রমণের সুযোগ দেয়। লন্ডন থেকে প্যারিস যেতে ইউরোস্টার ট্রেনে সময় লাগে প্রায় ২ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। এটি যাত্রী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, পণ্য পরিবহনের জন্য নয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

নতুন ১০০০ টাকার নোটের সামনে রয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং পেছনে জাতীয় সংসদ ভবনের চিত্র। বেগুনি রঙের এ নোটে রয়েছে বিশেষ ধরনের জলছাপ, রঙ পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা সুতা, ম্যাজেন্টা-থেকে-সবুজে পরিবর্তনশীল কালি, মাইক্রোপ্রিন্ট, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য চিহ্নসহ মোট ১৩টি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য। জলছাপ হিসেবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ', '১০০০' এবং 'বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম' রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি কম্পিউটিং ব্যবস্থা যেখানে কম্পিউটারের সমস্ত ডেটা এবং সফটওয়্যার নিজের কম্পিউটারে না রেখে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপ অথবা নেটওয়ার্কে জমা করে রাখা হয়। ক্লাউড কম্পিউটিং সিস্টেম শুধু ডেটা জমা করে রাখার সুবিধা দেয় না, বরং ইন্টারনেটের সাহায্যে এসব ডেটা ম্যানেজ, প্রসেস এবং অ্যাক্সেস করার সুবিধাও দিয়ে থাকে। ডেটা স্টোরেজ, সার্ভার, ডেটাবেস, নেটওয়ার্কিং এবং সফটওয়্যার এর মত টুলস এবং অ্যাপ্লিকেশন ক্লাউড কম্পিউটিং এর পরিষেবার অন্তর্ভুক্ত। এই ক্ষেত্রে, ক্লাউড ভিত্তিক স্টোরেজ ব্যবহারকারীদের ডেটা এবং ফাইল সমূহ রিমোট সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখে। ফলে, ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী যেকোনো স্থানে বসে যেকোনো ডিভাইসের সাহায্যে সার্ভারে সঞ্চিত ফাইল অথবা অ্যাপ্লিকেশন অ্যাক্সেস করতে পারেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

'Little Red Book' বা 'লিটল রেড বুক' হলো চীনা কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং (Mao Zedong)-এর নির্বাচিত উক্তি ও রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত বই। সম্পূর্ণ নাম: Quotations from Chairman Mao Tse-tung. প্রথম প্রকাশ: ১৯৬৪ সালে, লেখক: মাও সেতুং; বিষয়বস্তু: কমিউনিজম, সমাজতন্ত্র, বিপ্লব, চীনা সমাজ ও সংস্কার সম্পর্কে মাও-এর দৃষ্টিভঙ্গি। চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব (১৯৬৬-১৯৭৬) চলাকালে এটি বাধ্যতামূলক পাঠ্য ছিল। দেশটির জনগণ, ছাত্র, সৈনিক, ও কর্মীরা এই বই বহন করত। এটি ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ছাপানো বইগুলোর মধ্যে একটি। 

সংক্ষেপে বলা যায়: 'Little Red Book' হলো মাও সেতুং-এর বিপ্লবী চিন্তাধারার সংকলন, যা চীনের ইতিহাসে এক সময় অত্যন্ত প্রভাবশালী রাজনৈতিক বই হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

ইসরায়েলের আকাশ সুরক্ষায় আয়রন ডোম সিস্টেমের পরিপুরক নতুন সিস্টেমটির নাম "আয়রন বিম" (Iron Beam), কীভাবে কাজ করে: "Iron Beam" হলো ইসরায়েলের তৈরি একটি লেজার-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ব্যবস্থা, যা: যা: উচ্চ-শা উচ্চ-শক্তিসম্পন্ন লেজার রশ্মি ব্যবহার করে শত্রুর রকেট, ড্রোন, মর্টার শেল ও ক্ষেপণাস্ত্রকে আকাশেই ধ্বংস করে। এটি Iron Dome-এর তুলনায় অনেক দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে পারে এবং কম খরচে বেশি লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে সক্ষম। প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য: লেজার শক্তি: প্রায় ১০০ কিলোওয়াট; আঘাত হানার সময়: মাত্র কয়েক সেকেন্ড; লক্ষ্যবস্তুকে গলিয়ে বা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করে। Iron Dome প্রতি রকেট আটকাতে কয়েক হাজার ডলার খরচ হয়। Iron Beam একই কাজ মাত্র কয়েক ডলারে করতে পারে। 'Iron Beam' হলো একটি অত্যাধুনিক লেজার-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা আকাশপথে আসা হুমকিকে আলোকরশ্মি দিয়ে ধ্বংস করে এবং এটি আয়রন ডোমের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব (Fourth Industrial Revolution) এমন একটি প্রযুক্তিগত যুগ, যেখানে মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও শিল্প কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তির গভীর সংমিশ্রণ ঘটছে। এর মূল চালিকাশক্তিগুলো: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) Decision making ও automation-এর জন্য; ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) – যন্ত্র ও ডিভাইস সংযুক্তকরণ; বিগ ডেটা অ্যানালিটিক্স বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ; রোবোটিক্স স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র; ব্লকচেইন নিরাপদ তথ্য সংরক্ষণ; জিন প্রযুক্তি ও বায়োটেকনোলজি; ৩D প্রিন্টিং; ক্লাউড কম্পিউটিং।

তবে এই বিপ্লবের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হয় 'Artificial Intelligence (AI)', কারণ এটি সব এটি সব প্রযুক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে কাজ করে। AI-ই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের হৃদপিণ্ড, যা উৎপাদন, চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা, এমনকি সামরিক ক্ষেত্রেও বিপ্লব ঘটাচ্ছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ ৩৩তম দেশ হিসেবে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। 

'পারমাণবিক ক্লাব' বলতে বোঝানো হয় সেইসব দেশকে, যারা পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন ও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে। এটি শুধু অস্ত্র নয়, বরং বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ক গোষ্ঠী।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই প্রকল্পটি রাশিয়ার রসাটম (ROSATOM) প্রতিষ্ঠানের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। ২০২৩ সালের ৫ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকার রূপপুরে ব্যবহারের জন্য রাশিয়া থেকে প্রথম পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) গ্রহণ করে। 

এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের স্বীকৃতি পায়। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA) বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রস্তুতি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দেয়। এরপর বাংলাদেশ ৩৩তম দেশ হিসেবে বিশ্ব পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম রেলওয়ে ওভারপাস (Railway Overpass) অবস্থিত বাংলাদেশে। রেলওয়ে ওভারপাস হলো এমন একটি উঁচু সেতু বা পথ, যা সড়ক ও রেলপথের সংযোগস্থলে তৈরি করা হয় যাতে ট্রেন ও যানবাহন আলাদা স্তরে চলাচল করতে পারে। এতে করে ট্রেন ও গাড়ির মধ্যে কোনো সংঘর্ষ বা অপেক্ষার প্রয়োজন পড়ে না। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ যেখানে রেলওয়ের উপর দিয়ে একটি আধুনিক ওভারপাস নির্মাণ করা হয়েছে। এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অংশ এবং টঙ্গী বা গাজীপুর অঞ্চলে নির্মিত হয়। এই ওভারপাসটি ট্রাফিক জ্যাম হ্রাস, ট্রেনের নিরাপদ চলাচল এবং সময় বাঁচাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার রেল পরিবহনে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক স্থাপন করেছে রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণের মাধ্যমে, যা অন্যান্য দেশগুলোর জন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল-"বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া।” ষোড়শ (১৬তম) সংবিধান সংশোধনী আইন, ২০১৪। ১৯৭২ সালের সংবিধানে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের (জাতীয় সংসদ) হাতে ছিল। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে চারদলীয় সরকার এই ক্ষমতা বাতিল করে একটি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করে, যা বিচারপতিদের অপসারণের এখতিয়ার পায়। ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে ২০১৪ সালে বর্তমান সরকার সেই পুরনো কাঠামো ফিরিয়ে আনে, অর্থাৎ সংসদীয় পদ্ধতিতে বিচারপতি অপসারণের বিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ষোড়শ সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিল করে দেয়। আদালতের মতে, এই সংশোধনী বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করে এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করে।

ষোড়শ সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে আনা, তবে এটি পরে আদালতের মাধ্যমে বাতিল ঘোষণা করা হয়, ফলে বর্তমানে সেই ক্ষমতা আবার সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের উন্সিলের অধীনে অধীনে। রয়ে গেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

Sunshine Policy- মূলত উত্তর কোরিয়ার প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রনীতি। এটা উভয় দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য করা নেওয়া হয়।     

Hafizur Khan
Hafizur Khan
10 months ago
উত্তরঃ

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে যেসব রাজ্য সবসময় কোন নির্দিষ্ট দলের (রিপাবলিকান বা ডেমোক্র্যাট) পক্ষে থাকে না, বরং কখনো একদিকে আবার কখনো অন্যদিকে ভোট দেয় সেসব রাজ্যকে বলা হয়: "Swing States" অথবা "Battleground States" এমন রাজ্য যেখানে নির্বাচন পূর্বাভাস করা কঠিন হয়। ভোটাররা দুই দলেই ভাগ হয়ে থাকে। এক নির্বাচনে রিপাবলিকান, পরেরবার ডেমোক্র্যাট জয় পেতে পারে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের (Sepoy Mutiny বা First War of Independence) পর ভারতীয় উপমহাদেশে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির পরিবর্তে ব্রিটিশ রাজকীয় শাসন (British Crown Rule) প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৫৭ সালে ভারতের মিরাটে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাদের মধ্যে বিদ্রোহ শুরু হয়। এটি পরে উত্তর ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং এক বিশাল গণ-বিদ্রোহে পরিণত হয়। ধর্মীয় অবমাননা (সেপয়দের ব্যবহৃত কার্তুজে গরু ও শুকরের চর্বি ব্যবহার)। ১৮৫৭সালের সিপাহী বিদ্রোহ-এর ফলস্বরূপ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে এবং ১৮৫৮ সালে থেকে ভারত সরাসরি ব্রিটিশ রাজ কর্তৃক শাসিত হতে থাকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
313

১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ গঠিত হয়। জাতিসংঘ রাতারাতি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১১ টি সম্মেলনের মধ্য দিয়ে। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের পাঁচটি সদস্য (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চান) এর বিশেষ ক্ষমতা (Veto Power) রয়েছে, যে ক্ষমতার বলে এই পাঁচ সদস্যের যে কেউ জাতিসংঘের যেকোন সিদ্ধান্তকে নাকচ করে দিতে পারে।

 

জেনে নিই 

  •  জাতিসংঘ হলো বিশ্বের স্বাধীন দেশসমূহের সর্বোচ্চ- আন্তর্জাতিক সংঘ।
  •  জাতিসংঘের সদর দপ্তর অবস্থিত- ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
  • জাতিসংঘের ইউরোপীয় কার্যালয় অবস্থিত জেনেভায় (সুইজারল্যান্ড)।
  •  জাতিসংঘ গঠন সংক্রান্ত আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয়- ১৪ আগস্ট ১৯৪১।
  • জাতিসংঘ সনদ কার্যকরী হয় ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে ৫১টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে।
  • জাতিসংঘের নামকরণ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট (১ জানুয়ারি ১৯৪২)।
  •  ১৯৪৫ সালে ৫১তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর করে- পোল্যান্ড ।
  •  জাতিসংঘের আয়ের উৎস সদস্য দেশসমূহের চাঁদা, বাজেট ঘোষিত হয় -দু'বছরে একবার।
  •  জাতিসংঘের সর্বশেষ ১৯৩ তম সদস্য দেশ দক্ষিণ সুদান।
  •  প্রতিবছর জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় ২৪ অক্টোবর।
  •  জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি-(ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
  • জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা- আর্কিবেন্ড ম্যাকলিস (Archibald Macleish)
  • জাতিসংঘের পতাকা হালকা নীল রঙের মাঝে একটি সাদা বৃত্ত এবং বৃত্তের মাঝখানে প্রতীক ।
  • প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৭৫ সালে মেক্সিকো সিটিতে 1 
  • জাতিসংঘের সদস্য নয় যেসব দেশ তাইওয়ান, ভ্যাটিকান, কসোভো এবং ফিলিস্তিন।
  • জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়- টোকিও, জাপানে অন্যদিকে জাতিসংঘ শান্তি বিশ্ববিদ্যালয় কোস্টারিকাতে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

General Agreement on Tariffs and Trade (GATT) আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৮ সালে। GATT এর প্রবর্তিত রূপ হলো World Trade Organization যা ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

337
উত্তরঃ

বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর উদ্দেশ্য ছিল 'যুদ্ধাপরাধীসহ অন্যান্য গণবিরোধীদের বিচার নিশ্চিত করা । প্রথম সংশোধনী উত্থাপন করা হয় ১২ জুলাই ১৯৭৩ সালে এবং পাস হয় ১৫ জুলাই ১৯৭৩ সালে আর রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেন ১৭ জুলাই ১৯৭৩ সালে ।

248
উত্তরঃ

জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে। আর জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।  উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সদর দপ্তরের স্থপতি ছিলেন ডব্লিউ হ্যারিসন। জাতিসংঘ বিশ্বের জাতিসমূহের একটি সংগঠন, যার লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইন, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং মানবাধিকার বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা। ১৯৪৫ সালে ৫১টি রাষ্ট্র জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর করার মাধ্যমে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘের নাম করণ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১ জানুয়ারি, ১৯৪২ সালে । প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর, জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় ।

422
উত্তরঃ

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। এ সময়কালে বসা ১০টি সংসদের মধ্যে সপ্তম সংসদ বাদে প্রতিটি সংসদেই সংবিধান সংশোধন হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদকালের সপ্তম সংসদে সংবিধানে কোনও সংশোধন হয়নি।

বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত ১৭ টি সংশোধনী আনা হয়েছে। ২০১৮ সালের ০৮ ই জুলাই সংবিধান। (সপ্তদশ সংশোধন) বিল ২০১৮ জাতীয় সংসদে পাস হয়। ]

(৫০টি নারী আসন একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন থেকে আগামী ২৫ বছর পর্যন্ত বহাল থাকবে)

564
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews